জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে শিক্ষানবিশ সাংবাদিক নিয়োগ করা হবে

ব্লগ পোস্ট:

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এসএসসি/এইচএসসি; তবে ইউনিয়ন পর্যায়ে কাজ করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য। ভাষাজ্ঞান, লেখালেখি, গান/আবৃত্তি বা কোনো ধরনের বাদ্যযন্ত্র বাজানোর দক্ষতা থাকলে শিক্ষাগত যোগ্যতা তার ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য। অন্য কোনো পত্রিকায় কাজ করছেন এমন কাউকে নিয়োগ করা হবে না।

আপনার বায়োডাটা পাঠিয়ে অতিসত্বর যোগাযোগ করুন। নিয়োগ এবং নীতিমালা বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। কোনো ধরনের ফৌজদারি অপরাধ থাকলে তাকে নিয়োগ করা হবে না।

শিক্ষানবিশ সাংবাদিক নিয়োগ
দেশের সকল জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে আমাদের ভৈরবের খবর-এর জন্য শিক্ষানবিশ সাংবাদিক, রিপোর্টার, স্টাফ রিপোর্টার ও ফ্রিল্যান্স প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

উপরিউক্ত শর্তগুলো বাদে অন্যান্য যে সকল শর্ত মেনে আবেদন করতে হবে:

• ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত পাঠাতে হবে ই-মেইলে অথবা ফেসবুক পেজে ইনবক্স করে;
ই-মেইলঃ ashiqmahmud156@gmail.com
• আবেদনকারীকে সর্বনিন্ম এসএসসি পাশ হতে হবে;

• আমরা সাংবাদিক পরিচয় পত্র প্রদান করব না;

• আমরা ব্লগার পরিচয় পত্র প্রদান করব;

• অফিস থেকে দেয়া এ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে;

• বছরে ২ টি সাংবাদিক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে। প্রতিনিধিদের অবশ্যই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে;

• নিউজের সাথে ছবি এবং ভিডিও (সম্ভব হলে) পাঠাতে হবে;

• নিয়োগ প্রক্রিয়াটি চলমান রয়েছে, তাই যেকোনো সময় আবেদন করা যাবে।

বিদ্র: এক বছর শিক্ষানবিশকাল শেষ হলে স্থায়ীভাবে কাজ করা যাবে।

জীবনের উপলব্ধি

আরিফুল ইসলাম আশিক

ছবি: অনলাইন থেকে সংগ্রহীত।

অনেকেই জীবনের উপলব্ধি নিয়ে অনেক কিছু লিখেন। আসলে জীবনের উপলব্ধি একেক জনের একেক রকম হয়ে থাকে। জীবন কারো কাছে সুখের সর্গ রাজ্য আবার কারো কাছের দুঃখের নরক সমান।

জীবন কাউকে হাসায় আকাশ পরিমাণ আবার কাউকে বেদনার সাগরে ভেসে নিয়ে যায় অতল গভীরে। জীবনের কোন রং হয় না। জীবন অনেক টা তরকারির মতো। তরকারি যেমন এক পদের জিনিস দিয়ে রান্না করা যায় না, জীবন ঠিক তেমনি।

তরকারি রান্না করতে হলে যেমন তেল, লবন, মরিচ, হুলুদ, জিরা ইত্যাদি লাগে জীবন টাও এরকমই।

আনন্দ, হাসি, কান্না, পাওয়া না পাওয়া ইত্যাদির সংমিশ্রন নিয়েই জীবন। জীবন এক অদ্ভুদ জিনিসের নাম। এ এক আজব অনুভূতি। আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে অপূর্ন থেকেই কেউ পারি জমায় না ফেরার দেশে আবার কেউ না চাইতেই হাজারটা সাফল্য ঝুলিতে নিয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।

জানিনা জীবনের এই তামাশার শেষ কোথায়? তবুও আশায় বুক বেধে থাকি চাতক পাখির মতো। কোন একদিন বৃষ্টি আসবে আর সেই বৃষ্টির পানি খেয়ে তৃষ্ণা মেটাব।

অনির্দিষ্টকালের জন্য স্বেচ্ছায় রক্তদান বন্ধ রাখছেন রক্তদাতা সংগঠনগুলো

অনির্দিষ্ট কালের জন্য জহিরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সহ কয়েকটি হাসপাতালে , অপারেশন বা অন্যান্য প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবী কর্তৃক রক্ত ম্যানেজ ও রক্তদান আপাতত হচ্ছে না।

কিশোরগঞ্জ জেলার সকল রক্তসেবকদের কিছু দাবি :-

১.সকল হাসপাতালে অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ প্যাথলজিস্ট থাকতে হবে, যিনি সরকারি ভাবে বৈধ।

২. ডোনার যে বেডে শুয়ে রক্তদান করবে তা পরিষ্কার এবং উন্নত মানের হতে হবে এবং ডোনার রক্তদানের পর কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেস্ট নেয়ার সুযোগ দিতে হবে ।

৩. ডোনারদের রক্ত প্যাকিং করার জন্য সম্পূর্ণ আলাদা কক্ষ থাকতে হবে। যা ব্লাড কালেক্ট রুমের ন্যায় হতে হবে।

৪. ৩০ মিনিটের মধ্যে ডোনারের রক্তের রিপোর্ট দিতে হবে। ডোনারের রিপোর্টের ক্ষেত্রে অবহেলা করা যাবে না। (শুক্রবার ব্যাতিত)

৫. ডোনার বা স্বেচ্ছাসেবীর সাথে ভাল আচরণ করতেই হবে।

৬. ডোনার এর রিপোর্ট দেয়া বাধ্যতামূলক। পরে দেওয়ার আশ্বাস দিলে চলবেনা।

৭. সেচ্ছাসেবী কর্তৃক রক্ত চাহিবার পূর্বে অব্যশই রুগীর বিস্তারিত তথ্যসহ রিকুইজিশন পেপার (অধিবাচন পত্র) দেয়া বাধ্যতামূলক।

৮. রক্তদাতার রক্তদানের পূর্বে অব্যশই হিমুগ্লোবিন টেস্ট করে তারপর রক্ত টানতে হবে।

৯. রক্তদান করার সময় ডোনারের সাথে ১জন স্বেচ্ছাসেবী উপস্থিত থাকার ব্যবস্থা করে দিতে হবে সকল হসপিটাল কর্তিপক্ষকে ।

১০। প্রতিটি হসপিটালের মধ্যে ব্লাড মাপার মেশিন রাখতে হবে (১০০ – ১৫০ মি.লি. ব্লাড লাগে সেক্ষেত্রে বেশী পরিমান নেয়া হয়)

আমাদের দাবি গুলো যতদিন পর্যন্ত পূরন না হবে, ততদিন পর্যন্ত আমাদের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি বন্ধ থাকবে। কারণ অবহেলার কারণে বিরক্ত হয়ে অনেকে রক্তদান এবং স্বেচ্ছাসেবা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে। এমন হলে চিকিৎসা করানোর জন্য জহিরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ সহ আশেপাশের হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকতে হবে। কারণ হাসপাতাল কর্তৃক অনেক গুলো হত্যার ন্যায় ঘটনা ঘটেছে ইতোমধ্যেই। তাই আমাদের নিরাপত্তার জন্য হাসপাতালকে বাধ্য হবার আহ্বান করা যাচ্ছে। কিশোরগঞ্জ জেলার বাহিরের অনেকগুলো হাসপাতাল চাপে পরে দাবি পূরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

নৌকার মনোনয়নপ্রত্যাশী মোঃ লিটন মিয়া

মোঃ লিটন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক, সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ।

ভৈরব উপজেলার ৫নং কালিকা প্রসাদ ইউনিয়ন থেকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী ভৈরবের প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী মোঃ কালু মিয়া সাহেবের সুযোগ্য সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ লিটন মিয়া। তিনি দীর্ঘদিন কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে আগাম নির্বাচনী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তার বাবা এবং ভায়েরা এলাকার উন্নয়নে রাস্তাঘাট ব্রিজ কালভার্ট, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসার জন্য উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করিয়েছেন বলে দাবি করেন। তাই তার বাবা এবং ভাইদের অসমাপ্ত উন্নয়ন গুলোকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে এবং এই ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এলাকাবাসীর চাওয়া থেকেই তার নির্বাচন করার প্রত্যাশা।


এছাড়া দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ বাড়ি বাড়ি ঘুরে উঠান বৈঠক করতে দীর্ঘপথ ছুটে বেড়াচ্ছেন কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে। করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন চলাকালীন এলাকার অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করাসহ প্রতিনিয়ত এলাকাবাসীর খোঁজখবর রেখেছেন।

বিভিন্ন গ্রামে আগাম গণসংযোগকালে এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আমার পরিবার এবং আমি নিজেও। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নে অংশীদার হতে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের চেষ্টা চালিয়ে যাব। তিনি গ্রামবাসীকে বলেন, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছে নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামের ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করছি। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য ভোট প্রার্থনা করছি। নির্বাচিত হলে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত কালিকা প্রসাদ ইউনিয়ন উপহার দেব এলাকাবাসীকে। ইনশাআল্লাহ।

দেশে বাড়ছে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংখ্যা

রক্তদাতাদের সংগঠন এর একটি লোগো

বাংলাদেশে এখন বছরে ৬ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন৷ এর ৯০ ভাগই পাওয়া যায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের কাছ থেকে৷ তাই পেশাদার রক্তদাতাদের দৌরাত্ম অনেকটাই কমে গেছে৷ আশা করা হচ্ছে, ৫ বছর পর পেশাদার রক্তদাতা আর থাকবে না৷

ঢাকার বিভিন্ন প্রাইভেট ব্লাড ব্যাংকে ৫ বছর আগেও বড় বড় অভিযানের খবর পাওয় যেতো৷ উদ্ধার করা হতো মানব শরীরে ব্যবহারের অনুপযোগী রক্ত৷ হাসপাতালগুলোতে গেলেই দেখা মিলত পেশাদার রক্তদাতাদের,যাঁদের প্রায় সবাই ছিলেন রক্ত দেয়ার অনুপযোগী৷ তাঁদের বড় একটি অংশই ছিলেন মাদকাসক্ত৷ তখন পেশাদার রক্তদাতাদের মাধ্যমে অনেক জটিল এবং কঠিন রোগ ছড়াতো৷

এখনো যে পেশাদার রক্তদাতা নেই, তা নয়৷ মাঝে মাঝে কথিত ব্লাড ব্যাংকে অভিযানও হয়৷ তবে দৌরাত্ম কমেছে৷ মানুষ সচেতন হয়েছে৷ চাইলে রক্ত পাওয়া যায় বিভিন্ন সংগঠন থেকে৷ অনলাইনে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের গ্রুপ আছে৷ আর সেখানে রক্তের চাহিদার সাথে ডোনারদের সম্মীলন ঘটিয়ে দেয়া হয়৷ ব্লাড ব্যাংকের সংরক্ষিত রক্ত লাগে না৷ সরাসরি ডোনারের কাছ থেকে রক্ত নিয়ে রোগীদের দেয়া হয়৷ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে নিবন্ধিত এরকম সেচ্ছায় রক্তদাতা বিশ লাখের কম হবে না৷ নিন্ধনের বাইরেও প্রচুর মানুষ এখন নিয়মিত সেচ্ছায় রক্ত দেন৷

বাংলাদেশে এই রক্তদানের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছেন শিক্ষার্থীরা৷ তাঁদের রক্তদানের সংগঠনগুলোই এগিয়ে৷

এই বিষয়ে রক্তদাতা সংঘটন ”রক্তকোষ” এর অন্যতম কর্ণদার আবু বক্কর সিদ্দিক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গরীব অসহায় রোগীদের নিয়ে কাজ করি আমাদের সংঘটনের সব সদস্যরা মিলে একসাথে। আমাদের কাছে যখনই ফোন আসে ইমারজেন্সি রক্ত লাগবে আমরা তখনই মেসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে সবার সাথে যোগাযোগ করে কাঙ্ক্ষিত ডোনার ম্যানেজ করে রোগীকে রক্তের ব্যাবস্থা করে দেয়। তিনি আরোও বলেন, রক্ত নিয়ে কাজ করতে আমাদের অনেক ভাল লাগে। দিনশেষে যখন একটা সতেজ হাসি দেখি আমাদের প্রাণ ভরে উঠে। তিনি জানান, অনেক হাসপাতাল আছে যেখানে ডোনার এর সাথে ভাল ব্যাবহার করা হয় না। আমরা যদি আমাদের কিছু দায়বদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে পারি, তাহলে সেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংখ্যা আরো দিনদিন বৃদ্ধি পাবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পরিস্থিতি বদলে দিচ্ছে৷ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

নৌকা পেতে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন মোঃ লিটন মিয়া

ছবি: মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সময়

আসন্ন চতুর্থ ধাপে ইউপি নির্বাচনে ভৈরব উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আগামী ২৩ ডিসেম্বর।
ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ লিটন মিয়া।

সোমবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার গুলিস্তানে দলীয় কার্যালয়ে ফরম সংগ্রহ করে জমা দেন। মনোনয়ন ফরম জমাদানকালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ লিটন মিয়া সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আসন্ন ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেই দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছি। আমার বিশ্বাস, সবদিক বিবেচনা করে দল আমাকে মনোনয়ন দেবে।’

বিশ্বস্ততা হারাচ্ছে কাছের মানুষগন

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গিয়েছে যে, প্রতি হাজারে ৩ জন করে মানুষ বিশ্বস্তবান পাওয়া যাচ্ছে।