চরেরকান্দা নয়াহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান-২০২৪ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে

ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের চরেরকান্দা নয়াহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৫ই ফেব্রুয়ারি দিন ব্যাপী চরেরকান্দা নয়াহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০ টায় জাতীয় সংগীত ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। দিনব্যাপী এ খেলার বিভিন্ন ইভেন্টের মধ্যে ছিল দৌড়, উচ্চ লাফ, দীর্ঘ লাফ, বল নিক্ষেপ, ভারসাম্য দৌড়, চকলেট দৌড়, অংক দৌড় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল কবিতা আবৃত্তি, হাতের লেখা, দেশাত্মবোধক গান, যেমন খুশি তেমন সাজো ইত্যাদি।

সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, কালিকা প্রসাদ ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব মোঃ লিটন মিয়া, উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার জনাব মোঃ কবির হোসেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকগণ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সম্মানিত সদস্যবৃন্দ ও অভিভাবকবৃন্দ।

উক্ত অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ আজিজুল হক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি। বিভিন্ন ইভেন্টের খেলা পরিচালনায় ছিলেন জনাব মোঃ বদিউল আলম, রিয়াজ আহমেদ রাজন ও এম এইচ আরমান।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন হোসাইন আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মধ্যে সম্মানিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন।

কালিকা প্রসাদে “মৃধা বাড়ির” কমিটি গঠন

ইমরান আহমেদ, দক্ষিণপাড়া প্রতিনিধি

ভৈরব উপজেলার কালিকা প্রসাদ ইউনিয়ন এর দক্ষিণ পাড়া গ্রামের স্বনামধন্য একটি বাড়ি মৃধা বাড়ি। এটি কালিকা প্রসাদ এর ঐতিহাসিক কবরস্থান ও ব্রম্মপুত্র নদীর পাশের অবস্থিত।


মৃধা বাড়ির বংশ পরম্পরায় উন্নয়নের লক্ষে এবং সকলকে একত্রে রাখার লক্ষে “মৃধা বাড়ি ঐক্য পরিষদ” গঠন করা হয় গত ০৫/০৫/২৩ইং তারিখ এবং সাথে সাথে ই বাড়ির ১২ জন প্রবীন কে উপদেষ্টা গঠন করে নবীনদের নিয়ে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।


উক্ত কমিটিটি হলো নিম্নরুপ:
“মৃধা বাড়ি ঐক্য পরিষদ”২০২৩-২৫ইং কার্যকরি কমিটি

সভাপতিঃ মাসুদ রানা মৃধা

সিনিয়র সহ-সভাপতিঃ লোকমান মৃধা

সাধারণ সম্পাদকঃ আকরাম হাসান অভি মৃধা

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ ইমরান আহমেদ জয় মৃধা

সাংগঠনিক সম্পাদকঃ শাহিদুল ইসলাম সাব্বির মৃধা

অতঃপর উক্ত কমিটির সুপার ৫ এর সকলে কথা দিয়েছেন যে মৃধা পরিবার এর সকলকে সব ধরনের ঝগড়া ফাসাত ও ঝামেলা থেকে বিরত রাখবে।

প্রথম বারের মতো ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন “অগ্রগতি ছাত্র সংগঠন”

নিউজ ডেস্ক,

ইফতার বিতরণের সময় তুলা ছবি

প্রথম বারের মতো ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন অগ্রগতি ছাত্র সংগঠন। গতকাল অগ্রগতি ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে কালিকা প্রসাদে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংঘটনের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক সহ অন্যান্য সদস্য বৃন্দ।

গত ১৫ই মার্চ কালিকা প্রসাদে ছাত্রদের উন্নয়নমূলক অগ্রগতিকে সদুর প্রসারী করতে অগ্রগতি ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। উক্ত সংঘটনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান কালিকা প্রসাদের মেধাবী ছাত্র সামিউল ইসলাম। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান মারুফ মিয়া।

গতকাল তাদের এই সংঘটনের পক্ষ থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয়। সংঘটনের সভাপতি সামিউল ইসলাম বলেন, কালিকা প্রসাদের ছাত্রদের কারিগরি মেধা বিকাশের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব। তাছাড়া গরীব, অসহায় ছাত্রদের পড়াশোনা যেন আর্তিক সমস্যার কারনে বন্ধ না হয় সেই বিষয়ে আমরা দৃষ্টি রাখব। সামাজিক উন্নয়নে, অসহায় মানুষদেরকেও সাহায্য সহযোগিতা করবে আমাদের এই অগ্রগতি ছাত্র সংঘটন।

বাঁশখালীর রায়ছটা গ্রামে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন “নিষ্ঠা “

চট্টগ্রাম স্টাফ রিপোর্টারঃ

গত রবিবার শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হযরত মাওলানা শাহসূফি আব্দুল জব্বার মা.জি.আ.। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ জসিম হায়দার। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আনোয়ার কবি,মাষ্টার আব্দুল মান্নান,আবদুর রশিদ,মন্জুর আলম,আকতার হোসেন,রিদুয়ানুল হক, তাইজুল ইসলাম,মাওলানা ফরিদ, মাওলানা মিজানুর রহমান,হাফেজ মাওলানা আবদুল হামিদ,মনিরুল হোছাইন,নেছার চৌধুরী,মুহাম্মদ কাইয়ুম, আজিম উদ্দিন,মোনএম তালুকদার, হাফেজ আক্কাস,মাওলানা জাকের আহমেদ, মাওলানা নেওয়াজ শরিফ, মুহাম্মদ কাইছার, মিজানুর রহমান, রিদুয়ানুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। নিষ্ঠা ফাউন্ডেশনের জেনারেল সেক্রেটারি ডক্টর নূর হোসেন বলেন, এ সংগঠনটি ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই বিভিন্নভাবে হতদরিদ্র ও গরীব মানুষদের সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় আজকেও রায়ছটা-খুপিয়া তালিমুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ নূরানী ইবতেদায়ী মাদরাসার হতদরিদ্র শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হলো।

টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে বিশেষ পুরষ্কার পেল কালিকা প্রসাদ তাত্তাপাড়ার কিশোর-রা

আকরাম হোসেন, কালিকা প্রসাদ প্রতিনিধি

শিশু-কিশোরদের নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করতে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন তাত্তাপাড়া বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের ইমাম সাহেব। সেই ঘোষণায় আকৃষ্ট হয়ে টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে পুরস্কার জিতে নিয়েছে ঐ গ্রামের অনেক কিশোর।

তরুণ আলেম সাজ্জাদ হোসেনের উদ্যোগে তাত্তাপাড়া বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদে শুক্রবার এমনই আয়োজন হল।
জানা যায়, কয়েকদিন আগে ইমাম সাহেব সাজ্জাদ হোসেন মসজিদে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, ১০বছরের কম বয়সের কিশোররা যদি একটানা ৪০ দিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করে, তাহলে তাদেরকে আকর্ষণীয় পুরষ্কার দেয়া হবে।

সে ঘোষণায় উৎসাহিত হয়ে এলাকার অনেক কিশোরই নামাজ আদায় করতে শুরু করে। টানা ৪০ দিন নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়েছেন, এমন ২৬ জনের হাতে শুক্রবার সেই পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়।

শিশু-কিশোরদেরকে নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করে মসজিদমুখি করার লক্ষ্যে আয়োজিত এমন উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। ইমাম সাহেব হাফেজ সাজ্জাদ হোসেনের এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে।

বিষয়টি সম্পর্কে ইমাম সাহেব বলেন, ঘোষণার পর থেকে প্রায় এক শতাধিক কিশোর মসজিদে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা শুরু করে। তারা ঠিকমতো নামাজ আদায় করছে কিনা তা হিসার রাখার জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর হাজিরা নেয়া হতো। যদি কেউ কোনো ওয়াক্তে অনুপস্থিত থাকতো তখন তার গণনা বন্ধ করে দেয়া হতো। তবে সে চাইলে তার নাম আবার লিখিয়ে নতুন করে নামাজের দিন গণনা শুরু করতে পারত। এভাবে নিয়মিত যাচাই-বাছাই ও হাজিরার ভিত্তিতে সর্বশেষ ২৬ জন বিজয়ী হয়।

ইমাম সাহেব বলেন, প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে তাদের শুধু নামাজই পড়ানো হয়নি। বরং সঠিকভাবে নামাজ শিক্ষা ও নামাজ সম্পর্কে জরুরি মাসয়ালাও শেখানো হয়, সেই সঙ্গে তালিম-তরবিয়ত এবং নামাজের প্রতি মানুষকে আহবানের পাশাপাশি দ্বীনি ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেয়া হয়েছে।

ইমামের এমন কার্যক্রমে এলাকার শিশু-কিশোররা নামাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এসময় উপস্থিত ছিলেন এলাকার অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সবাই মিলে কিশোর কিশোরীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

শেয়ার করে দিন………………

কালিকা প্রসাদে শীতের সবজির ব্যাপক ফলন

আশিক ফ্যাশন

কালিকা প্রসাদে আগাম জাতের শীতকালীন সবজির ভালো ফলন হয়েছে। রাসায়নিক সার ছাড়া চাষ করা এই সবজির বাজার দরও পাওয়া যাচ্ছে ভালো। তাই ভলো লাভের আশা করছেন কৃষকরা। তারা বলছেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে আগামীতে সবজি চাষ আরো বাড়বে এ অঞ্চলে।

ভৈরবে কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নে, উত্তর পাড়া, নয়াহাটি, চরেরকান্দা, দক্ষিণপাড়া, আকবর নগর, মিরার্চর, গাজিরটেক, আদর্শপরাসহ বিভিন্ন গ্রামে শীতকালীন আগাম জাতের সবজি চাষ করেছে কৃষকরা। আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় ফলনও হয়েছে অনেক। বাজারে আগাম জাতের বেগুন, টমেটো, ঢেড়ঁস, ডাটা, ফুলকপিসহ বিভিন্ন সবজির চাহিদা থাকায় দামও পাওয়া যাচ্ছে ভালো। বেশ লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

বিষমুক্ত শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

শেয়ার করে দিন……………

অঙ্কুরেই বিলীন হচ্ছে মাসুমের স্বপ্ন!

মোঃ মামুন অর-রশীদ,
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

অদম্য মনোবল আর কঠোর পরিশ্রমে মাসুম জীবনের লক্ষ্যবস্তু ভেদ করলেও দারিদ্র্যতার কষাঘাতে থমকে গেছে মাসুমের পড়াশোনা।
ছোটবেলা থেকে পরিবার ছিল দারিদ্রতার ঘোর আঁধার, এ যেন নুন আনতে পান্তা ফুরানোর গল্পের মতো তবুও ছোটবেলা থেকেই দৃঢ় মনোবল ও আত্মবিশ্বাসের ব্রত হয়ে মাসুম স্কুল ও কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার অনিশ্চয়তার ঘোর কালো অমাবস্যা।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের মহাজানপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক মোতাহার হোসেনের ছেলে মাসুম রাব্বী। দুই ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছোট। স্থানীয় সরকারটলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শেষ করে ভেলাজান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ ও ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন মাসুম। অভাব ও নানা সমস্যা নিয়ে এতদূর পর্যন্ত পড়াশোনা চালিয়ে গেলেও এবার থমকে গেছে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির স্বপ্ন। তবুও স্বপ্ন বুনছেন সরকার ও বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে দক্ষ প্রকৌশলী হয়ে দেশের জন্য ভালো কিছু করবেন।

মাসুমের মা মর্জিনা বেগম বলেন, আমার এক ছেলে ও এক মেয়ে। বড় মেয়েকে অনেক কষ্ট করে বিয়ে দিয়েছি। আমাদের নিজস্ব কোনো জায়গা-জমি নেই। যে বাড়িতে আছি সেটিও অন্যের। মাসুমের বাবা যা রোজগার করে তা দিয়ে কোনোভাবে সংসার চালিয়ে নিচ্ছি। আমি সেলাই মেশিনের কাজ করি। এখন অসুস্থতার কারণে সে কাজটিও আর করতে পারি না। আমার মাসুম কষ্ট করে এতদূর এসেছে। খেয়ে না খেয়ে তার পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। সেটি আর সাধ্যে কুলাচ্ছে না। সবার সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব না।

মাসুমের বাবা ভ্যানচালক মোতাহার হোসেন বলেন, আমার মায়ের সঙ্গে বাবার ডিভোর্স হওয়ার পর বাবা আমাকে এখানে নিয়ে আসেন। এখানে আসার পর অন্যের জায়গায় বাড়ি করে ছিলাম। এখনো অন্যের জমিতেই থাকি। ছোটবেলা থেকে অন্যের বাড়িতে কাজ করে চলতাম। বিয়ের পরও দিনমজুরি আর ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাচ্ছি। তারপরও আমার ছেলে কষ্ট করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। এখন তার ভর্তির খরচ, যাতায়াতসহ সেখানে কয়েকমাস থাকার খরচ দেওয়ার মতো আমার সামর্থ্য নেই। যদি সমাজের কেউ সহযোগিতা করেন তাহলে আমার ছেলে একদিন বড় ইঞ্জিনিয়ার হবে। আপনাদের সকলকে আমার ছেলের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করছি।

অদম্য স্বপ্ন নিয়ে মাসুম রাব্বী বলেন, আমার বাবা-মা অনেক কষ্ট করেন। আমার বাবা ভ্যান চালায়। মা সেলাই মেশিন চালিয়ে যা আয় করেন তা আমার পড়াশোনার জন্য দেন। আমি ভালো কোনো শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে পারিনি। নিজে টিউশনি করিয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ কোনোভাবে চালিয়ে নিতাম। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু টাকার কারণে ভর্তি হতে পারছি না। এতো টাকা দিয়ে ভর্তি করানোর সক্ষমতা আমার পরিবারের নেই। এমন কিছুও নেই যা বিক্রি করে ভর্তি হব। এর আগেও আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়ে টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারিনি। আমার ভর্তিসহ আনুষঙ্গিক খরচ দিয়ে আমাকে কেউ সহযোগিতা করলে আমি ভালো কিছু করতে পারব ইনশাআল্লাহ। আমি চাই না এ পর্যায়ে এসে আমার পড়াশোনা কোনোভাবে থেমে যাক। আপনাদের সহযোগিতা আমাকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমি আশাবাদী।

স্থানীয় স্কুলশিক্ষক রবিউল আলম বলেন, মাসুম অনেক মেধাবী ছাত্র। সে ভবিষ্যতে দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারবে। তাকে আমরা বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতা করেছি। এখন সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আমরা চাই তার পড়াশোনা যেন থেমে না যায়। আশা করি সরকার ও বিত্তবানসহ সকলে তার পাশে থেকে তাকে সহযোগিতা করবেন।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু তাহের মোঃ শামসুজ্জামান বলেন, আশা করি আর্থিক সমস্যার কারণে মাসুমের পড়াশোনা থেমে থাকবে না। সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে সহযোগিতা করা হবে।

শেয়ার করে দিন………..

টুইটারের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন ইলন মাস্ক!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, আমাদের ভৈরবের খবর

১৬ নভেম্বর ২০২২, ১০:২৮ এএম

মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার নিয়ে সম্প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও সিইও ইলন মাস্ক। বিভিন্ন দেশে সামাজিক যোগাযোগ সাইটটি ‘সুপার স্লো’ থাকায় রোববার তিনি দু:খ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, টুইটার ধীরে ধীরে জীবন্ত হয়ে উঠছে। কিন্তু আমি দুঃখ প্রকাশ করছে, কারণ বিভিন্ন দেশে সাইটটি এখনো স্লো। ডেভেলপাররা কাজ করছেন। শিগগিরই ঠিক হবে।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, ৮ ডলারের টুইটারের যে ভেরিফায়েড ব্লু টিকের কথা বলা হয়েছিল, সেটি আপতত বন্ধ করা হয়েছে।

আরেক টুইট বার্তায় ইলন মাস্ক বলেন, শিগগিরই নতুন একটি ফিচার আসছে। ফলে এখন থেকে টুইটার যেকোনো সংস্থাকে সনাক্ত করতে সক্ষম হবে।

মূলত চলতি সপ্তাহে মাসিক ৮ ডলারের বিনিময়ে টুইটারে অ্যাকাউন্ট অথেনটিকেশন বা ‘ব্লু টিক’ দেওয়ার কথা বলা হলেও তা বাতিল করে দেওয়ার কারণ হলো ভুয়া অ্যাকাউন্ট। নতুন পরিষেবা চালুর পর থেকেই একাধিক ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়েছে এবং তা  বড় বড় ব্রান্ডের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট বলে দাবি করা হচ্ছে।

এছাড়া একাধিক সেলিব্রেটি ব্যক্তিত্বের নামেও তৈরি হয়েছে ভুয়া অ্যাকাউন্ট। টুইটার ব্লু-র সাবস্ক্রিপশন নিয়ে তা ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টও বানিয়ে নেওয়া হয়েছে রাতারাতি। এই সমস্যা সমাধান করতেই আপাতত টুইটার ব্লু-র পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এরআগে টুইটার থেকে বড় ধরনের কর্মী ছাঁটা করে ইলন মাস্ক। বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও মাত্রাতিরিক্ত লোকসানের কারণে তিনি ছাটাই করতে বাধ্য হচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট, https://www.dhakapost.com/technology/153797

শেয়ার করে দিন……………………………………….

এইচএসসি পরীক্ষা : অনুপস্থিত ১৮ হাজার, বহিষ্কার ২২

নিউজ ডেস্ক, আমাদের ভৈরবের খরব

১৬ নভেম্বর ২০২২, ১0:১0 এএম

চলমান এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় মঙ্গলবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র, বাণিজ্যতে হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র ও মানবিক বিভাগে যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ অপরদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইংরেজি প্রথম পত্র এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে বিজনেস ইংলিশ অ্যান্ড কমিউনিকেশন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পরীক্ষার পঞ্চম দিন দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট ২ হাজার ৬৩৯টি কেন্দ্রে ৭ লাখ ৭৩ হাজার ২৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮ হাজার ১৪৪ জন অনুপস্থিত ছিলেন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ২২ জন।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক কেন্দ্র, পরীক্ষার্থী, অনুপস্থিতি ও বহিষ্কারের তথ্য— 

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ২৮৫টি কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ৮২ হাজার ২৬৮ পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ২ হাজার ২৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এ বোর্ডে মঙ্গলবার কেউ বহিষ্কার হয়নি।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ২০১টি কেন্দ্রে মোট ৬০ হাজার ৩২৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ১ হাজার ৬ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এ বোর্ডে মঙ্গলবার কেউ বহিষ্কার হয়নি।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড
 
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ১৯২টি কেন্দ্রে মোট ৫৭ হাজার ১৮৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ১ হাজার ৬৪৯ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এ বোর্ডেও মঙ্গলবার কেউ বহিষ্কার হয়নি।

যশোর শিক্ষা বোর্ড

যশোর শিক্ষা বোর্ডে ২২৮টি কেন্দ্রে মোট ৪১ হাজার ১৪০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ৭২৮ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এ বোর্ডে মঙ্গলবার কেউ বহিষ্কার হয়নি।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ১১১টি কেন্দ্রে মোট ৭৫ হাজার ২১৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ১ হাজার ৩০০ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এ বোর্ডে মঙ্গলবার কেউ বহিষ্কার হয়নি।

সিলেট শিক্ষা বোর্ড  

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৮৬টি কেন্দ্রে মোট ৪৪ হাজার ৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ৬৭২ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এ বোর্ডেও মঙ্গলবার কেউ বহিষ্কার হয়নি। 

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ১২৫টি কেন্দ্রে মোট ২৮ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে মঙ্গলবার ৪৭৮ জন অনুপস্থিত এবং দুই জন বহিষ্কার হয়েছে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ২০২টি কেন্দ্রে মোট ৫০ হাজার ৫০৬ পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ১ হাজার ২১১ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মঙ্গলবার সাত জন বহিষ্কার হয়েছেন। বোর্ড ভিত্তিক দিনাজপুরে মঙ্গলবার সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী বহিষ্কার হয়।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৮৯টি কেন্দ্রে মোট ২৯ হাজার ১৫৩ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ৪৪৬ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এ বোর্ডেও মঙ্গলবার কেউ বহিষ্কার হয়নি।

সাধারণ নয়টি বোর্ডে ১ হাজার ৫১৯টি কেন্দ্রে  ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মোট ৯ হাজার  ৫১৪ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এর হার ১ দশমিক ৬৮ শতাংশ। মঙ্গলবারের পরীক্ষায় সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৯ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে দুই জন পরিদর্শককে বহিষ্কার করা হয়।

অপরদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৪৮টি কেন্দ্রে মোট ৯২ হাজার ১৯১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫ হাজার ৫০৩ জন অনুপস্থিত এবং তিন জন বহিষ্কার হয়েছেন।

এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬৭২টি কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ১৩ হাজার ২১১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ হাজার ১২৭ জন অনুপস্থিত এবং ১০ জন বহিষ্কার হয়েছেন। মঙ্গলবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট, https://www.dhakapost.com/education/154173

শেয়ার করে দিন………………………………………….

জীবন্ত সাপ-ব্যাঙ-ইঁদুর খেয়ে আলোচনায় পাবনার আকরাম

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা,

১৫ নভেম্বর ২০২২, ১০:৩৫ পিএম

আকরাম আলী। বয়স প্রায় ৫০ বছর। এক সময় কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। ডিসকভারি চ্যানেলে বিদেশিদের নানা প্রজাতির পোকামাকড় খাওয়া দেখে অনুপ্রাণিত হন। নিজেও পোকামাকড় খেতে শুরু করেন। কাঠমিস্ত্রির কাজ ছেড়ে এখন পোকামাকড় খাওয়ার নেশায় মত্ত হয়ে উঠেছেন তিনি। এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন ডিসকভারি আকরাম  নামে। তার এমন কাণ্ড দেখতে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।

আকরাম আলী পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের ঘোড়াদহ গ্রামের মৃত জব্বার প্রামানিকের ছেলে। তিনি চার কন্যা সন্তানের জনক। কর্মজীবনের শুরু কাঠমিস্ত্রি হিসেবে হলেও মাঝে তিনি এন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজ করেন। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০২ সালে ঢাকার সাভারে থাকার সময় আকরাম একটি সাদাকালো টেলিভিশন কিনে ডিসকাভারি চ্যানেল দেখা শুরু করেন। নিয়মিত দেখতে থাকেন বিদেশিদের পোকামাকড় খাওয়ার দৃশ্য। সেই থেকে তিনি মনে মনে চিন্তা করেন বিষয়টি নিয়ে। তিনি ভাবতে থাকেন বিদেশিরা এসব পোকামাকড় বা জীবন্ত কিছু খেতে পারলে আমি কেন পারব না? সেই থেকে মূলত তিনি এসব খাওয়া শুরু করেন। শুরুটা হয় জ্যান্ত কাঁকড়া খাওয়া দিয়ে। পর্যায়ক্রমে তিনি কেঁচো, কাঠের পোকা, সাপ, কুচিয়া, তেলাপোকা,ইঁদুর, বিভিন্ন প্রজাতির কাঁচা মাছ, গবরের পোকাসহ নানা পোকামাকড় খান। বর্তমানে সব কাজ ছেড়ে তিনি পোকামাকড় খাওয়ার নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছেন। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য বিভিন্ন ডাক্তার ও ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে পরামর্শ চেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন।

স্থানীয়রা বলেন, আমরা অনেক বছর ধরে তার এই কাজগুলো দেখে আসছি। প্রথমে বিষয়টি সামাজিকভাবে খারাপ দেখালেও এখন তিনি আমাদের এলাকার গর্ব। তিনি ২০-২২ বছর ধরে বিভিন্ন পোকামাকড় ও কাঁচা মাংস খেয়ে আসছেন। 

স্থানীয় বাসিন্দা শাহীন, আলমগীর হোসেন, আব্দুল বারী ও জাকারিয়া হোসেন বলেন, ডিসকভারি আকরামকে জীবন্ত সাপ, কুচিয়া, ব্যাঙ, ইঁদুর খেতে দেখেছি। বিষয়টি দেখে খুবই অবাক লাগছে। ডিসকভারি চ্যানেলে যখন এসব খাওয়ার দৃশ্য দেখতাম তখন ভাবতাম এগুলো কেমন করে খায়। বিশ্বাসই করতাম না। আমরা এগুলো ভুয়া মনে করেছি। কিন্তু আজ এগুলো দেখে সব বিশ্বাস হয়ে গেল।

আকরাম আলীর স্ত্রী মুর্শিদা খাতুন বলেন, শুরুতে যখন সে এসব কাজকর্ম করত, একটু বিরক্তবোধ করতাম। বারবার তাকে নিষেধও করেছিলাম। কিন্তু যখন দেখি সে এসব খেয়ে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে এবং এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাড়া ফেলেছে, তখন খুব ভালো লাগে। বর্তমানে অভাবের সংসারে সে বিভিন্ন কাজকর্মের পাশাপাশি বিল-নদী ও মানুষের বাড়ির আঙিনা থেকে সাপ, বিচ্ছু, কাঁকড়া, ইঁদুর, তেলাপোকা, ব্যাঙ, কুচিয়া, কাঁচা মাছ মাংস সংগ্রহ করে খেতে পারে। বিষয়টি এখন আমরা পারিবারিকভাবে পজিটিভভাবে দেখছি। আমার স্বামী বড় হোক, তাকে বিশ্বের সবাই চিনুক। সেজন্য সরকারি সহযোগিতা দরকার।

ডিসকভারি আকরাম আলী বলেন, আমি একজন দরিদ্র মানুষ। খুব কষ্টে সংসার চলে। দুটো কন্যার বিয়ে দিয়েছি। আরও দুই কন্যা রয়েছে। তারা প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে পড়ালেখা করে। নিজের সামর্থ্য নেই একটি স্মার্ট বা অ্যান্ড্রয়েড ফোন কেনার। সরকারি-বেসরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এবং সঠিক গাইড লাইন পেলে দেশ থেকে বিদেশে আমার কাজ দিয়ে আলোড়ন তুলতে চাই।

তিনি বলেন, ২০০২ সালে সাদাকালো টেলিভিশনে ডিসকভারি চ্যানেলে তাজা পোকামাকড় খাওয়া দেখি। সেই থেকে আমিও চিন্তা করি এমন কিছু করব। একদিন পুকুরে স্থানীয়দের মাছ ধরতে দেখে সেখান থেকে একটি কাঁকড়া ধরি এবং খেয়ে ফেলি। এরপর পুকুরে মাছ ধরার সময় আমি বিভিন্ন মাছ খাওয়ার অভ্যাস করি। কিছু দিন পর ঢাকা একটি স-মিলে কাজে যাই। সেখানকার কাঠগুলো উল্টে দেখি কিছু পোকামাকড়। যেটাকে টাটা পোকা বলি আমরা। এরপর একটি পোকা হাত দিয়ে ধরলাম, দেখি খবই নরম। পরে ছেড়ে দিলাম যে, আজকে থাক পরে দেখা যাবে। এর কয়েক দিন পর সেখান থেকে পোকা ধরে কামড় দিলাম। খেতে খুব ভালোই লাগল। কোনো সমস্যা হলো না। বমিও আসেনি। পেটেও কোনো সমস্যা হয়নি। এরপর একদিন কুচিয়া খেলাম। এভাবে ব্যাঙ, তেলাপোকা, ইঁদুর, কেঁচো খাওয়া শুরু করলাম। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী স্কয়ারসহ বেশ কিছু হাসপাতাল ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে গেলে কেউই পরামর্শ দেয় না। সব জায়গায় গিয়ে পরামর্শ চেয়ে ব্যর্থ হলেও নিজের মতো করে এগুলো খাওয়া অব্যাহত রেখেছি।

আকরাম আলী বলেন, এলাকার মানুষের থেকে আমি ব্যাপক সহযোগিতা পেয়ে থাকি। এলাকার বাজারে গেলে স্থানীয়রা তাজা মাছ খেতে বলেন। আমি তাদের কথা মতো মাছ খাই। সরকারি-বেসরকারিভাবে যদি কোনো সহযোগিতা বা পৃষ্ঠপোষকতা পাই, তাহলে আমি বিদেশি চ্যানেল ডিসকভারির মতো ভিডিও তৈরি করতে পারব।

ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান “আমাদের ভৈরবের খরব”কে বলেন, আমাদের এলাকার কাঠমিস্ত্রি  আকরাম এখন ডিসকভারি আকরাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। কারণ তিনি জীবন্ত সাপ, ব্যাঙ, বিচ্ছু, ইঁদুর, কাঁচা মাছসহ বিভিন্ন পোকামাকড় খেয়ে থাকে। প্রথমে লোকজন বিভিন্ন কথা বললেও এখন সবাই তাকে সাপোর্ট করে। আমি নিজেও তার এসব কাজকর্ম দেখেছি। খুবই অবাক লাগে বিষয়টি। সরকারের প্রাণী বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টদের তার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাই। 

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. সালেহ মোহাম্মদ আলী “আমাদের ভৈরবের খরব”কে বলেন, বিষয়টি আমি এই প্রথম শুনলাম। আফ্রিকার জঙ্গল ও অ্যামাজনের জঙ্গলে আদিবাসী যারা বাস করেন, তারা এগুলো খেয়ে জীবন বাঁচান। বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা প্রথম শুনলাম। তিনি খেয়ে যদি হজম করে ফেলতে পারেন, তাহলে তেমন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আমাদের দেশের স্বাস্থ্য বিভাগে যারা কাজ করেন তাদের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা দরকার।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট, https://www.dhakapost.com/country/154166

শেয়ার করে দিন………………………………………………………….

মুমিনের শীতকাল

ওবায়দুল্লাহ,  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
 প্রকাশিত: ০৮:৫৪ এএম, ১৬ই নভেম্বর ২০২২

ইদানীং রাত হলে ঘরের পাখাগুলো বন্ধ করে রাখতে হচ্ছে। আবহাওয়া জানান দিয়ে চলেছে, শীত আসছে। গ্রামাঞ্চলে অবশ্য ইতোমধ্যে লেগে গেছে শীতের ছোয়া। ভোর হলেই দেখা যায়, কুয়াশায় ঢেকে গেছে অনেক পথঘাট।

হাদীসে এসেছে, নবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “শীতকাল হলো মুমিনের বসন্ত।” (মুসনাদু আহমাদ, ১১৭১৬)

বাইহাকিতে আরেকটু অতিরিক্ত রয়েছে, “শীতের রাত লম্বা হয়। তাই (মুমিন) তাতে ইবাদাত করে। আর শীতের দিন ছোটো হয়। তাই তাতে সে সিয়াম পালন করে।” [বাইহাকি, ৪/৪৮৯]

প্রকৃতপক্ষে শীতকাল মুমিনের বসন্ত। কারণ এই ঋতুতে মুমিন আনুগত্যের বাগানে তৃপ্তিসহ হেঁটে বেড়ায়, ইবাদাতের প্রান্তরে বিচরণ করে এবং সহজ আমলের বাগিচায় তার অন্তরকে আনন্দ দেয়। যেভাবে গবাদি পশু বসন্তের চারণভূমিতে তৃপ্তিসহ বিচরণ করে এবং তার দেহ সুস্থ থাকে, তেমনিভাবে শীতকালে মুমিনের দ্বীন সুস্থ ও সঠিক থাকে, কারণ আল্লাহ তাআলা তার জন্য আমল সহজ করে দেন।

একজন মুমিন কষ্ট ছাড়াই দিনের বেলায় সিয়াম পালন করতে পারে। কোনো ক্ষুধা লাগে না, তৃষ্ণাও পায় না। কারণ শীতের দিন ছোটো ও শীতল। তাই দিনের বেলায় সিয়ামের কষ্টই অনুভব হয় না।

আবূ হুরায়রা (রদি.) বলতেন, ‘তোমাদেরকে ঠাণ্ডা গনীমতের কথা বলে দেবো কি?’ লোকেরা বলল, ‘অবশ্যই।’ তিনি বললেন, ‘শীতকালের সিয়াম।’

একে ঠাণ্ডা গনীমত বলার অর্থ হলো, এটি এমন এক গনীমত (সম্পদ), যা লাভ করতে কোনো যুদ্ধ করতে হয়নি, কোনো কষ্ট করতে হয়নি এবং কোনো পরিশ্রমও করতে হয়নি। সুতরাং এই গনীমতের অধিকারী কোনো কষ্ট ছাড়াই সেটা লাভ করে।

শীতের রাত দীর্ঘ হওয়ায় ইবাদাতকারী প্রয়োজন মতো ঘুমাতে পারে। এরপর সালাত আদায় করতে পারে। এরপর কুরআনের সকল ওযীফা আদায় করতে পারে।
অতএব শীতের রাতে একই সাথে প্রয়োজনীয় ঘুমও সম্পন্ন হয় এবং কুরআনের বিভিন্ন ওযীফাও আদায় করা যায়। তাই একই সাথে দ্বীনের স্বার্থ এবং দেহের শাস্তি দুটোই পুরোপুরি আদায় হয়ে যায়।

ইয়াহইয়া ইবনু মুআয (রহ.) বলেন, ‘রাত অনেক লম্বা। অতএব ঘুমিয়ে রাতকে ছোটো করে ফেলো না। ইসলাম স্বচ্ছ পরিষ্কার। পাপরাশি দিয়ে একে নোংরা করো না।’

অপরদিকে গ্রীষ্মের রাত কিন্তু এমন নয়। কারণ গ্রীষ্মকালে রাত ছোটো হয় এবং অনেক গরম পড়ে। ফলে বেশি ঘুম ধরে। তাই সারারাত ঘুমানো লাগে। গ্রীষ্মের রাতে ইবাদাত করতে হলে অনেক কষ্ট স্বীকার করতে হয়। রাত ছোটো হওয়ার কারণে কখনো তো কুরআনের ওযীফাই শেষ করা যায় না।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রদ.) বলেন, ‘অভিনন্দন শীতকাল! শীতে বরকত অবতীর্ণ হয়। রাত লম্বা হয়, তাই ইবাদাত করা যায়। দিন ছোটো হয়, তাই সিয়াম পালন করা যায়।’

হাসান (রহ.) বলেছেন, ‘মুমিনের জন্য চমৎকার ঋতু হলো শীতকাল। লম্বা রাত, তাতে ইবাদাত করা যায়। ছোটো দিন, তাতে সিয়াম পালন করা যায়।’

ইমাম ইবনু রজব রাহিমাহুল্লাহ

ভৈরবে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ভৈরব

গ্রেপ্তার জাভেদ মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ঝুমুর বেগম (২৮) নামের এক নারীর বর্তমান স্বামীর ছুরিকাঘাতে সাবেক স্বামী নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌর শহরের কমলপুর নিউটাউন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম রুবেল মিয়া (৩২)। তিনি পৌর শহরের নিউটাউন এলাকার মুসলিম মিয়ার ছেলে। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে রুবেলের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাভেদ মিয়াকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জাভেদ একই এলাকার রইছ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক যুগ আগে পৌর শহরের ঘোড়াকান্দা এলাকার ঝুমুরকে বিয়ে করেন রুবেল। তাঁদের সংসারে একটি মেয়ে ও একটি ছেলে আছে। বছরখানেক আগে রুবেল লিবিয়ায় যান। বিদেশে থাকতে স্থানীয় জাভেদের সঙ্গে ঝুমুরের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানতে পারেন রুবেল। ছয় মাস আগে দেশে ফেরার পর ওই বিষয় নিয়ে ঝুমুর ও রুবেলের মধ্যে দাম্পত্য বিরোধ বাড়ে। ওই ঘটনার সূত্র ধরে ঝুমুরের চুল কেটে দেন রুবেল। প্রতিকার পেতে আইনের আশ্রয় নেন ঝুমুর।

এলাকাবাসী জানান, ঝুমুরের দায়ের করা নারী নির্যাতনের মামলায় রুবেল গ্রেপ্তান হন। কারাগারে থাকা রুবেলকে চার মাস আগে তালাক দিয়ে জাভেদকে বিয়ে করেন ঝুমুর। কিন্তু জাভেদকে বিয়ে করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি রুবেল। জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি ঝুমুরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন এবং প্রায়ই মুঠোফোনে কথা বলতেন। সাবেক স্বামীর সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি ভালোভাবে নিচ্ছিলেন না জাভেদ। এ নিয়ে রুবেল ও জাভেদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাভেদের বাড়িতে যান রুবেল এবং জাভেদকে মারধর করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতির একপর্যায়ে রুবেলকে ছুরিকাঘাত করেন জাভেদ। গুরুতর আহত অবস্থায় রুবেলকে ঢাকায় নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে মৃত্যু হয়।

javascript:window.open(window.clickTag)

পুলিশি হেফাজতে জাভেদ বলেন, ‘আমাকে মারধর করার আগে আমার বাবাকে মারধর করেন রুবেল। আমি ফেরানোর চেষ্টা করেছি। তখন ছুরি দিয়ে আমাকে আঘাত করতে চেয়েছিল। আমি রুবেলের কাছ থেকে ছুরি কেড়ে নিয়েছিলাম। তখন রুবেলের শরীরে আঘাত লেগে যায়।’

এ ঘটনায় ভৈরব থানায় তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা হয়েছে। মামলার বাদী রুবেলের বাবা মুসলিম মিয়া। আসামি করা হয়েছে জাভেদ, ঝুমুর বেগম ও সৌরভ মিয়া নামের জাভেদের এক স্বজনকে। মুসলিম মিয়া বলেন, ‘আমার ছেলের বউকে বিপদে ফেলেছেন জাভেদ। জাভেদের কারণে আমার সব শেষ।’

ভৈরব থানার পরিদর্শক (অপারেশন) কাইসার আহমেদ বলেন, এক নারীকে নিয়ে সাবেক ও বর্তমান স্বামীর মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। মূলত ওই বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। রাতেই জাভেদকে আটক করা হয়। আজ হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো,

https://www.prothomalo.com/topic/%E0%A6%AD%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%AC

উপস্থিত বুদ্ধির কার্যকারিতাঃ-আরিফুল ইসলাম আশিক

এই গল্পটি আজ থেকে অনেক দিন আগের। কোনো এক গ্রামে একজন কৃষক বাস করত। বুঝতেই পাড়ছেন কৃষকের অবস্থা কেমন হতে পাড়ে! সেই কৃষক স্থানীয় এক জমিদারের কাছে অনেক টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। কৃষক পরিবার এমনিতেই দিন আনতে পান্তা ফুরোয়, ঋণ পরিশোধ করা তো দূরের কথা। কৃষকের একমাত্র সম্পদ বলতে যা ছিল তা হল তার চাঁদের মত উজ্জ্বল সুন্দর দেখতে একটি মেয়ে আর তার দুই বিঘা জমি।

ঋণ  শোধ করতে না পারায় এর পরিবর্তে সেই জমিদার কৃষকের মেয়েকে বিবাহের প্রস্তাব দেন। যে জমিদারের মাথার চুল একদম সাদা হয়ে গিয়েছে আর কয়েক বছর পড় ইহলোক ছেড়ে পরলোকে গমন করবেন, তার আবার শক অনেক, ভাবা যায়! কেবলমাত্র বৃদ্ধই নয়, সেই জমিদার দেখতেও অনেক খারাপ আর বদমেজাজী ছিলেন।

বুড়ো জমিদার কৃষকের সুন্দর মেয়ের স্বপ্নে বিভোর হতে থাকে, একদিন আর থাকতে না পেরে তিনি গেলেন কৃষকের বাড়ি, সরাসরি কৃষককে তার মেয়ের সামনেই বললেন- “তোমার অনেক ঋণ  পড়ে আছে, আমি জানি তুমি পরিশোধ করতে পাড়বে না, এক কাজ করো তোমার রূপবতীকে আমার সাথে বিবাহ দিয়ে দাও এর পরিবর্তে তোমার সব ঋণ  মুকুব করে দিব।“ এই কথাটি শোনা মাত্রই কৃষক ও তার মেয়ে অবাক হওয়ার দৃষ্টিভঙ্গিতে জমিদারের দিকে তাকিয়ে থাকে।

বাংলা শিক্ষণীয় ছোট গল্প MOTIVATIONAL STORY

এরপর জমিদার বলে- “ আচ্ছা তাহলে এক কাজ কর, চল তোমরা আমার সাথে পঞ্চায়েতের কাছে। যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তিনিই নেবেন, আর তা আমাদের মানতে হবে।“ বাধ্য হয়ে কৃষক ও তার মেয়ে পঞ্চায়েতের কাছে গেলেন। আগাগোড়া সব কথা শোনার পড় পঞ্চায়েতও চিন্তায় পড়ে গেলেন।

এরপর পঞ্চায়েত বললেন- “আপনাদের সমস্যাটি আমাকে বড়ই চিন্তিত করছে, আচ্ছা আমি এই বিচারটি ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিলাম। তোমাদের সামনে যে কালো আর রঙ্গিন বল গুলি দেখা যাচ্ছে, সেখান থেকে জমিদার একটি কালো আর একটি রঙ্গিন বল নিয়ে আমার কাছের এই ব্যাগে রাখবে, আর কৃষকের কন্যাকে না দেখে এই ব্যাগ থেকে যেকোনো একটি বল উঠিয়ে নিতে হবে। যদি সে কালো বল উঠায় তাহলে তাকে জমিদারকে বিয়ে করতে হবে আর পরিবর্তে জমিদার কৃষকের সব ঋণ  মুকুব করে দিবেন।

https://www.prothomalo.com/entertainment/song/m6wgtv0apb

আর সে যদি রঙ্গিন বল উঠায় তাহলে জমিদারকে বিবাহ করতে হবে না, এবং জমিদারের অবিবেচনা প্রসুত চিন্তা-ভাবনার জন্য জমিদারকে কৃষকের ঋণ  মুকুব করে দিতে হবে। আর কৃষকের কন্যা যদি কোনো বল না উঠায় তাহলে তার পিতাকে আজীবনের জন্য জেলে বন্দী করা হবে।

জমিদার রাজী হয়ে যায় এবং তাদের সামনে পড়ে থাকা বল গুলি থেকে পঞ্চায়েতের অগোচরে দুটি কালো বল উঠিয়ে থলির মধ্যে রেখে দেয়, সে ভেবেছিল দুটি বলই যদি কালো দেওয়া হয় তাহলে কৃষকের মেয়েকে বিবাহ করার ব্যাপারে সে নিশ্চিন্ত। কিন্তু তার এই চালাকি কৃষকের মেয়ে দেখে নেয়, সে ভাবতে থাকে কিভাবে এর সমাধান করা যায়।

এরপর সে উপস্থিত সবাইকে জমিদারের চালাকি বলে দিতে চাইল, কিন্তু সে আবার ভাবল সে যদি এটি বলে দেয় তাহলে, পড়ে আবার ব্যাগে বল রাখা হবে আর তখন রঙ্গিন এবং কালো দুটি বলই থাকবে, কিন্তু এখন দুটি বলই কালো তাহলে এর থেকে আরামেই বাঁচা যেতে পাড়ে।

শিক্ষণীয় মোটিভেশনাল গল্প। শিক্ষামূলক গল্প (motivational story)

এরপর পঞ্চায়েতের নির্দেশে সে ব্যাগটিতে হাত দিল এবং একটি বল হাঁতে নিয়ে কায়দা করে ইচ্ছে করেই নীচে থাকা বল গুলির উপর সেই বলটি সে ফেলে দিল। এরপর সে বলল- “ হে ভগবান, বল টিতো পড়ে গিয়ে বাকি বলগুলোর সাথে মিশে গেল, এবার কি হবে?”

পঞ্চায়েত বললেন- “যে বলটি নীচে পড়ে গেছে সেটিই তুমি তুলেছ, তাহলে দেখ ব্যাগে কি রঙের বল আছে, যে রঙের বলটি নেই সেটিই তুমি তুলেছ। এরপর সবাই দেখল যে ব্যাগে কালো রঙের বলটি পড়ে আছে। তাই সবাই ধরে নিল যে, কৃষকের কন্যা রঙ্গিন বলটি তুলেছে। তাই শর্ত সাপেক্ষে জমিদার কৃষকের সব ঋণ  মুকুব করে দিতে বাধ্য হল এবং কৃষকের কন্যাও বেঁচে গেল।

এদিকে জমিদারের চালাকি তারই পায়ে কুড়ুল মেরে চলে গেল।

এই গল্পটি থেকে যা কিছু শেখা যায়- সবসময় চতুরের চালাকি ধরিয়ে দিতে নেই, সব বুঝেও ঠাণ্ডা মাথায় কাজ হাসিল করে নিতে হয়। বেশি চলাকি করতে গেলে অবশেষে নিরাশ হতেই হবে।

গল্পটি শেয়ার করে দিন……………………………..

ইংল্যান্ডকে অভিনন্দন, ওরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্য: বাবর

আশিক ফ্যাশন

Sport Update

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর সুযোগ ছিল বাবর আজমদের সামনে। ১৯৯২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিলেন ইমরান খান। পরবর্তীতে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

কিন্তু বাবর আজম ও তার দল চ্যাম্পিয়ন হতে পারলো না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে ১৩৭ রান তুলে এক ওভার থাকতে হেরেছে ৫ উইকেটে। যোগ্য দল হিসেবে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বলে ম্যাচ শেষে উল্লেখ করেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি।

https://youtu.be/oX4mSwHtXOg

ম্যাচ শেষে বাবর বলেন, ‘ইংল্যান্ডকে অভিনন্দন, তারা দারুণ লড়েছে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্য তারা। মেলবোর্ন আমাদের ঘরের মাঠের মতো মনে হচ্ছিল। প্রতিটি মাঠেই আমরা সমর্থন পেয়েছি। ভক্তদের সেজন্য ধন্যবাদ।’

ফাইনাল নিয়ে বাবর বলেন, ‘শুরুর দুই ম্যাচ হেরে আমরা আসর শুরু করি। পরের চার ম্যাচে আমরা যেভাবে খেলেছি তা অসাধারণ। খেলোয়াড়দের নেচারাল গেম খেলতে বলেছিলাম, তবে ২০ রানের মতো কম করে ফেলেছিলাম আমরা। আমাদের বোলিং বিশ্বের অন্যতম সেরা। তারা দারুণ লড়েছে। শাহিনের ইনজুরি ধাক্কা হয়ে আসে, তবে ওটাও খেলার অংশ।’

শেয়ার করে দিন খবরটি

সুখী পরিবার গঠনে নবীজির নির্দেশনা

সুখময় সংসারকে জান্নাতের সঙ্গে তুলনা করা হয়ে থাকে। অশান্ত ও কলহ-বিবাদে জড়ানো পরিবারের তুলনা শুধু জাহান্নামের সঙ্গে চলে।

পারিবারিক জীবনে সুখ, শান্তি ও কল্যাণ পেতে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক আন্তরিকতা ও ভালোবাসার পাশাপাশি প্রিয় নবী (সা.)-এর নির্দেশিত পথ ও পদ্ধতি অবলম্বনের কোনো বিকল্প নেই। সংসারের সুখের জন্য স্বামী-স্ত্রী দু’জনের পালনীয় অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে এ আয়োজন।

স্বামীর দায়িত্ব

দ্বীনদার স্ত্রী গ্রহণ করা

রাসূল (সা.) বলেন- যে বিবাহ করার ইচ্ছা করে, সে যেন দ্বীনকে প্রাধান্য দেয়। অন্য হাদিসে এসেছে, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে মেয়েদের বিয়ে করা হয়- সম্পদ, বংশমর্যাদা, সৌন্দর্য ও দ্বীনদারি। সুতরাং তুমি দ্বীনদারিকেই প্রাধান্য দেবে নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে (সহিহ বুখারি)।

মনের ভালোবাসা মুখে প্রকাশ করা

হজরত খাদিজা (রা.) সম্পর্কে রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘আমার মনে তার প্রতি ভালোবাসা ঢেলে দেওয়া হয়েছে’ (মুসলিম)। হজরত আয়েশা (রা.)-কে বলেছেন, ‘সবার চেয়ে আয়েশা আমার কাছে এমন প্রিয়, যেমন সব খাবারের মধ্যে সারিদ (আরবের বিশেষ এক ধরনের খাদ্য) আমার কাছে বেশি প্রিয়’ (সহিহ বুখারি)। তাই স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসার কথা মুখে প্রকাশ করুন।

নিজেকে পরিপাটি রাখা

পুরুষরা তাদের সঙ্গিনীকে সুন্দরভাবে দেখতে পছন্দ করে। ঠিক একইভাবে তারা তাদের সঙ্গীকেও সুন্দরভাবে দেখতে পছন্দ করে। রাসূল (সা.) বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীদের জন্য এমনই পরিপাটি থাকা পছন্দ করি, যেমন আমি তাদের ক্ষেত্রে সাজগোজ করে থাকতে পছন্দ করি’ (বাইহাকি, হাদিস : ১৪৭২৮)।

স্ত্রীর প্রতি সব সময় আন্তরিক থাকা

স্ত্রীর সঙ্গে সব সময় আন্তরিক আচরণ করতে হবে। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) ভালোবেসে কখনো কখনো আমার নাম হুমায়রা বা লাল গোলাপ বলে ডাকতেন (ইবনে মাজাহ)। তিনি আরও বলেন, পাত্রের যে অংশে আমি মুখ রেখে পানি পান করতাম তিনি সেখানেই মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে পছন্দ করতেন (মুসলিম)।

স্ত্রীর সঙ্গে উত্তম আচরণ করা

স্ত্রীর সঙ্গে উত্তম আচরণ করা পারিবারিক সুখের অন্যতম চাবিকাঠি। তার পাওনাগুলো পরিপূর্ণভাবে আদায় করতে হবে। তার অধিকার বুঝিয়ে দিতে হবে। তার নিত্যদিনের শারীরিক ও মানসিক চাহিদা পুরা করতে হবে। রাসূল (সা.) বলেন- তোমাদের মধ্যে সেই ভালো যে তার পরিবারের কাছে ভালো। আর আমি আমার পরিবারের কাছে তোমাদের চেয়ে উত্তম (আত-তিরমিজি)।

স্ত্রীর মনোরঞ্জন

পারিবারিক শান্তির জন্য স্ত্রীর মনোরঞ্জন অপরিহার্য। রাসূল (সা.) আপন স্ত্রীদের সঙ্গে বিনোদনমূলক আচরণ করেছেন। আয়শা (রা.) এক সফরে নবী (সা.)-এর সঙ্গে ছিলেন। তিনি বলেন, আমি তার সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতা করে তার আগে চলে গেলাম। অতঃপর আমি মোটা হয়ে যাওয়ার পর (অন্য আরেক সফরে) তার সঙ্গে আবারও দৌড় প্রতিযোগিতা করলাম, এবার তিনি (রাসূল সা.) আমাকে পেছনে ফেলে দিয়ে বিজয়ী হলেন। তিনি বলেন, এ বিজয় সেই বিজয়ের বদলা (আবু দাউদ)।

একে অপরের কাজে সহযোগিতা

নবীজি (সা.)-এর প্রিয়তমা স্ত্রী হজরত আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়, নবীজি কি পরিবারের লোকদের তাদের ঘরোয়া কাজে সহযোগিতা করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, নবীজি ঘরের লোকদের তাদের কাজে সহযোগিতা করতেন এবং নামাজের সময় হলে নামাজের জন্য যেতেন (সহিহ বুখারি)। সুখী জীবনের জন্য সুযোগ পেলেই পারিবারিক কাজে সহায়তা করতে হবে।

পরিবারের সঙ্গে অধিক সময় কাটানো

হজরত উকবা ইবনে আমের (রা.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে দু-জাহানের মুক্তির পথ কী, তা জানতে চাইলাম। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সা.) তিনটি উপদেশ দিলেন। ১. কথাবার্তায় আত্মসংযমী হবে। ২. পরিবারের সঙ্গে তোমার অবস্থানকে দীর্ঘ করবে। ৩. নিজের ভুল কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হবে (তিরমিজি)।

সঙ্গিনীর সঙ্গে পরামর্শ করা

জীবনের যে কোনো বিষয়ে জীবন সঙ্গিনীর মতামতকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে হবে। নবীজি শুধু ঘরোয়া বিষয়ই নয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীদের মতামত নিতেন। ‘হুদায়বিয়ার সন্ধি’ নামক ইসলামি ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপটে নবীজি তার স্ত্রী উম্মে সালমা (রা.)-এর কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েছিলেন। পরবর্তী সময় যা অতি কার্যকরী বলে বিবেচিত হয় (বুখারি)।

আল্লাহর কাছে দোয়া

পরিবারে সুখ-শান্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে। কীভাবে দোয়া করতে হবে আল্লাহ আমাদের তা শিখিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য চোখের শীতলতা দান করো এবং আমাদের মুত্তাকিদের জন্য আদর্শস্বরূপ করো (আল কুরআন ২৫/৭)।

স্ত্রীর দায়িত্ব

স্বামীর প্রতি সম্মান দেখানো

স্বামীর আনুগত্য করা স্ত্রীর কর্তব্য। নবী করিম (সা.) বলেন, ‘যদি আমি কোনো মানুষকে অপর কারও জন্য সিজদা করার অনুমতি দিতাম, তবে নারীকে তার স্বামীকে সিজদা করতে নির্দেশ দিতাম’ [তিরমিজি]।

স্বামীর আদেশ পালন করা

রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘স্বামী যখন তার প্রয়োজনে স্ত্রীকে ডাকে, সে যেন অবশ্যই তার কাছে আগমন করে, যদিও সে চুলার ওপর ব্যস্ত থাকুক। (অর্থাৎ যদিও সে রান্নাবান্নার কাজে ব্যস্ত থাকুক)’ (তিরমিজি)। অন্য হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যখন কোনো পুরুষ তার স্ত্রীকে তার শয্যায় ডাকে (পারস্পরিক মিলনের উদ্দেশ্যে)। এরপর স্ত্রী যদি স্বামীর আহ্বানে সাড়া না দেয়, আর স্বামী যদি (তার এ আচরণে কষ্ট পেয়ে) তার প্রতি নারাজ অবস্থায় রাত অতিবাহিত করে, এমতাবস্থায় জান্নাতের বাসিন্দারা তাকে সকাল হওয়া পর্যন্ত লানত দিতে থাকে’ (বুখারি)। এ দুটি হাদিস থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, স্বামীর আদেশ পালন করা স্ত্রীর জন্য অপরিহার্য।

স্বামীকে কষ্ট না দেওয়া

রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে নারী তার স্বামীকে জীবনযাপনের ক্ষেত্রে দুনিয়াতে কষ্ট দেয়, তার সম্পর্কে জান্নাতের হুর-গেলমানরা লানত দিয়ে বলে, হে হতভাগা! তাকে কষ্ট দিও না। আল্লাহতায়ালা তোমাকে নিশ্চিহ্ন করুন!’(তিরমিজি)।

স্বামীর সন্তুষ্টি অর্জন

রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যদি কোনো স্ত্রীলোক এমতাবস্থায় মারা যায় যে, তার স্বামী তার ওপর সন্তুষ্ট ছিল, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে’ (তিরমিজি)। এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, স্বামীর সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়।

স্বামীর জন্য সাজগোজ

একবার নবীজি (সা.) সফর থেকে ফিরে মদিনায় আসার পর বাড়িতে না গিয়ে সাহাবিদের বললেন, তোমরা এখানে থেমে যাও এবং বাড়িতে খবর পাঠাও যেনো তোমাদের স্ত্রীরা নিজেদের তোমাদের জন্য প্রস্তুত করে রাখতে পারে। রাসূল (সা.)-এর স্ত্রীরা নিজেকে রাসূল (সা.)-এর সামনে সাজগোজ করে উপস্থাপন করতেন (বুখারি)।

স্বামীর দোষ গোপন রাখা

নারীদের মধ্যে এ প্রবণতা খুব বেশি লক্ষ করা যায়- তারা স্বামীর দোষ অন্যের কাছে শেয়ার করে মন হালকা করতে চায়! এটা ইসলামি শরিয়তে হারাম ও কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। এতে করে সংসারে কলহ ও অবিশ্বাস সৃষ্টি হয় এবং সুখ-শান্তি চলে যায়। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, ‘ধ্বংস তাদের জন্য, যারা অগ্র-পশ্চাতে দোষ বলে বেড়ায়’ (সূরা হুমাজাহ-১)।

স্বামীর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার প্রতি খুব বেশি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। রাসূল (সা.) বলেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না’-(বুখারি ও মুসলিম)। সুখী পারিবারিক জীবনের জন্য স্বামীর আত্মীয়দের প্রতি স্ত্রীর এবং স্ত্রীর আত্মীয়দের প্রতি স্বামীর সুসম্পর্ক রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বিপদের সময় স্বামীর পাশে দাঁড়ানো

বিপদ আপদ ও পেরেশানির সময় স্বামীকে সান্ত্বনা দেওয়া সুন্নত। যেমন রাসূল (সা.) ওহি লাভের পর অজানা শঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে গৃহে ফিরে এলে হজরত খাদিজা (রা.) তাকে সান্ত্বনা দেন, ‘কখনো না (শঙ্কার কোনো কারণ নেই)। নিশ্চয় আপনি আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখেন। অন্যের বোঝা বহন করেন। মেহমানের আপ্যায়ন করেন। (আপনার কিছু হবে না)। (বুখারি)।

স্বামীর কৃতজ্ঞতা স্বীকার

রাসূলুল্লাহ (সা.) মেরাজ থেকে ফিরে এসে বলেন, ‘আমি জাহান্নাম কয়েকবার দেখেছি, কিন্তু আজকের মতো ভয়ানক দৃশ্য আর কোনো দিন দেখিনি। তার মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি দেখেছি। তারা বলল, আল্লাহর রাসূল কেন? তিনি বললেন, তাদের অকৃতজ্ঞতার কারণে। জিজ্ঞেস করা হলো, তারা কি আল্লাহর অকৃতজ্ঞতা করে? বললেন, না, তারা স্বামীর অকৃতজ্ঞতা করে, তার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না। তুমি যদি তাদের কারও ওপর যুগ-যুগ ধরে অনুগ্রহ কর, এরপর কোনো দিন তোমার কাছে তার বাসনা পূর্ণ না হলে সে বলবে, আজ পর্যন্ত তোমার কাছে কোনো কল্যাণই পেলাম না’ (মুসলিম)।

অযথা সন্দেহ পরিহার

আল্লাহ বলেন, হে মুমিনরা, তোমরা অধিক অনুমান থেকে দূরে থাকো। নিশ্চয় কোনো কোনো অনুমান তো পাপ। আর তোমরা গোপন বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং একে অপরের গিবত করো না (সূরা : হুজুরাত, আয়াত : ১২)। যে পরিবারে সন্দেহের রোগ বাসা বাঁধে সেখানে সুখের আশা করা বৃথা। যে কোনো বিষয়ে পরস্পরে বোঝাপড়া ও আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।

সূত্র: যুগান্তর

মূল্যবান কিছু দরকারী কথা

যার বিয়ে হয়েছে, সে বলছে ‘বিয়ে করাটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড় ভুল ছিলো। কেন যে করতে গেলাম!’ আর যারা বিয়ে করেনি, তারা দিনরাত বিয়ে নিয়ে মহাস্বপ্নের জাল বুনে চলেছে।
.
.
যার বাচ্চা আছে, সে ‘বাচ্চাদের জালায় অস্থির হয়ে যাচ্ছি’ বলে দিনরাত অভিযোগ করছে। যার বাচ্চা নেই, সে একটা বাচ্চার জন্য দিনরাত কেঁদেকেটে মরছে।
.
যার চাকরী আছে সে বলতেছে, চাকরি করা পেইন। প্রতিদিন এক জায়গায় যাওয়া আর একই কাজ করা কি যে বোরিং! আবার, যার চাকরি নাই সে বলতেছে চাকরির অভাবে অনেক কষ্টে আছে।
.
.
.
যার সন্তান পড়াশুনা করতে বিদেশ চলে যাচ্ছে, সে ভাবছে অমুক সাহেব আর যাই হোক, অন্তত সন্তানদের চাইলেই দেখতে পাচ্ছে। আর আমি আমার সন্তানকে চাইলেও দেখতে পারছিনা। আবার যারা সন্তানকে সবসময় কাছে পাচ্ছে, তাদের আফসোস হলো সন্তানগুলোকে এত কষ্ট করে পড়াশুনা করালাম! অমুকের মাথামোটা ছেলেটা পর্যন্ত স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পড়তে গেলো, আর আমার ছেলেটা কিনা এখনো দেশেই পড়ে আছে! বিদেশ যাওয়ার কোন ইচ্ছাই নাই! হায়রে কপাল! এত কষ্ট করে এজন্য পড়াশুনা করালাম?
.
.
যে ইন্ড্রাস্টিয়াল চাকরি করতেছে, সে বলতেছে টিচিং প্রফেশানই ভালো। অল্প পরিশ্রমেও অনেক টাকা কামানো যায়। যে টিচার সে বলতেছে, কেন শুরুতে ইন্ড্রাস্টিতে ঢুকলাম না, এতদিনে লাখ টাকা বেতন হতো। সারাদিন চিল্লায়ে চিল্লায়ে কথা বলতে বলতে গলা শেষ হয়ে গেলো।
.
.
যে বিদেশে আছে সে বলতেছে, দেশে একটা কোনমতে একটা চাকরি করে পরিবারের সাথে আরামে থাকতে পারতাম, হুদাই আসছি বিদেশে। যে দেশে আছে, সে বলতেছে অমুক অমুক বিদেশে গিয়ে কত মর্যাদার জীবন যাপন করতেছে, জীবনের প্রকৃত আনন্দ উপভোগ করতেছে, আর আমি হতভাগা কোনমতে ছোটখাট একটা জব নিয়ে বসে আছি।”
.
.
যার একটা নুন্যতম মাথা গুঁজার জন্য বাসা আছে, সে ভাবছে, ‘ধুর! একটা ফ্ল্যাটবাড়িই করতে পারলাম না! অমুক অমুক পর্যন্ত করে ফেললো! আর আমি এই এক পুরানা আমলের ঘর নিয়েই পড়ে থাকলাম সারাজীবন। আবার যে ফ্ল্যাটবাড়ি বানিয়েছে, সে একটা রাত শান্তিতে ঘুমানোর জন্য ছটফট করছে। অন্তরে একটু সুখ পাবার আশায় কত ব্যর্থ চেষ্টাই না করছে! মুভি, গান-বাজনা, সিরিয়াল, জোকস, ফানি ভিডিও কত কিছু! কিন্তু কোনটাই মনকে ভালোভাবে প্রশান্ত করতে পারেনা। সবগুলোই কিছুক্ষণ পর বিরক্তিকর হয়ে যায়। কোনটা দিয়েই অন্তরের অভাব দূর হয়না। লাখ টাকার বিছানায় শুয়ে একটু ভাল করে ঘুমাবে- সেটাও আসেনা। রিক্সাওয়ালার রিক্সায় ঘুমানো দেখে সে কেবল আফস্যোস করতে থাকে। ইশ! একটু যদি সুখ করে ঘুমাতে পারতাম!
.
.
আসলে প্রকৃত সুখে আছেটা কে?
.
কেউ নেই। দুনিয়া সুখে থাকার যায়গা না।
দুনিয়া হচ্ছে অনন্ত সুখের পাথেয় সংগ্রহ করার যায়গা। লবনাক্ত পানি দিয়ে পিপাসা মেটাতে চাইলে সেটা যেমন তৃষ্ণা না কমিয়ে উল্টা বাড়িয়ে দিবে, তেমনি দুনিয়াতে কেউ চিরসুখী হতে চাইলে সে কষ্টে-যন্ত্রনায় জর্জরিত হবেই।
.
দুনিয়াতে কেবলমাত্র সেই সুখে আছে, যে সাধ্যমত নিজেকে জীবনের সবক্ষেত্রে আল্লাহর দাসে পরিণত করতে পেরেছে। পরকালের জন্য সত্যিকারভাবে কিছু করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। অন্তরের অভাব মেটাতে রব্বে কারীমের কাছে নিজেকে সঁপে দিচ্ছে। সুখের মালিকের কাছে, তার দেয়া সকল বিধি বিধানের কাছে নিঃশর্ত আত্নসমর্পণ করাতেই আছে আসল সুখ।
.
বারবার পা পিসলে যায়, কিন্তু তবুও রব্বে কারীমকে সন্তুষ্ট করার জন্য অব্যাহতভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া মানুষেরাই প্রকৃতভাবে সুখে আছে। যেটাকে ইমাম ইবনে কাইয়্যিম (র) “দুনিয়ার জান্নাত” হিসেবে অভিহিত করেছেন।
.
.
বাদবাকি সবাই কমবেশি কেবল অন্যদেরকে সুখী মনে করে আফসোস করে আর ভেতরে ভেতরে জলেপুড়ে মরে। আর এই আফসোস, একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার এই প্রতিযোগিতা মৃত্যু পর্যন্তই। রুহটা চলে গেলেই সব খ ত ম।
.
.
“যেদিন তারা এটা(বিচার দিবস) প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা পৃথিবীতে একটি সন্ধ্যা অথবা একটি সকালের অধিক অবস্থান করেনি”-
(সূরা আন নাজিয়াতঃ ৪৬)
.
.
যারা একটি সন্ধ্যা বা একটি সকাল সুখে থাকার মোহে অনন্ত আখিরাতের জীবনের ব্যাপারে গাফেলতি করবে, পাথেয় সংগ্রহ করবেনা, তারা দুনিয়াতেও সুখ পাবেনা। আখিরাতেও না।
.
আর হাজার মাথাকুটে মরলেও রিযিকে যা আছে তার চেয়ে একচুলও বেশি পাবেনা, ইন শা আল্লাহ্‌। বরং অন্যান্য সবকিছু বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে।

Continue reading

ভৈরর উপজেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জনাব মোঃ লিটন মিয়া

আশিক ফ্যাশন, নিউজ ডেস্ক:

জন্ম নিবন্ধন ও মৃত্যু সনদ সফলতার সহিত সম্পাদন করায় উপজেলা পর্যায়ে ১ম স্থান অর্জন করেছে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার কালিকা প্রসাদ ইউনিয়ন পরিষদ। শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন পরিষদের জননন্দিত চেয়ারম্যান বিপুল ভোটে নির্বাচিত জনাব মোঃ লিটন মিয়া।

সম্প্রতি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবদের উপস্থিতিতে এক সভায় কালিকা প্রসাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ লিটন মিয়া ও সচিব এমদাদুল ইসলামের হাতে পুরস্কার ও ক্রেষ্ট তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব সাদিকুর রহমান সবুজ ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সন্তোষ রবিদাস তার চা শ্রমিক ‘মা’ কে নিয়ে আবেগঘন এই লেখাটি লিখেছেন

সন্তোষ রবিদাস অঞ্জন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মৌলভীবাজার জেলার শমসেরনগরে ফাঁড়ি কানিহাটি চা-বাগানের এক চা শ্রমিক পরিবারের ছেলে আমি। জন্মের ছয় মাসের মাথায় বাবাকে হারিয়েছি। মা চা-বাগানের শ্রমিক। তখন মজুরি পেতেন দৈনিক ১৮ টাকা।

সেই সময় আমাকে পটের দুধ খাইয়ে, অন্যের বাসায় রেখে মা যেতেন বাগানে কাজ করতে।

২০০৭ সালে আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি। মায়ের মজুরি তখন ৮৮ টাকা। এক দিন বললেন, ‘বাজারে গিয়ে পাঁচ কেজি চাল নিয়ে আয়।’ সেই চাল দিয়ে এক মাস চলেছে আমাদের। পরদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে দেখি মা চাল ভাজলেন। পলিথিনে সেই ভাজা চাল, আটার রুটি আর লাল চা একটা বোতলে ভরে গামছায় প্যাঁচালেন। আর আমাকে আটার রুটি ও লাল চা দিলেন। দুপুরে খেতে গিয়ে দেখি শুধু পেঁয়াজ, শুকনা ভাত, তেল আর লবণ আছে। তা দিয়ে মেখে খেলাম। রাতেও কোনো তরকারি ছিল না। তখন পাশের বাসার কাকু আমাকে ডেকে কুমড়া আর আলু দিয়েছিলেন, যা দিয়ে আমরা দুইটা দিন পার করেছিলাম। তখন কুপি বাতির আলোয় পড়তাম। মা আগেই রেডি করে দিতেন বাতি। তেল শেষ হয়ে গেলে আর পড়া হতো না। দোকানদার বাকিতে তেল দিতেন না।



পঞ্চম শ্রেণির পর ভর্তি পরীক্ষায় পাস করে ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন স্কুলে পাঁচ বছরের জন্য ফ্রি পড়ালেখার সুযোগ পাই। মা অনেক খুশি হয়েছিলেন। তখন তাঁর সামান্য আয়ের একটা অংশ থেকে আমাকে টিফিন খাওয়ার জন্য প্রতি সপ্তাহে ৭০-৮০ টাকা দিতেন।

২০১৩ সালে বিএএফ শাহীন কলেজে ভর্তি হই। তখন মা ১০২ টাকা করে পেতেন। এই সময়ে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে কিস্তি তুলে আমার ভর্তির টাকা, ইউনিফর্ম আর বই-খাতা কিনে দিয়েছিলেন।

২০১৪ ডিসেম্বর। মায়ের হাতে টাকা নেই। তখন এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন চলছিল। মা ৫০ টাকার একটা নোট দিয়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বলেছিলেন, ‘কেউ ধার দেয়নি রে বাপ।’ কলেজের এক শিক্ষকের কাছ থেকে ধার নিয়ে সেবার রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়েছিলাম।

এইচএসসির পর ভর্তি পরীক্ষার কোচিং। মা তখন আবার লোন নিলেন গ্রামীণ ব্যাংক থেকে। লোনের কিস্তির জন্য এই সময় মা বাড়ি থেকে অনেক দূরে গিয়ে বালু শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বিনিময়ে পেতেন ৩০০ টাকা। আমি জানতাম ঘরে চাল নেই। শুধু আলু খেয়েই অনেক বেলা কাটিয়েছিলেন মা।

এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেলাম। মা তখন কী যে খুশি হয়েছিলেন! কিন্তু ভর্তির সময় যত ঘনিয়ে আসছিল, মায়ের মুখটা তত মলিন দেখাচ্ছিল। কারণ চা-বাগানে কাজ করে যা পান তা দিয়ে তো সংসারই চলে না। ভর্তির টাকা দেবেন কোথা থেকে। পরে এলাকার লোকজন চাঁদা তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে সহায়তা করল। বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশনি করেই চলতাম। হলের ক্যান্টিনে ২০ টাকার সবজি-ভাত খেয়েই দিন পার করেছি। অনেক দিন সকালে টাকার অভাবে নাশতাও করতে পারিনি। দুর্গাপূজায় কখনো একটা নতুন জামা কিনতে পারিনি।


২০১৮ সালে শ্রেষ্ঠ মা হিসেবে উপজেলায় মাকে সম্মাননা দেওয়া হবে বলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জানানো হয়। পরে মায়ের নামটা কেটে দেওয়া হয়েছিল। খোঁজ নিয়ে জেনেছি, মা আমার চা শ্রমিক। স্টেজে উঠে নাকি কিছু বলতে পারবেন না। তাই নাম কেটে দিয়েছে! মা এখনো প্রতিদিন সকালে একটা বোতলে লবণ, চা-পাতা ভর্তা, আটার রুটি, সামান্য ভাত পলিথিনে ভরে নিজের পাতি তোলার গামছায় মুড়িয়ে নিয়ে দৌড়ান চা-বাগানে। আট ঘণ্টা পরিশ্রম করে মাত্র ১২০ টাকা মজুরি পান! এই মজুরিতে কিভাবে চলে একজন শ্রমিকের সংসার? আজকাল মায়ের শরীর আর আগের মতো সায় দেয় না। বলেন, ‘তোর চাকরি হইলে বাগানের কাজ ছেড়ে দেব।’

আমি এখন সেই দিনের প্রতীক্ষায় আছি….!

– সন্তোষ রবিদাস অঞ্জন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ছেলেকে বড় বানাতে গিয়ে, মানুষ বানাতে পারিনি।

সুরাইয়া শারমিন,

আমি একজন বিধবা মহিলা আমার বয়স এখন ৬০ বছর। আমি স্কুল শিক্ষিকা ছিলাম।
আমার একটা-ই ছেলে যার বয়স এখন ৩৬ বছর। ওর নাম আশিক আদনান দিপ ও থাকে অষ্ট্রেলিয়া। আমার হাজবেন্ড যখন মারা যায় তখন আমার বয়স ৪০ বছর। আর আমার ছেলে আশিক আদনান দিপ যাকে আমি দিপ বলে ডাকি ওর বয়স তখন ১৬ বছর।

ছেলে কে আমি একা একা বড় করেছি। নিজে কষ্ট করেছি, কখনো ছেলেকে কোন কিছুর অভাব বুঝতে দেই নাই। সব সময় চেয়েছি ওর সব চাহিদা মেটাতে। কখনো যেন না ভাবে – আমার বাবা থাকলে এ-ই চাহিদাটা পূরণ হতো। বাবা নাই বলে এটা পাচ্ছি না। ছেলে কে দেশের সব চাইতে ভালো স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়িয়েছি। তারপর ছেলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়ে চলে গেলো অষ্ট্রেলিয়া । সব খরচ একা হাতে সামলিয়েছি। নিজের দিকে একদম খেয়াল করিনি। সব সময় দেখতে চেয়েছি আমার সন্তানের সফলতা ! তার ভবিষ্যৎ উজ্জল করাই ছিলো আমার জীবনের লক্ষ।আমাকে সবাই সফল মা বলেন।এই নিয়ে আমারও একধরনের চাপা গর্ব আছে।

গত সপ্তাহে আমার এক পুরাতন বান্ধবীর সাথে দেখা হলো ওর নাম লিপি। ওর ছেলে আমার ছেলে দিপের সাথে এক’ই স্কুলে পড়তো। ওর ছেলের সাথে অবশ্য দিপের খুব ভালো বন্ধুত্ব ছিলো না। এর কারণ হয়তো আমি বা আমার ছেলে দিপ।

আমি সব সময় চাইতাম দিপ শুধু মাত্র ভালো স্টুডেন্ট যারা আর সব সময় পড়ালেখা নিয়ে কমপিটিশন করে তাদের সাথে মিশবে। তাতে করে ওর ভেতরে পড়ালেখার প্রতি আরো বেশি প্রতিযোগিতার মনোভাব থাকবে।

সব সময় লিপি বলতো -দেখ আমরা দু’জন কত ভালো বন্ধু। আর আমাদের ছেলেরাও এক’ই স্কুলে পড়ে, তার পরেও ওদের মধ্যে বন্ধুত্ব হলো না।
লিপির ছেলে আরিফ সব ক্লাসে টেনেটুনে পাশ করে যেতো। তবে সব সময়ই স্কুলের খেলাধুলা অন্যান্য কার্যক্রম গুলোতে অংশগ্রহণ করতো। স্কুলের ওয়াল ম্যাগাজিনে ওর লেখা থাকতো, ছবি আঁকতো, এগুলো নিয়েই লিপি খুশি থাকতো।

লিপির কথা,- আমার ছেলে’তো আর ফেল করে না! পাশ করে গেলেই হলো। সবার ছেলেতো ফাস্ট হবে না। আমার ছেলেটা পড়ালেখায় তেমন ভালো না কিন্তু ওর অন্য কাজ গুলো কত সুন্দর!
আমার কাছে লিপির এই কথা গুলো অসহ্য লাগতো। মনে হতো,ছেলের মাথায় তো গোবর আছে। তার চাইতে বেশি গোবর মায়ের মাথায়। তা না হলে যে ছেলে পড়ালেখায় এত পেছনে পরে আছে। তাকে কোন মা স্কুলের এক্সটা কার্যক্রম নিয়ে সময় নষ্ট করতে দেয়!
দিপ কলেজে উঠে নটরডেম কলেজে ভর্তি হলো আর আরিফ খুবই সাধারণ একটা কলেজে ভর্তি হলো। তার পর ওদের সাথে আর যোগাযোগ ছিলো না।

গত সপ্তাহে শপিং মলে ওদের সাথে দেখা হলো। তাও আমি ওদের দেখি নাই। আমাকে লিপির ছেলে আরিফ দেখতে পেয়ে আমার কাছে এসে বলে
-আন্টি আমাকে চিনতে পেরেছেন? আমি আরিফ।
আমি আরিফকে আসলেই চিনতে পারছিলাম না। আরিফ কে যখন শেষ দেখি তখন মাত্র স্কুল ছেড়ে কলেজে যাবে। ছেলে মানুষি এখনো চোখে মুখে। আর এখন রীতি মতো ভদ্রলোক। তার পর আরিফ আমাকে লিপির কাছে নিয়ে যায়। লিপি একটা দোকানে বসা ছিলো। লিপিকে নিয়ে ওর ছেলে শপিং এ এসেছে। তাও আবার লিপির জন্য তার ছেলে পছন্দ করে কি সব রংচঙে থ্রী-পিছ কিনছে।

আমি আর লিপি সব সময় শাড়ি পরতাম, তাই আমি একটু অবাক হলাম। লিপি আমার কাছে বার বার জানতে চাইছিলো।
-তুই বল আমি কোনটা কিনবো আমাকে কোনটায় মানাবে?
-তখনই আরিফ হঠাৎ করে বলে বসে আন্টি আপনি যেটা পছন্দ করবেন আম্মা সেটাই কিনবে।তার পর আমি একটা থ্রী- পিস পছন্দ করি আরিফ সেই একই থ্রী- পিস দুইটা কিনে আমি তা খেয়াল করি।
আমি আর লিপি গল্প করছিলাম কেনাকাটার ফাঁকে ফাঁকে ।
তারপর আরো কিছু টুকিটাকি কেনাকাটা করে ওরা। ওদের কেনাকাটা দেখে মনে হচ্ছিল ওরা কোথাও বেড়াতে যাবে।
আমি আরিফ কে খেয়াল করছিলাম ও লিপির সাথে কেমন সহজ স্বাভাবিক ভাবে কথা বলে। মনে হয় আরিফ ওর মাকে নয় মেয়ে কে নিয়ে বের হয়েছে শপিং করতে। তার পর আমাদের নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে যায়।আরিফ টুকটাক খাবার অর্ডার করে শেষে আরিফ বলে –
আম্মা কফি খাবে নাকি কোন আইসক্রিম।
লিপি বলল আগে কফি খাব তারপর কোন আইসক্রিম খেতে খেতে বাসায় যাব।
আমি বললাম- আমি শুধু কফি।
লিপি সঙ্গে সঙ্গে বলল -তা হলে আইসক্রিম খাওয়া বাদ।
খেতে খেতে শুনলাম ওরা বেড়াতে যাচ্ছে কক্সবাজারে সেখান থেকে সেন্ট মার্টিন। সাথে লিপি কে নিয়ে যাবে। যদিও সেটা আরিফের অফিসিয়াল টুর।আরিফ একটা বায়িং হাউস এ আছে। বুঝতে পারলাম ভালো দায়িত্বে আছে। আমাদের সাথে বসা অবস্থায় কতবার যে মেইল চেক করলো। আর টুকটাক অফিসিয়াল কল রিসিভ করলো। তার মানে শত ব্যস্ততার মধ্যেও মা’কে শপিং করতে নিয়ে এসেছে। ইতিমধ্যে আরো জানা হয়ে গেলো আরিফের বউ-এর কথা আরিফের বউ একটা মাল্টি ন্যাশনাল কম্পানিতে আছে। তাদের এক সন্তান সে এখন তার নানি বাড়িতে আছে। শপিং শেষ হলে আরিফ তার মেয়ে কে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে তুলে নিবে।

আমি একটা বিছানার চাদর আর আমার জন্য টুকটাক বাজার করতে এসেছিলাম। আমি কিছুই কিনি নাই সেদিন। আমার কিছু কিনতে ইচ্ছে হচ্ছে না আর।আমি শুধু আরিফ কে দেখছিলাম। আরিফ কি ভাবে ওর মা’কে এত যত্ন করছে।স্যান্ডেলের দোকানে নিজে তার মায়ের পায়ে স্যান্ডেল পরিয়ে দিলো।লিপি এত দাম দিয়ে স্যান্ডেল কিনবে না। আরিফ তখন বলল আম্মা তুমি মূল্য দেখো কেন? তুমি দেখবে আরাম পাও কিনা?
আরিফের কত খেয়াল তার মায়ের জন্য। সব শেষে সানগ্লাস কিনলো মায়ের জন্য। লিপি সানগ্লাস কিনবে না।তখন আরিফ বলল,

  • মা সানগ্লাস কিনতে হবে কারন তুমি যখন সমুদ্রের ধারে হাটবে তখন তোমার চোখে রোদ লাগবে।
    ওদের মা – ছেলেকে দেখে আমার এমন লাগছে কেন? আমি আরিফ কে দেখছি, লিপিকে দেখছি। আর আমার ভেতরে কেমন হীনমন্যতা ঢুকে যাচ্ছে। বার বার মনে হচ্ছে আমি হেরে গেছি জীবনের কাছে। আমি একজন ব্যর্থ মা। যে তার ছেলেকে সব চাইতে সফল আর বড় বানাতে গিয়ে এত বড় বানিয়ে ফেলেছি যে, সেই ছেলের নাগাল আমি আর কখনো পাবো না!

এর মধ্যে কয়েকবার আরিফ দিপের কথা জানতে চেয়েছে।দিপের সাথে যোগাযোগের নম্বর চেয়েছে, আমি দেই নাই। বলেছি বাসায় আছে, নোট বইয়ে লেখা। আর দিপ আমাকে কল দেয় সব সময়। আমি তো দেই না তাই মনে নাই। আসলে দিপের অনুমতি না নিয়ে ওর নম্বর কাউকে দিলে ও রাগ করবে। আমাকেই বলে

  • মা আমি অনেক বিজি থাকি, যখন তখন কল দিবে না। এতে করে আমার ডিসটার্ব হয়। তুমি এখনো অষ্ট্রেলিয়া আর বাংলাদেশের সময়ে এডজাস্ট করতে পারো না কেন?
    আরিফ আমাকে আমাদের বাসায় নামিয়ে দেওয়ার সময় আমার হাতে একটা শপিং ব্যাগ দিয়ে বলল এটা আপনার জন্য। আমি দেখি ঠিক মিনার মতো আমার জন্যও একটা থ্রী-পিস কিনেছে আরিফ। আন্টি এটা আপনার জন্য।আপনারা দুই বান্ধবী এক সময় এক রকম জামা পরে বেড়াতে বের হবেন।
    আমার চোখে পানি চলে আসার অবস্থা হয়েছিলো তখন।
    আরিফ আরো বলল আন্টি আমার মোবাইল নং তো সেভ করে দিয়েছি আপনার যখন খুশি কল দিবেন, আমি এসে আপনাকে বাসায় নিয়ে যাবো। আমি তখন বললাম –
    তুমিও তো বিজি থাকো। তখন আরিফ বলল,
  • আন্টি আপনার জন্য আমি সব সময়ই ফ্রি আছি।
    তারপর আরো বলল,
    -আন্টি আপনি তো একা থাকেন আপনিও চলেন না আমাদের সাথে কক্স বাজার। আম্মা’র একজন সঙ্গী হবে। আম্মার আরো বেশি ভালো লাগবে।
    আমি মনে মনে কতক্ষন থেকে বলছি – লিপি আমাকে নিবি তোদের সাথে কক্স বাজার? আমি সমুদ্র দেখবো না। আমি শুধু দেখবো একজন ছেলে তার মা’কে কত আদর যত্ন করে তা।

আমি আরিফ কে বললাম,

  • আরিফ আসলেই ঠিক বলেছো।লিপির সাথে কতদিন পর দেখা আমার। আমারও ভালো লাগবে তোমাদের সাথে বেড়াতে গেলে। কিন্তু দিপকে তো বলতে হবে।আমি আজ দিপের সাথে কথা বলে তোমাকে জানাবো।
    লিপি মনে হয় আমার কথায় অবাক হলো। আমি এত সহজে ওদের সাথে যেতে রাজি হবো এটা লিপি ভাবতেও পারে নাই। লিপি। আমার হাত জড়িয়ে ধরে বলল,
  • শাহী প্লীজ চল, আমার অনেক ভালো লাগবে।
    তার পর ওরা চলে গেলো। আমি আমার আলো-হীন ঘরে ঢুকে, আজ আরো বেশি অন্ধকার দেখতে পেলাম। গতকাল রাতের বেলা দিপের সাথে হওয়া কথা গুলো ভাবতে লাগলাম।
    দিপের বিয়ে দিপ একা-একা করলো অষ্ট্রেলিয়া, নিজে মেয়ে পছন্দ করলো আর যেহেতু মেয়েরা অষ্ট্রেলিয়া বহু বছর থেকে আছে। তাই বাংলাদেশে এসে বিয়ের করার প্রশ্নই আসে না। আমি টেলিফোনে ওদের আশির্বাদ করলাম। তার পর দেশে আসবে বলে আসলো না। তখন দিপের বউ-এর পড়ালেখা শেষ হয় নাই এর মধ্যে আসা যাবে না দিপের ছেলে হলো এখন ছেলে ছোট তাই বাংলাদেশের আবহাওয়া বাচ্চা’র সহ্য হবে না তা-ই আসা যাবে না। এবছর আমাকে অষ্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য সব কাগজ ঠিক করার কথা। গতকাল কল দিয়ে বলল, এবার ছুটিতে ওদের সবাই কে নিয়ে দিপের শ্বশুর শাশুড়ী সহ আমেরিকা যাবে। দিপ আমাকে কল দিয়ে বলল মা আমরা সবাই চেষ্টা করবো আগামী বছর দেশে আসার তুমি মন খারাপ করো না।

না আমি মন খারাপ করি নাই। আমি আজ আরিফ কে দেখে বুঝতে পেরেছি, শুধু ভালো ছাত্র আর সব সময় ফাস্ট হওয়া ছেলেরাই সেরা সন্তান হয় না। একজন সন্তান কে মানুষ করার ক্ষেত্রে আমি শুধু আমার ছেলেকে সেরাটা দিয়েছি। আর তাকে শিখিয়েছি ফাস্ট হতে হবে পরীক্ষার খাতায় আর চাকরির বাজারে।
সেরা মানুষ হতে হবে এটা আমি কখনো শেখাই নাই।আমি ওকে কখনো শেখাই নাই তোমার বন্ধুদের সহযোগিতা করবে। আমি শিখিয়েছি শুধু প্রতিযোগিতা।.

ওর কিসে ভালো হবে ওকে শিখিয়েছি। কিন্তু সবাইকে নিয়ে ভাবাটা শিখাতে পারি নাই।
আমি সব সময় দিপ কে ভালো জিনিস কিনে দিয়েছি। ওর চাহিদা পূরণ করেছি। কিন্তু আমি কখনো আমার কোন চাহিদা আছে বা থাকতে পারে তা ওকে দেখাই নাই।
আমি দিপকে কল দিবো না কক্স বাজার যাওয়া নিয়ে। এটা আরিফ কে বলার জন্য বলা। আজ লিপিদের সাথে দেখা হওয়ায় ভালো হলো। এখন থেকে আমি আমার ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে ভাববো। ছেলেকে নিয়ে আমার ভাবনা শেষ।
ছেলে কে তার ভালো থাকার জন্য সব করে দিয়েছি। ছেলের আর আমার কাছ থেকে পাওয়ার কিছু নাই।
ছেলে আমাকে তার কাছে অষ্ট্রেলিয়া বেড়াতে নিয়ে যাবে বলে, গত দুই বছর থেকে আমার চলার টাকা থেকে একটু একটু করে যথেষ্ট টাকা জমিয়েছি। ওদের জন্য কত কিছু কিনবো তাই।
এবার থেকে আমি আমার জীবনের ছোট ছোট চাওয়া গুলো পূরণ করবো।বাঁচব আর কটা দিন। খুব শখ ছিলো হিমালয় দেখবো আর মিশরের পিরামিড দেখবো! একা একা কি এগুলো দেখা যাবে? তার চাইতে এবার লিপির সাথে কক্সবাজার আর সেন্ট মার্টিন ঘুরে আসি তারপর একটু নিজেকে নিয়ে ভাববো।

ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমী বনাম কুলিয়ারচর ফুটবল একাদশ এর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আজ

সোহানুর রহমান সোহান:

ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমী

আজ (১২-০৮-২০২২) শুক্রবার বিকেল ৪ ঘটিকায়
কুলিয়ারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে । এতে অংশগ্রহণ করবেন বাংলাদেশের বিখ্যাত ফুটবল একাডেমী ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমি বনাম কুলিয়ারচর ফুটবল একাদশ।

কুলিয়ারচর ফুটবল একাদশ

এতে উপস্থিত থাকবেন জনাব সাদিয়া ইসলাম লুনা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কুলিয়ারচর এবং জনাব আলহাজ্ব ইয়াছির মিয়া, চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, কুলিয়ারচর।

ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন বাংলাদেশের একজন পরিচিত মুখ। তিনি ফুটবলকে অনেক ভালোবাসেন। এটিকে নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন। বালাদেশের ফুটবলকে তিনি বিশ্বের দরবারে একটি শক্তিশালী ফুটবল দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান। তিনি বিভিন্ন সময় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর দুর্নীতি নিয়ে সমালোচনা করেন।

গত কিছুদিন আগে তার একাডেমী থেকে একটি ছেলে ব্রাজিল এ গিয়ে খেলার সুযোগ পান।

তিনি তার ফুটবল টিম নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ফুটবল ম্যাচ খেলে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় কুলিয়ারচর সরকারি কলেজ মাঠে এক প্রীতি ম্যাচ খেলতে আসছেন।

এই খেলাটি আয়োজন করছেন কুলিয়ারচর ফুটবল একাদশ।

উক্ত খেলায় কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করা যাচ্ছে ।

ভৈরবে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২২ উৎযাপন

সাইদুর রহমান সাইফ:

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ -২০২২ এ সহপাঠ্যক্রম ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হাজী আসমত সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্রী আজরা জামান লোকনৃত্য ও বাংলা কবিতা আবৃত্তিতে উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে। হাজী আসমত সরকারি কলেজের পক্ষ থেকে দোয়া ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন উপাধ্যক্ষ ও অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) জনাব আবদুর রউফ স্যার।

জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে শিক্ষানবিশ সাংবাদিক নিয়োগ করা হবে

ব্লগ পোস্ট:

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এসএসসি/এইচএসসি; তবে ইউনিয়ন পর্যায়ে কাজ করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য। ভাষাজ্ঞান, লেখালেখি, গান/আবৃত্তি বা কোনো ধরনের বাদ্যযন্ত্র বাজানোর দক্ষতা থাকলে শিক্ষাগত যোগ্যতা তার ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য। অন্য কোনো পত্রিকায় কাজ করছেন এমন কাউকে নিয়োগ করা হবে না।

আপনার বায়োডাটা পাঠিয়ে অতিসত্বর যোগাযোগ করুন। নিয়োগ এবং নীতিমালা বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। কোনো ধরনের ফৌজদারি অপরাধ থাকলে তাকে নিয়োগ করা হবে না।

শিক্ষানবিশ সাংবাদিক নিয়োগ
দেশের সকল জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে আমাদের ভৈরবের খবর-এর জন্য শিক্ষানবিশ সাংবাদিক, রিপোর্টার, স্টাফ রিপোর্টার ও ফ্রিল্যান্স প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

উপরিউক্ত শর্তগুলো বাদে অন্যান্য যে সকল শর্ত মেনে আবেদন করতে হবে:

• ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত পাঠাতে হবে ই-মেইলে অথবা ফেসবুক পেজে ইনবক্স করে;
ই-মেইলঃ ashiqmahmud156@gmail.com
• আবেদনকারীকে সর্বনিন্ম এসএসসি পাশ হতে হবে;

• আমরা সাংবাদিক পরিচয় পত্র প্রদান করব না;

• আমরা ব্লগার পরিচয় পত্র প্রদান করব;

• অফিস থেকে দেয়া এ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে;

• বছরে ২ টি সাংবাদিক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে। প্রতিনিধিদের অবশ্যই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে;

• নিউজের সাথে ছবি এবং ভিডিও (সম্ভব হলে) পাঠাতে হবে;

• নিয়োগ প্রক্রিয়াটি চলমান রয়েছে, তাই যেকোনো সময় আবেদন করা যাবে।

বিদ্র: এক বছর শিক্ষানবিশকাল শেষ হলে স্থায়ীভাবে কাজ করা যাবে।

”আমার দক্ষতায়, আমার ক্যারিয়ার”

তুলি বৃষ্টি, ভৈরব প্রতিনিধি।

”আমার দক্ষতায়, আমার ক্যারিয়ার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশে এই প্রথম ৬৪ টি জেলার ৪৯৫ টি উপজেলায় হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্যারিয়ার অলিম্পিয়াড। বাংলাদেশ ক্যারিয়ার অলিম্পিয়াড এর প্রতিষ্ঠাতা ও ৩৫ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার জনাব গাজী মিজানুর রহমান স্যার এবং বাংলাদেশ ক্যারিয়ার অলিম্পিয়াড এর পরিচালক, ৩৬ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার জনাব শাকিল আল-আমিন স্যার এর নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে।



এতে প্রতিটা উপজেলায় কমিটি গঠন করা হয়েছে।সেক্ষেত্রে ভৈরব উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তুলি বৃষ্টি ও সহকারী কো-অর্ডিনেটর আনিসা তাফসিন হৃদয় এর নেতৃত্বে ভৈরব উপজেলায় টিম গঠন করা হয়েছে।

“বাংলাদেশ ক্যারিয়ার অলিম্পিয়াড” এ অংশগ্রহন করে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের দক্ষতা ও প্রতিভা প্রকাশ করতে পারবে।

তিনটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ ক্যারিয়ার অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশগ্রহণ করবে স্কুল পর্যায়ে ৯ম-১০ম শ্রেনি, কলেজ, মাদ্রাসা ও ইউনিভার্সিটি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। এই প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের দক্ষতা প্রকাশ করার পাশাপাশি পাবে বিভিন্ন ধরনের পুরষ্কার ও বিভিন্ন কোম্পানি তে চাকরির সুযোগ।

স্বপ্নবাজ তরুণ উদ্যোক্তা ফখরুল ইসলাম

আশিক ফ্যাশন:

স্বপ্ন তো সবাই দেখে কিন্তু তা বাস্তবায়ন করতে পারে কয়জন। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই স্বপ্নবাজ। কেউ কেউ কাঙ্খিত স্বপ্নের সাফল্যর চূড়ায় পৌঁছাতে পারে কেউবা ব্যর্থ হয়ে হাল ছেড়ে দেয়। ব্যর্থতা জানা সত্ত্বেও যারা চেষ্টা করে যায় তারই আজ সফল। সমাজে এমন ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে। এমনই এক তরুণ স্বপ্নবাজ উদ্যোক্তা ও সাংবাদিক ফখরুল ইসলাম। স্কুলের গন্ডি পেরানোর আগেই তিনি স্বপ্ন পূরণের যুদ্ধে নামেন। তার শুরুটা অক্সফোর্ড স্কুল কিন্ডারগার্ডেন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে।



জননন্দিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড স্কুল কিন্ডার গার্ডেন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি যাত্রা শুরু করেন স্বপ্ন পূরনের।

তারপর ভবানীপুর গ্রামের একঝাঁক শিশু কিশোর দিয়ে আকাশ সমান আশা নিয়ে এগিয়ে যান তিনি। সফলতার সাথেই তিনি এগিয়ে যান তার এই স্কুলটাকে নিয়ে।



ব্যাক্তি জীবনে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আদর্শ লালন করেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলিগের তিনি একজন অন্ধ প্রেমিক। জীবনের চেয়েও তিনি আওয়ামী লীগকে বেশি ভালো বাসেন। দল থেকে কোন পদ পদবী না পেলেও তাতে তার কোন আফসোস নেই। তিনি বলেন, তার শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও তিনি এদেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন।

তার অক্লান্ত পরিশ্রম আর সততার মাধ্যমে তিনি ভৈরবে একজন পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।



গত কিছুদিন আগে তিনি “দৈনিক বাংলাদেশ সংবাদ” পত্রিকার কিশোরগঞ্জের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করেন।


এটি নিয়েই ফখরুল ইসলামের সব ধ্যান-জ্ঞান। ফখরুল ইসলামের চেনা জানার পরিধি বাড়ার সাথে সাথে স্বপ্নগুলোও বড় হতে থাকে। শৈশবে তার মনে নানা স্বপ্ন বাসা বাঁধলেও বর্তমানে তার একমাত্র লক্ষ নিজেকে সফল ব্যাক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। সম্প্রতি এই তরুণ উদ্যোক্তা পেয়েছেন ভৈরবের আপামর জনতার ভালোবাসা।

তরুণ উদ্যোক্তাদের সবচেয়ে বড় মূলধন নতুন কোন ধারণা, পণ্য কিংবা সেবা নিয়ে কাজ করার মেধা। দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থীরাই পড়াশোনা করেন চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে। কিন্তু চাকরির বাজারে হাহাকার। তাই সময় এসেছে চাকরি করব না চাকরি দিব-সেই ভাবনার। আর তাই মেধা, সাহস, পরিশ্রম আর ভিন্নধর্মী আইডিয়া নিয়ে অনেকেই এখন হচ্ছেন উদ্যোক্তা। তেমনই একজন স্বপ্নবাজ তরুণ উদ্যোক্তা ফখরুল ইসলাম। বর্তমানে উদ্যোক্তা হওয়ার সহজ মাধ্যম ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। তাই তিনি গড়ে তুলতে চান ফখরুল ইসলাম এফ.কে মিডিয়া বিডি ডটকম।

ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘ এফ.কে মিডিয়া বিডি ডটকম বিনোদন, খেলাধুলা, তথ্য প্রযুক্তি, কর্পোরেট, ভ্রমণ, সাহিত্যসহ আরও বেশকিছু বিভাগ নিয়ে কাজ করবে। আমাদের লক্ষ হচ্ছে সমাজের পজিটিভ বিষয়গুলো মানুষের কাছে পৌঁছায় দেওয়া। সারাবিশ্বে এফ.কে মিডিয়া বিডি ডটকম ছড়িয়ে দিতে চাই। তরুণদের তৈরি করতে চাই উদ্যোক্তা হিসেবে।’

ফতুল্লায় গোলাম রাব্বী নামে এক মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ

নিউজ ডেস্ক:

ফতুল্লার দেলপাড়ায় অভিযান চালিয়ে ২০ পুড়িয়া হেরোইনসহ এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। গত সোমবার (৮ই আগস্ট) রাতে দেলপাড়া চেয়ারম্যান বাড়ী রোড এলাকার ওবায়দুলের বাড়ীর সামনে থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় আরও দুই যুবক। পুলিশের দাবি আটককৃত যুবক একজন মাদক ব্যাবসায়ী।

আটককৃত মাদক বিক্রেতা হলেন- দেলপাড়া চেয়ারম্যান বাড়ী রোড এলাকার ওবায়দুলের বাড়ীর ভাড়াটিয়া আব্দুর রশিদের ছেলে মোঃ গোলাম রাব্বী (২২)। পালিয়ে যাওয়া দুই যুবক হলেন মনির (২৮) ও রিয়াদ (২৮)।

পুলিশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক এস আই জাহিদ হাসান জুয়েল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সোমবার রাতে আনুমানিক ১০ টার দিকে অভিযান চালিয়ে গোলাম রাব্বিকে আটক করতে সক্ষম হন। এই আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী ব্যাক্তি দীর্ঘদিন থেকে মাদকের ব্যবসা করে আসছিলেন।


তিনি আরোও বলেন, এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয় ।

বিয়ের আগে জীবন সঙ্গীনি

আফফান ওয়াবাইদুল,

বিয়ের আগে জীবনসঙ্গীনী সম্পর্কে ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহ) এর ছেলেকে দেয়া নসীহত:

নারীরা সাধারণত রোমান্টিকতা পছন্দ করে। খুনসুটি রসিকতা পছন্দ করে। নখরা-ন্যাকা তাদের স্বভাবগত। তারা ভালবাসার স্পষ্ট প্রকাশকে খুবই পছন্দ করে। তুমি একান্তে স্ত্রীর কাছে এসব কথা প্রকাশে কখনোই কার্পণ্য করবেনা। তাকে বেশি বেশি ভালোবাসার কথা বলবে। যদি এসবে কার্পণ্য কর, তাহলে দেখবে কিছুদিন পরই তোমার আর তার মাঝে একটা অদৃশ্য পর্দা ঝুলে গেছে। এরপর দিনদিন পরস্পরের সম্পর্কে শুষ্কতা আসতে শুরু করবে। ভালবাসা জানলা দিয়ে পালাবার পথ খুঁজবে।

নারীরা কঠোর-কর্কশ-রূঢ় বদমেজাজি-রুক্ষস্বভাবের পুরুষকে একদম পছন্দ করেনা। তোমার মধ্যে এমন কিছু থাকলে এখুনি ঝেড়ে ফেল। কারণ তারা সুশীল,ভদ্র,উদার পুরুষ পছন্দ করে। তুমি তার ভালবাসা অর্জনের জন্য,তাকে আশ্বস্ত করার জন্য হলেও গুণগুলো অর্জন কর।

এটা খুব ভালো করে মনে রাখবে, তুমি তোমার স্ত্রীকে যেমন পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, পরিপাটি, গোছালো, সুরুচিপূর্ণ, সুগন্ধিময় দেখতে চাও, তোমার স্ত্রীও কিন্তু তোমাকে ঠিক তেমনটাই চায়। তাই সাবধান থাকবে,তার চাহিদা পূরণে যেন কোন অবস্থাতেই তোমার পক্ষ থেকে বিন্দুমাত্র অবহেলা না হয় ।

ঘর হল নারীদের রাজ্য। একজন নারী নিজেকে সবসময় সেই রাজ্যের সিংহাসনে আসীন দেখতে খুবই পছন্দ করে। সে কল্পনায়,স্বপ্নে, বাস্তবে এই রাজ্য নিয়ে ভাবে। সাজায়,রচনা করে। খুবই সাবধান থাকবে। কখনোই তোমার স্ত্রীর এই সুখময় রাজত্বকে ভেংগে দিতে যেও না। এমনকি তাকে সিংহাসন থেকে নামিয়ে দেয়ার প্রয়াশও চালাবেনা। তুমি তো জানোই,আল্লাহ্ তা’আলার কাছে সবচেয়ে অপছন্দজনক বিষয় কী?

  • তাঁর সাথে কোনকিছু শরীক করা।
  • হ্যাঁ, ঠিক বলেছো। একজন রাজার কাছেও সবচেয়ে ঘূণিত বিষয় কী?
  • তার রাজ্যে অন্য কেউ হস্তক্ষেপ করা।

নারীরা তার স্বামীকে মনে প্রাণে,সর্বান্তঃকরণে প্রবলভবে স্বামীকে পেতে চায়। তবে পাশাপাশি বাপের বাড়িকেও হারাতে চায় না। হুঁশিয়ার থেকো বাবা! তুমি ভুলেও নিজেকে আর স্ত্রীর পরিবারকে এক পাল্লায় তুলে মাপতে শুরু করে দিওনা। তুমি এ অন্যায় দাবী করে বসো না ‘হয় আমাকে বেছে নাও,নাহলে তোমার বাবা-মাকে। তুমি এই বিষয়টা চিন্তাতেও স্থান দিও না। তুমি তাকে এমনটা করতে বাধ্য করলে সে হয়তো চাপে পড়ে মেনে নিবে। কিন্তু তার মনের গহীনে কোথাও একটা চাপা বোবা কান্না গুমরে মরতে থাকবে। তোমার প্রতি এক ধরনের সুপ্ত অশ্রদ্ধা তার কোমল মনে জেগে উঠবে।

তুমি জানো, অনেক শুনেছো এবং পড়েছো নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে বাহু (বা পাজরের) বাঁকা হাড় থেকে। এই বক্রতা কিন্তু তার দোষ নয়, সৌন্দর্য। তুমি চোখের ভ্রু লক্ষ করে দেখেছ? সেটার সৌন্দর্যটা কোথায়?

  • বক্রতায়
  • একদম ঠিক কথা। বক্রতাই ভ্রুকে সুন্দর করে তোলে। ভ্রুটা যদি সোজা হত, দেখতে সুন্দর লাগতো না। যদি তোমার স্ত্রী কোন ভুল করে ফেলে, অস্থির হয়ে রেগেমেগে হামলা করে বসোনা। উত্তেজিত অবস্থায় তাকে সোজা করতে যেওনা, তাহলে অতিরিক্ত চাপে ভেঙে যাবে। আর ভাঙা মানে বুঝোই তো, তালাক! আবার সে অনবরত ভুল করে যেতে থাকলে ভেঙে যাওয়ার ভয়ে কিছু না বলে লাগামহীন ছেড়েও দিওনা। তাহলে বক্রতা যে আরো বেড়ে যাবে। নিজের ভেতরে গুটিয়ে যাবে। তোমার প্রতি আচরণ উদ্ধত হয়ে যাবে। তোমার কথায় কান দিবেনা।
  • তাহলে কী করব?

মাঝামাঝি অবস্থানে থাকবে।

তুমি ঐ হাদিসটা পড়ো নি?

  • কোনটা?
  • ঐ যে,যার ভাবার্থ হল,নারীদের সৃষ্টি করা হয়েছে এমনভাবে যে,তারা স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়। তার প্রতি অতীতে কৃত সব সদ্ব্যবহার-সদাচার ভুলে যায়। তুমি যদি তার প্রতি যুগ-যুগান্তরও সুন্দর আচরণ কর, হঠাৎ একদিন কোনক্রমে একটু রূঢ় আচরণ করে ফেলেছ, ব্যাস অমনিইই সে নাকের জল চোখের জল এক করে ফেলবে আমি তোমার কাছে কখনোই ভালো কিছু পাইনি।

দেখো বাছা! তার এই আচরণে রুষ্ট হয়োনা। তার এই চপল স্বভাবের প্রতিক্রিয়ায় তার প্রতি বিতৃষ্ণা এনো না। তার এই স্বভাবকে তুমি অপছন্দ করলেও, তার মধ্যে এমন অনেক কিছু পাবে, যা তুমি শুধু পছন্দই করোনা, বরং জানও লড়িয়ে দিতে পারো।

নারীদের শরীর মনের অবস্থা সবসময় একরকম থাকে না। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট একটা সময় তাদের শারীরিক দুর্বলতা থাকে। অনেকসময় মানসিক অস্থিরতাও বিরাজ করে। তাদের এই দুর্বলতা, অসহায় অবস্থার কথা বিবেচনা করে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের নির্দিষ্ট সময়ের নামাজ মআআফ করে দিয়েছেন। রোযাকে পিছিয়ে দিয়েছন তার স্বাস্থ্য ও মেজাজ ঠিক হওয়া পর্যন্ত। তুমিও তোমার স্ত্রীর দুর্বল মুহুর্তগুলোতে তার প্রতি কোমল হবে।

সবসময় মনে রেখো, তোমার স্ত্রী তোমার কাছে অনেকটা দায়বদ্ধ। বিভিন্নভাবে তোমার মুখাপেক্ষী। তোমার সুন্দর আচরণের কাঙাল। তুমি তার প্রতি যত্নবান হবে। তার প্রতি অনেকবেশি মনোযোগ দিবে। তাকে আপন করে নেবে। তাহলে সে তোমার জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদে পরিণত হবে। তাকে অনুপম সংগী হিসেবে পাবে।

নারায়নগঞ্জের ফতুল্লায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী ‘কেচরা মানিক’ গ্রেপ্তার

ফতুল্লায় স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় স্বামী আটক

নিউজ ডেস্ক:

টঙ্গীতে দুই কিশোর গ্রুপের ৭ জন গ্রেপ্তার

নিউজ: একাত্তর টিভি

গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই ‘কিশোর গ্যাং’র প্রধানসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, বুধবার (৩ আগস্ট) থেকে বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) পর্যন্ত একাধিক অভিযানে দুই ‘কিশোর গ্যাং’র সাত সদস্যকে হামলা ও মারধর মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, টঙ্গী পশ্চিম থানার কাঠালদিয়া এলাকার এনামুল হক অনিক (৩১), বড় দেওড়া এলাকার রাশেদ খান মেনন (২৫), তাজুল ইসলাম (২৫), আল-আমিন (২৮), মোজাফফর হোসেন (২৮), টঙ্গী পূর্ব থানার গোপালপুর এলাকার রিফাত (২৪) ও আজাহার হোসেন (২১)। 

এদের মধ্যে ছাত্রলীগ কর্মী রাশেদ খান মেনন এবং এনামুল হক অনিক দুই ‘কিশোর গ্যাং’ দলের দলনেতা। 

উল্লেখ্য, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই ‘কিশোর গ্যাং’র মধ্যে বুধবার (৩ আগস্ট) রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানার সামনে মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় ঘটনার ভিডিও ধারণকালে স্থানীয় সাংবাদিক আরিফ চৌধুরীর উপর হামলা চালায় ওই দুই গ্যাংয়ের সদস্যরা। 

পরে ওই হামলার ঘটনায় তিনি ১১ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

দাঁড়ি না রাখার ক্ষতিসমূহ

ওবায়দুল্লাহ


১. দাঁড়ি মুন্ডালে অথবা এক মুষ্টি থেকে ছোট করলে শি‘আরে ইসলাম তথা মুসলমানদের জাতীয় নিদর্শন এবং শরী‘আতের হুকুম তরক করা হয়। যা জায়েয নয়।

২. আল্লাহ তা‘আলার খিলকাত ও সৃষ্টি বৈশিষ্ট্যকে নষ্ট করা হয়। (বুখারী শরীফ হাদীস নং ৫৮৮৬, মেরকাত ৮/২৭৯)

৩. পুরুষ জাতি মহিলাদের সাদৃশ্য হয়ে যায়, যা শরী‘আতে হারাম।

৪. চোখের দৃষ্টি শক্তি হ্রাস পেতে থাকে।

৫. সূরাহ-ক্বিরাআত সহীহ থাকলেও শরী‘আতে তার আযান, ইক্বামত ও ইমামতির যোগ্যতা থাকে না। কেননা যে দাঁড়ি এক মুষ্টির কম করে রাখে সে ফাসিক, আর ফাসিক ব্যক্তি ইমাম ও মুআযযিন হওয়ার যোগ্য নয়। (আদদুররুল মুখতার ১/৫৬৭)

৬. মুসলমানদের সম্মান ও সালাম পাওয়ার যোগ্য হয় না। কেননা ফাসিককে সালাম দেওয়া মাকরুহ। (ফাতাওয়ায় শামী ৬/৪১৫)

৭. চেহারার নূর চলে যায় এবং প্রকৃত সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে পারস্যের দাঁড়িবিহীন দূতকে মহানবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেখে চেহারা ফিরিয়ে নিয়ে বলেছিলেন যে, তোমার চেহারা এত বিশ্রী বানাতে কে বলেছে? (আল বিদায়া ওয়ান নেহায়া ৪/২৯১)

তাছাড়া দাঁড়ি মুন্ডালে অল্প দিনেই তার দাঁড়ি পেকে সাদা হয়ে যায়। যার ফলে তখন তার দাঁড়ি রাখতে ইচ্ছা করলেও লজ্জার দরুন তা রাখা মুশকিল হয়।

৮. বিভিন্ন ধরনের গুনাহ থেকে বাঁচা কঠিন হয়ে যায় এবং সহজে বিভিন্ন গুনাহের মধ্যে জড়িয়ে পড়তে হয়।

৯. শেভ করার মাধ্যমে সময় ও অর্থের অপচয় হয়। যা স্পষ্ট নাজায়েয। (সূরায়ে বনী ইসরাঈল ২৬,২৭)

১০. তার শরাফত বা বুযুর্গী নষ্ট হয়ে যায় এবং মানুষ তাকে ফাসিক, পাপী ও নাফরমান ইত্যাদি বলে স্মরণ করে থাকে।

১১. ঐ ব্যক্তি মুমিন, নাকি কাফের? তা বুঝা যায় না এবং তার হকও আদায় করা যায় না।

১২. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের অন্তর মুবারকে আঘাত দেয়া হয়।

১৩. অন্যান্য গুনাহ একবার করলে তার বাহ্যিক আছর পরক্ষণেই অদৃশ্য হয়ে যায়। কিন্তু দাঁড়ি না রাখলে সর্বদা গুনাহগার হিসাবে চিহ্নিত হতে থাকে।

১৪. পুরুষের সৌন্দর্যের বিকৃতি ঘটে এবং তার গাম্ভীর্যতা শেষ হয়ে যায়।

১৫. দাঁড়িবিহীন লোক রাস্তা ঘাটে মারা গেলে তার গোসল, কাফন-দাফন নিয়ে দারুণ সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাকে শশ্মানে নেয়া হবে? নাকি গোরস্থানে নেয়া হবে? তা নির্ণয় করাও মুশকিল হয়ে যায়।

১৬. কবরে মুনকার-নাকীরের সুওয়াল-জওয়াব কঠিন হয়ে যাবে।

১৭. হাশরের ময়দানে উম্মতে মুহাম্মাদী বলে দাবী করা ও উম্মতে মুহাম্মাদী হিসেবে পরিচয় দিয়ে শাফা‘আতের আশা করাও মুশকিল হবে।

৩ দফা দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিউনিস্ট পার্টির কর্মসূচি পালন

আরিফুল ইসলাম

বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি নারায়নগঞ্জ জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করেন জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। আজ সোমবার (৬ জুন) বিকাল ৩টার দিকে নারায়নগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে এই আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হয় ।

আন্দোলন কর্মসূচিতে নারায়নগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা তিন দফা দাবিতে বক্তব্য রাখেন। দাবিগুলো হলো-

১. সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের সু-চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ।

২. অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে।

৩. গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্বান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

উক্ত কর্মসূচিতে বক্তারা সরকারের নানাবিধ সমস্যার গঠন মূলক সমালোচনা করেন।

ফতুল্লায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার

আরিফুল ইসলাম

৫ বছরের সাজা এড়াতে দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে থাকার পর অবশেষে ফতুল্লায় র‍্যাবের হাতে আটক হয়েছেন বশির খান নামের এক পলাতক আসামি।

শুক্রবার (২০ মে) অভিযান পরিচালনা করে ফতুল্লায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে প্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীর নাম মো. বশির খান (৩৫)। বশির কুতুবপুর শাহী মহল্লার মৃত আনসার আলী খানের ছেলে।

সাজা প্রাপ্ত পলাতক আসামী বশির খান (৩৫) কে আদালত কর্তৃক ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ডসহ ১০হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর শাহী মহল্লা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার পলাকত আসামী মো. বশির খান (৩৫) কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব-১১।

র‌্যাব-১১ উপ-পরিচালক (স্কোয়াড্রন লীডার) এ কে এম মুনিরুল আলম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানান।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ফতুল্লা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ভৈরবের শীর্ষস্থানীয় গাঁজা ব্যবসায়ী ”হোসেন আলী” র‍্যাবের হাতে আটক

নিউজ ডেস্ক:

বি-বাড়িয়ায় র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজা সহ ভৈরবের শীর্ষস্থানীয় গাঁজা ব্যবসায়ী হোসেন আলী (২৫) কে আটক করেছে র‌্যাব। সোমবার (২৫ এপ্রিল) সকালে র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে চেকপোস্ট বসিয়ে আটক করা হয় তাকে। র‌্যাবের বিশেষ ক্রাইম ইউনিটের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

আটককৃত হোসেন আলী (২৫) হলো– ভৈরব উপজেলার কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নের চরেরকান্দা গ্রামের পাগলা বাড়ির রহম আলীর ছেলে।

র‌্যাব আরও জানায়, আটককৃত ব্যক্তি হোসেন আলীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য গাঁজা নিজের হেফাজতে রেখে পরিবহনের মাধ্যমে ভৈরবসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বি-বাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হোসেন আলী দীর্ঘদিন যাবত অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে কালিকা প্রসাদ সহ নিলক্ষিয়া ও এর আশেপাশের এলাকায় গাঁজা সরবরাহ করে আসছে। হোসেন আলীর এই অনৈতিক ব্যাবসার জন্য কালিকা প্রসাদ গ্রামের যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। তার এই অনৈতিক গাঁজা ব্যাবসার জন্য এলাকার প্রতিটি মানুষ ক্ষিপ্ত। তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বংশের দাপট দেখিয়ে ভয় ভীতি দেখাতো এই মাদক ব্যাবসায়ী।

তাকে আজ র‌্যাবের হাতে আটকের পর শান্তির নিশ্বাস ছাড়ছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর দাবি থাকে যেন আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার করা হয়। যাতে করে সে আর এরকম অবৈধ ব্যাবসা না করতে পারে।

সাহাবাদের ধৈর্য

নিউজ ডেস্ক

আমরা তো অল্প একটু দুঃখ কষ্টের মধ্যে পড়লেই হা-হতাশ শুরু করে দেই! অথচ, সাহাবীদের অবস্থা কেমন ছিল!
.
আসুন দেখি দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানুষদের কিছু অবস্থা..
.
আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, “আমি ৭০ জন (আহলে সুফ্ফাকে) এই অবস্থায় দেখেছি, তাদের কারও কাছে (গা ঢাকার জন্য) চাদর ছিল না, কারও কাছে লুঙ্গী ছিল এবং কারও কাছে চাদর, (এক সঙ্গে দুটি বস্ত্রই কারও কাছে ছিল না) তারা তা গর্দানে বেঁধে নিতেন। অতঃপর সেই বস্ত্র কারও পায়ের অর্ধগোছা পর্যন্ত হত এবং কারও পায়ের গিরা পর্যন্ত। সুতরাং তাঁরা তা হাত দিয়ে জমা করে ধরে রাখতেন, যেন লজ্জাস্থান দেখা না যায়।” (সহীহ বুখারী, ৪৪২)
.
আহ্হা! দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানুষদের অবস্থা..
.
মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন (আবু হুরাইরা) আমি অজ্ঞান হয়ে রাসূল সা: -এর মিম্বার ও আয়েশা রাদিআল্লাহু আনহা-এর ঘরের মাঝামাঝি জায়গায় পড়ে ছিলাম। অতঃপর একজন ব্যক্তি আসল। সে তার পা আমার কাঁধে রাখল। সে মনে করেছে আমি পাগল। অথচ আমি পাগল নই বরং আমি ক্ষুধার কারণে এভাবে ছিলাম। (সহীহ বুখারী, ৭৩২৪ ও তিরমিযী, ২৩৬৭)
.
আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, “মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবার কোনো সময়ই পরপর দুই দিন পরিতৃপ্তির সাথে যবের রুটি খেতে পায়নি, এমনকি এভাবেই তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় নেন।” (ইবনু মাজাহ, ৩৩৪৬)
.
উরওয়া রাহিমাহুল্লাহ, আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলতেন, “আল্লাহর কসম! হে আমার বোনের ছেলে, এমনও হয়েছে যে দুই মাসে রাসূলের বাড়িতে কোনো দিন চুলা জ্বলেনি।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “হে খালা! তাহলে আপনারা কীভাবে জীবন কাটাতেন?” আয়েশ রাদিআল্লাহু আনহা বলেন, “পানি ও খেজুর দিয়ে।” (সহীহ মুসলিম, ২৯৭২)
.
এই হলো দুনিয়ার সর্বকালের সেরা মানুষগণের অবস্থা। তাদের জীবন থেকে কিঞ্চিত পরিমাণ মাত্র নমুনা হিসাবে উপস্থাপন করেছি।
সত্যি বলতে কী, আল্লাহর নিকট যেমন দুনিয়ার বিন্দুমাত্র মূল্য নাই, তেমনি তাঁর প্রকৃত বান্দাদের নিকটেও দুনিয়ার বিন্দুমাত্র মূল্য নাই। তাদের জীবনের স্বপ্ন ও আশা কোনো সময়ই দুনিয়াভিত্তিক গড়ে উঠেনি। তাদের লক্ষ্য সব সময় পরকাল।
.
আল্লাহ তাআলা বলেন, “তোমরা কি মনে করো যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে অথচ তোমাদের উপর দিয়ে তা বর্তিত হয়নি, যা তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর বর্তিত হয়েছে। তাদেরকে স্পর্শ করেছিল দুঃখ-দুর্দশা ও সীমাহীন কষ্ট। (বিপদের ঝঞ্ঝায় ) তারা টলে উঠেছিল। এমনকি রাসূল ও তাঁর সাথে যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিলো (সাহাবিরা) তারা বলে, কখন আল্লাহর সাহায্য আসবে? জেনে রাখো! নিশ্চয় মহান আল্লাহর সাহায্য অনেক নিকটবর্তী।” (বাক্বারাহ, ২১৪)
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂

টিপ কাণ্ডের পর পরই আলোচনায় হিজাব কান্ড

ছবি: কালের কন্ঠ

মসাফির মিজান, কালিকা প্রসাদ

এক পুলিশ সদস্য একজন শিক্ষিকাকে টিপ নিয়ে লাঞ্চিত করায় সারাদেশ বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলো।
অনেক পুরুষ টিপ পরে প্রতিবাদ করেছেন।
সেই প্রতিবাদকে সাধুবাদ জানাই।

এখন দেখা যাবে ব্যক্তি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল সেকুলার সমাজ,নারীবাদীরা ২০ জন ছাত্রীকে ইউক্যালিপটাস গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আহত করার জন্য কি আন্দোলন করেন।

সংসদে মাননীয় এমপি সুবর্ণা মুস্তফা কি বক্তব্য দেন শুনতে চাই।

এই ঘটনায় সেই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে মামলা হয় কিনা,তাকে বরখাস্ত করে তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তি দেওয়া হয় কিনা তা দেখতে চাই।

হিজাব পরে সাজু খাদেম,সুপ্রীতি ধরেরা প্রতিবাদী ছবি দেন কিনা দেখতে চাই।

ছবি: বিডি২৪লাইভ.কম

এই ঘটনায় কেউ বলে কিনা বাংলাদেশ মুসলিমদের জন্য আর নিরাপদ নয়।

হিজাব পরা নারীর চয়েজ।
তার ব্যক্তি স্বাধীনতা।
তার ধর্মীয় কর্তব্যে ফরজ।
সেখানে একজন হিন্দু শিক্ষিকা হিজাব পরার জন্য ছাত্রীদের পেটানোয় সুশীলরা কি হিন্দু ধর্মকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন?

টিপ নিয়ে কোটি কোটি শব্দের পোস্ট প্রসব যারা করেছেন, তারা হিজাব নিয়ে অন্তত হাজার শব্দের পোস্ট দেন কিনা খেয়াল করবেন।

মজা দেখার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখুন।
এখন দেখবেন চারদিকে সুনশান নীরবতা।
সেকুলার প্রগতিশীল নামধারী,নারীবাদী এক্টিভিস্ট কি ধরনের double standard বদমাইশ তা টের পেয়ে যাবেন অনায়াসে।

সেই শিক্ষিকা শুধু হিজাব নয়,মাস্ক পরার জন্য কয়েকজনকে পিটিয়েছেন।
প্যান্ডেমিকে মাস্ক পরার জন্য ছাত্রীদের নাজেহাল করেছেন যিনি তাকে তো মহামারী নিয়ন্ত্রণ আইনেও শাস্তি দেওয়া উচিত।
সেই শাস্তি এই শিক্ষিকা পান কিনা দেখেন।

দেশের বিবেকবান, সুশীল নাগরিকদের বিবেকের কদর্যতা এই ঘটনায় টের পাবেন অনায়াসে।
চোখ রাখুন চারপাশে।

ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ার জিন্দেগী

ওবায়দুল্লাহ, ব্লগার

হে মানুষ ! দুনিয়ার আনন্দ – ফূর্তি তো স্থায়ী কিছু নয় , বরং অল্প কয়েকদিনের ব্যাপার মাত্র । অতএব , জান্নাতের চিরস্থায়ী সুখ – শান্তিকে তুমি এ ক্ষণস্থায়ী আনন্দ – ফূর্তির দ্বারা নষ্ট করিয়া ফেলিও না ।

এই দুনিয়ায় থাকিয়া কোন মানুষেরই উচিত না গাফেল হইয়া থাকা । প্রতিটি মুহূর্তে মৃত্যুর কথা স্মরণে রাখাই তার কর্তব্য । কারণ , মানুষ যখনই দুনিয়াতে আসে , মৃত্যু তাহাকে ডাকিয়া বলে , আমিও তোমার পিছনে – পিছনে আসিতেছি ,

এই মাহে রমজান হোক নিজেকে পরিবর্তনের মাস ,
রবের পথে ফিরে আসার মাস,
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে
সঠিক বুঝ দান করুন
————————আমিন —–

ফতুল্লার কাশীপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সার্বজনীন মিলন উৎসব-২০২২।উপস্থিত থাকবেন একেএম শামীম ওসমান।

নিউজ ডেস্ক, বার্তাকক্ষ। ১০:১৯ pm

কাশীপুর সার্বজনীন মিলন উৎসব কমিটি-2022 এর পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) বিকাল আড়াইটা হতে রাত ১১ টা পর্যন্ত কাশীপুর হাটখোলা মাঠে সরকারি বিধি-নিষেধ মেনে, কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক সহযোগিতায় উক্ত উৎসবটি অনুষ্ঠিত হবে।

কাশীপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সর্বসাধারণ ও বিভিন্ন পর্যায়ের আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য এই মিলন উৎসবে থাকবে বিভিন্ন আয়োজন, যেমন: খেলাধুলা, শিশু বিনোদন, তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, মিলনমেলা, ফটোগ্রাফি, গুণীজন সম্মাননা (মুক্তিযুদ্ধ, সমাজসেবা ও শিক্ষা-মানবসম্পদ উন্নয়ন), নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি পরিচিতি, স্মৃতিচারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময়, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজ।

এ সময় উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ.কে.এম শামীম ওসমান।

উক্ত অনুষ্ঠানে উৎসব অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, পিপিএম (বার) পুলিশ সুপার, নারায়নগঞ্জ ।

এছাড়াও দেশের বিশিষ্ট পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত, বরেণ্য লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক জনাব আনিসুল হক, এবং খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক জনাব সুজন বড়ুয়া উক্ত অনুষ্ঠানে ‘উৎসব বক্তা (প্রি-রেকর্ডেড ভিডিও)’ হিসেবে যুক্ত হয়ে বিশেষ সামাজিকবার্তা প্রদান করবেন।

সার্বজনীন মিলন উৎসব কমিটির আহ্বায়ক বুয়েটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল হোসেনের মতে, ইউনিয়নের সর্ব সাধারণের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণ ও আদর্শিক সমাজব্যবস্থা গঠনের সহায়ক হিসেবেই এই সার্বজনীন মিলন উৎসব সূচনা করা হচ্ছে। উৎসবে কাশীপুরের বিশেষ দিকসমূহ উপস্থাপন করা হবে।

নারায়নগঞ্জের ফতুল্লায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী ‘কেচরা মানিক’ গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ইসদাইর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয় ওয়ারেন্টভূক্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামী কেচরা মানিককে। সোমবার (২১ মার্চ) অভিযানটি পরিচালনা করেন র‌্যাব-১১।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী ফতুল্লা গাবতলী টাগারপাড় এলাকার আব্দুস সামাদ মিয়ার ছেলে মানিক ওরফে পিচ্ছি কেচরা মানিক (৩৫)।

র‌্যাব-১১ উপ-পরিচালক (স্কোয়াড্রন লীডার) এ কে এম মুনিরুল আলম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সোমবার ফতুল্লায় ইসদাইর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ফতুল্লা মডেল থানার হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী মানিক ওরফে পিচ্ছি কেচরা মানিককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। ফতুল্লা মডেল থানায় গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফতুল্লায় যুবলীগের কার্যালয়ে হামলা, থানায় অভিযোগ

আশিক: ফতুল্লার কাশিপুরে যুবলীগের কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্থানীয় যুবদল নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যালয়ে টানানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে।


ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (২০ মার্চ) রাত এগারোটায় ফতুল্লা থানার কাশিপুরস্থ ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ সড়ক সংলগ্ন শাহিনুর আলমের বাড়ীতে অবস্থিত কাশিপুর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের কার্যালয়।

এ ঘটনায় জহিরুল ইসলাম দেওয়ান (৪৫) নামক স্থানীয় এক এক যুবলীগ নেতা বাদী হয়ে যুবদলের রাজনীতির সাথের জড়িত মুসলিম (৩৮), মোঃ সোহেল (৩৫),জাহিদ হাসান (৪৫), মোঃ রনি (৩৫),মোঃ মিঠুন (৩৫),মোঃ হিমেল (২৮),পাভেল (২৮),রুবেল (২৬),, হোসেন (৪০), আরিফ (২৮), অনিক (২৪) সহ অজ্ঞাতনামা ৬০/৭০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, ফতুল্লা থানার উত্তর কাশিপুর ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ সড়ক সংলগ্ন আলহাজ্ব শাহিনুর আলমের বাড়ীর নীচনতলায় অবস্থিত কাশিপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের কার্যালয়। কার্যালয়টিতে যুবলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম চলে আসছিল।

রোববার (২০ মার্চ) রাত ৮ টার দিকে ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের কার্যালয় বন্ধ করে নেতা-কর্মীরা ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এম সাইফুল্লাহ বাদলর বাসায় যায়। সেখান থেকে দলীয় সাংগঠনিক বিষয়ে আলাপ আলোচনা শেষে রাত্র অনুমান ১০ টার সকলেই নিজ নিজ বাসায় চলে যায়। দিবাগত রাত সোয়া বারোটার দিকে অভিযুক্ত আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৬০/৭০ জন রাম দা, ছুরি, চাকু, লোহার রড, কাঠের ডাসা, হকিষ্টিক, ইট পাটকেল ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের কার্যালয়ের সামনে আসিয়া যুবলীগ নেতাকর্মীদের নাম ধরিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের কার্যালয়ে হামলা চালাইয়া কার্যালয়ের বাইরে থাকা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত ফেস্টুন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ফেস্টুন, সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ কে এম শামীম ওসমান, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এম সাইফুল্লাহ্ বাদল ও ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব এম শওকত আলীট ছবি সম্বলিত ফেস্টুন কোপাইয়া ও ভাংচুর করে এবং উক্ত কার্যালয় সংলগ্ন দোকানপাটের সাটারে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করিয়া এলাকায় আতংক ছড়ায়।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন কর হবে।অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেফতারের চেস্টা করছে পুলিশ।

আজ তনুশ্রী দত্তের জন্মদিন

তনুশ্রী দত্তের কোন কোন মুভি তুমি দেখেছো?
বলিউড অভিনেত্রী ও মডেল তনুশ্রী দত্ত-এর আজ জন্মদিন।
২০০৩-এ ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া খেতাব জেতেন তনুশ্রী। ২০০৪-এ মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতাতেও অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। প্রথম ১০ জনের মধ্যেও ছিলেন। এরপর ২০০৫-এ ইমরান হাশমির সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘আশিক বনায়া আপনে’ দিয়ে বলিউডে যাত্রা শুরু। সুপার হিট হয়েছিল সেই ছবি। শুধু মডেলিং বা অভিনয়ই নয়, নাচ-গান দুটিতেই পারদর্শী তনুশ্রী।
তানুশ্রী দত্ত১৯৮৪ সালের ১৯শে মার্চ জন্মগ্রহণ করেন ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুরে একটি রক্ষণশীল বাঙালি হিন্দু পরিবারে।
‘আশিক বনায়া আপনে’র পরও বেশকিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন তনুশ্রী। কিন্তু বলিউডে নিজের জায়গা ধরে রাখতে পারেননি। ধীরে ধীরে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে।
#তনুশ্রী_দত্ত #১৯_মার্চ

লাইলাতুল বরাত এর ফযীলত

লাইলাতুল বরাতের ইবাদতের ফজিলত

পবিত্র লাইলাতুল বরাত এক মহিমান্বিত রাত। ১৫ শাবান অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনেক হাদিস রয়েছে। এই বরকতময় রাত ইবাদত বন্দেগিতে কাটানো উত্তম। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত জেগে থাকবে তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে।

বরকতময় ওই পাঁচটি রাত হলো-
১. জিলহজের অষ্টম রাত।
২. জিলহজের নবম রাত।
৩. ঈদুল আজহার রাত।
৪. ঈদুল ফিতরের রাত।
৫. শাবানের ১৫ তারিখের রাত।
(আত্তারগিব ওয়াত্তারহিব)।

রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১৫ শাবানের রাত ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাতেন। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, এক রাতে আমি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিছানায় পেলাম না।
তাই তাঁকে খোঁজার উদ্দেশে বের হলাম। দেখতে পেলাম, তিনি জান্নাতুল বাকিতে আছেন। আমাকে দেখে তিনি বলে উঠলেন, ‘তুমি কি এই আশঙ্কা করছ যে, আল্লাহ এবং তাঁর রসুল তোমার সঙ্গে অবিচার করবে? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসুল! আমি ধারণা করছিলাম, আপনি অন্য কোনো বিবির ঘরে তাশরিফ নিয়েছেন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, শাবানের ১৫ তারিখ রাতে মহান আল্লাহতায়ালা দুনিয়ার আসমানে তাশরিফ আনেন এবং বনু কালব গোত্রের ভেড়া-বকরির পশুগুলোর পশমের চেয়েও অধিক সংখ্যক লোককে তিনি মাফ করে দেন। ’ (তিরমিজি ইবনে মাজাহ, বায়হাকি, মুসনাদে আহমদ)।
রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস শাবানের ১৫ তারিখের রাতে নফল ইবাদতের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। হজরত আলী (রা.) বর্ণিত, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, শাবানের রাত যখন উপস্থিত হয় তখন তোমরা রাত জেগে ইবাদত কর এবং দিনে রোজা রাখ। কেননা আল্লাহপাক এ রাতে সূর্যাস্তের পর প্রথম আসমানে অবতরণ করে বলেন, কোনো ক্ষমাপ্রার্থী কি নেই? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব, কোনো জীবিকা প্রার্থী কি নেই? আমি তাকে জীবিকা দান করব। কোনো বিপদগ্রস্ত কি নেই? আমি তাকে বিপদ থেকে মুক্তি দেব। এভাবে ভোররাত পর্যন্ত ঘোষণা চলতে থাকে। (ইবনে মাজাহ)। লাইলাতুল বরাতে রাত জেগে নফল ইবাদত রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নত। তিনি এ পবিত্র রাতে বেশি ইবাদত ও দোয়া করতেন, কবর জেয়ারত করতেন। লাইলাতুল বরাতের নামাজের জন্য বিশেষ আলাদা কোনো পদ্ধতি নেই। অন্য সব নামাজের মতোই এ রাতে নামাজ পড়া যায়। দুই রাকাত করে নামাজ আদায় করা উত্তম। এই পবিত্র রাতে কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আসকার, দোয়া-ইস্তিগফার ইত্যাদি নেক আমল যতটা সম্ভব হয় আদায় উত্তম।
এ বছর এমন এক সময় লাইলাতুল বরাত হাজির হয়েছে যখন করোনাভাইরাস মহামারী মানব সমাজে বিপর্যয় সৃষ্টি করছে। এ মসিবত থেকে রক্ষা পেতে আসুন আমরা আল্লাহর দরবারে হাত তুলি। তার কাছে ক্ষমা চাই। মসিবত থেকে মুক্তি প্রার্থনা করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বিপদ থেকে মুক্ত রাখুন। আমিন।

=দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা থেকে সংগৃহীত=

জিহ্বা দিয়ে কিছু ঘটে যাওয়া পাপ

জিহ্বা দিয়ে যে ১৯টি পাপ সংঘটিত হয়,,,

১) কারও নাম খারাপ করে ডাকা/নাম ব্যঙ্গ করা।

২) খারাপ ঠাট্টা বা বিদ্রূপ করা।

৩) অশ্লীল ও খারাপ কথা বলা।

৪) কাউকে গালি দেয়া।

৫) কারও নিন্দা করা।

৬) অপবাদ দেয়া।

৭) চোগলখুরী করা।

৮) বিনা প্রয়োজনে গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়া।

৯) মোনাফিকী করা ও দুই মুখে (দ্বিমুখী) কথা বলা।

১০) বেহুদা ও অতিরিক্ত কথা বলা।

১১) বাতিল ও হারাম জিনিস নিয়ে আলোচনা করে আনন্দ লাভ করা।

১২) কারও গীবত করা।

১৩) খারাপ উপনামে ডাকা।

১৪) কাউকে অভিশাপ দেয়া।

১৫)কারো অনুপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে বদনাম করা।

১৬) মিথ্যা স্বপ্ন বলা।

১৭) অনর্থক চিৎকার বা চেঁচামিচি করা।

১৮) জিহ্বা দিয়ে হারাম বস্তুর স্বাদ নেয়া, গ্রহণ করা বা খাওয়া।

১৯) জিহ্বা দিয়ে খারাপ অর্থে কাউকে কোন ভঙ্গি করা বা দেখানো।


নিম্নোক্ত হাদিসটি আমাদের সবসময় সামনে রাখা উচিত :-

★সাহাল ইবনে সায়াদ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ (স:) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী অঙ্গ (জিহ্বা) এবং দুই উরুর মধ্যবর্তী অঙ্গ (লজ্জাস্থান) হেফাজতের নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব। (বুখারী : ৬৪৭৪)

সূত্র: ফেইজবুক

‘ঝ’ বগি ছাড়াই ঢাকায় ছুটল একতা এক্সপ্রেস

‘ঝ’ বগি ছাড়াই ঢাকায় এলো আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেন। টিকিট কেটেও বগি না থাকায় যাত্রীরা ঢাকা যেতে না পেরে চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে বগিটির যাত্রা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেসের ‘ঝ’ বগিতে মোট আসন সংখ্যা রয়েছে ৯০টি। এর মধ্যে দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ২০টি। সোমবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে দিনাজপুর স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল একতা এক্সপ্রেসের। কিন্তু ট্রেনটি ১৮ মিনিট দেরি করে রাত সাড়ে ১১টায় দিনাজপুর থেকে ছেড়ে যায়।

ট্রেনটি পঞ্চগড় থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে প্রতিদিন চলাচল করে। কিন্তু মঙ্গলবার রাতের জন্য দিনাজপুর স্টেশন থেকে ‘ঝ’ বগির টিকিট বিক্রি হলেও ট্রেনটিতে ‘ঝ’ বগি সংযুক্ত ছিল না। এতে ঢাকা যেতে না পেরে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন।

দিনাজপুর পৌর শহরের হিরাবাগান এলাকার সৌরভ অধিকারী বলেন, আমি মোটরসাইকেল পার্টস ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার সকালে স্টেশনে এসে টিকিটি পাইনি। কিন্তু আমাকে ঢাকায় যেতে হবে। তাই বাধ্য হয়ে চোরাকারবারীদের কাছ থেকে দ্বিগুন দাম দিয়ে টিকিট কিনতে হয়েছে। রাতে স্টেশনে এসে দেখি আমার টিকিটের উল্লেখ করা বগিটি নেই। পরে কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায় ‘ঝ’ বগিটির যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।

যাত্রী রাইহান ইসলাম বলেন, আমার বাসা ঠাকুরগাঁওয়ে। আমি ঢাকার বাটারফ্লাই শোরুমে চাকরি করি। বহু কষ্টে এক বন্ধুর মাধ্যমে দিনাজপুর স্টেশন থেকে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতে পেরেছি। কিন্তু আমার যাওয়ার বগিটি না থাকায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছি।

এ ব্যাপারে দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশনের কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার মোক্তার আলম জাগো নিউজকে বলেন, লালমনিরহাট থেকে কন্ট্রোল অর্ডারে (আদেশ) আমাদের জানানো হয়েছে ‘ঝ’ বগিটি বাতিল। পঞ্চগড়ে বগিটিতে সমস্যা হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে। আমরা যাত্রীদের বলেছি তারা যেন টিকিট ফেরত দিয়ে সমপরিমাণ টাকা ফেরত নেন।

সূত্র: jagonews24.com

সিরাজুল ইসলাম কুরাইশি রহমতুল্লাহি আলাইহি এর জন্ম ইতিহাস

আল্লাহর ওলী মজ্জুব –
হযরত সিরাজুল ইসলাম কোরাইশী (রহঃ) প্রকাশ সিরাজ পাগলা বাবাজানে’র জীবনী পরিচিতি
ও-কারামাত প্রসঙ্গ
#পিতৃকুল
আল্লাহর ওলী মজ্জুব হযরত সিরাজুল ইসলাম কোরাইশী (রহঃ)প্রকাশ পাগলা বাবা‘র পিতৃকুল পরচিত। পিতা হযরত মৌলভী শেখ একরাম হোসেন (বহঃ) বিগত ইংরেজী ২ জানুয়ারী ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দ ৫ আষার ১২৯৭ বঙ্গাব্দে, রোজ : সোমবার কিশোরগঞ্জ জেলাধীন ভৈরব উপজেলা কালিকা প্রসাদ গ্রামে বিশিষ্ট এক শেখ পরিবারে জন্মগ্রহন করেন ও ইংরেজী ৩০ আগস্ট ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, ১৫ ভাদ্র ১৩৭৫ বঙ্গাব্দে, রোজ : শুক্রবার (বেলা ১০ ঘঠিকায়) পরলোক গমণ করেন। তার পিতামহ হযরত মিয়াদর মিন্সী (রহঃ) অত্যন্ত পরহেজগার, দ্বীনদার ও আল্লাহ পাকের খাছ বান্দা ছিলেন। তারই ঔরশে জন্মলাভ করেন এক মহান সুপুরুষ হক্কানী আলেম, মোকাম্মেল দ্বীনদার হযরত শেখ মৌলভী একরাম হোসেন (রহঃ)।যাদের পূর্বপুরুষ বাংলার ঐতিহাসিক সুবেদার হযরত মীর জুমলার বংশধর নামে পরিচিত।যাদের আগমন সুদুর আরব থেকে ইরানের তাজিকিস্তান অধিবাসী। হযরত মীর জুমলা (রহঃ)দিল্লীর সম্রাট আওরঙ্গজেবের সেনাপতি ছিলেন।
পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলার সুবেদার পদে নিযুক্ত হন। পাগলা বাবা (রহঃ)‘র পিতামহ হযরত মিয়াদর মুন্সী (রহঃ) নিজ সন্তানদের ধর্মীয় বিদ্যায় সুশিক্ষিত করে তুলেন। সন্তানদের মধ্যে হযরত শেখ মৌলভী একরাম হোসেন (রহঃ) অত্যন্ত ধর্মানুরাগী ও এলেম পিপাসু ছিলেন। ভাগ্যের পরিহাস মাত্র ৭ বছর বয়সে তার পিতা ইন্তেকাল করেন। পিতার ইন্তেকালের পর বালক একরাম হোসেন খুবই চিন্তিত হয়ে পরলেন। শৈশবকালে মাতৃ-পিতৃ বিয়োগের সকল ব্যাথা বুকে নিয়ে বালক একরাম হোসেন এলেম শিক্ষার উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়লেন। আল্লাহর ওলীদেরকে আল্লাহপাক সর্বত্যগী করে নিজের দিকে আপন করে টেনে নেন। বালক একরাম হোসেন ভারতের লোক্ষনুতে কানপুর গিয়ে মাদরাসায় ভর্তি হয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে ভারতের সেই লোক্ষনুতেই একটি জামে মসজিদে প্রায় ১৫ বছর যাবত পবিত্র ইমামতির দায়িত্ব পালন করে বিশেষ সুখ্যাতি অর্জন করেন। পরিশেষে লোক্ষনো ছেড়ে নিজ দেশে ফিরে এসে কালিকা প্রসাদ গ্রামে নিজ বাড়ীতে অবস্থান করেন।
তারপর তিনি ভৈরব রেলওয়ে জামে মসজিদে দীর্ঘ ১০ বছর ইমামতি দায়িত্ব পালন করে ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ ফকিরটোলা জামে মসজিদে ৩২ বছর যাবত ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষে ভৈরব চন্ডিবের হাজী আসমত আলী জামে মসজিদে ৩ বছর যাবত ইমামতির শেষ দায়িত্ব পালন করেন। হযরত একরাম হোসেন (রহঃ) জীবনের ৬০ বছর পর্যন্ত পবিত্র ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন। আল্লাহ পাক যাকে তার খাছ বান্দা হিসেবে নিযুক্ত করেন তার দ্বারা ধর্মীয় দ্বীনের সেবা খেদমত গ্রহন করেন এবং তাকে সুউচ্চ পদে ভূষিত করেন।
হযরত মৌলভী একরাম হোসেন (রহঃ) ৩৭ বছর বয়সকালে সংসার জীবনে আবদ্ব হন। পাগলা বাবাজানে’র জননী মরহুমা হাসনা খাতুনকে ১৮ বছর বয়সকালে শুভ বিবাহে পরিণত করেন।যিনি ভৈরবপুর উত্তর পাড়া মরহুম আব্দুল হামিদ মুন্সী সাহেবের সুযোগ্য দীনদার পরহেজগার কন্যা। পাগলা বাবা‘র জননী হাসনা খাতুনের পবিত্র ঔরশে জন্ম লাভ করেন আল্লাহর ওলী মজ্জুব হযরত সিরাজুল ইসলাম কোরাইশী (রহঃ) এবং তার ছোট বোন ছিদ্দিকা খাতুন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! পাগলা বাবা‘র ৩ বছর বয়সকালে তার মা – জননী হাসনা খাতুন পরলোক গমন করেন।
জগে যা কিছু ঘটে সবই মহান আল্লাহ পাকের ইচ্ছা। পাগলা বাবাজানের মাগা ছাহেবানী বিদায়ের পর তার পিতাজান হযরত একরাম হোসেন সংসারের দায় দায়িত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ব হন। ভৈরব উপজেলার ভৈরবপুর দক্ষিণ পাড়া আঃ করিম সাহেবের নেককার পরহেজগার কন্যা জুলাইখা খাতুন কে দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ব করেন। জুলাইখা খাতুন বিশুদ্ধ ভাবে কোরআন পাঠের উস্তাদ ছিলেন। এছাড়া খুবই পরহেজগার ও আবেদা রমনী ছিলেন।যার কাছে শত শত মহিলা পুরুষ পবিত্র মাসআলা শিক্ষা গ্রহণ করেন। অনেকেই তার শিক্ষা মসজিদে ইমামতি ও ধর্মীয় প্রশিক্ষণে মিয়াছাহেব গিরি করেন। পাগলা বাবা‘র দ্বিতীয় মাতা জুলাইখা খাতুন ঐ সময়ে একজন ধর্মীয় উস্তাদ ও আল্লা ওয়ালা বলে সু-পরিচিতি ছিলেন।যার ধর্মীয় শিক্ষা অবদানে এলাকাবাসী চির কৃতঙ্ঘ। জুলাইখা খাতুন ইংরেজী ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহন ও ইংরেজী ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। পাগলা বাবা’র পিতা দ্বিতীয় সংসারে মরহুমা জুলাইখা খাতুনের পবিত্র ঔরশে জন্ম নেয় দুই পুত্র (১) শাহ্ সুফী মোঃ তাজুল ইসলাম (২) মোঃ জহিরুল ইসলাম এবং (১)জহুরা খাতুন (২) শামসুন্নাহার। হযরত মৌলভী একরাম হোসেন (রহঃ) আল্লাহ, রাসূলের খাটি প্রেমিক ছিলেন। তিনি ধর্মীয় খেদমত- সেবা এবং পবিত্র ইমামতির দায়িত্ব পালন করে নিজের গোটা জীবন অতিবাহিত করেন। হযরত মৌলভী একরাম হোসেন (রহঃ) ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে ইহকাল ত্যাগ করে পরলোক গমন করেন। জন্ম-মৃত্যু নিয়েই সৃষ্টি কুলের রহস্য এ বিধান কেহই রদ করতে পরে না। আমরা সকলেই সেই মহা-পরকালের পথ অনুসরণ করি এবং পরকালের সম্বল অর্জন করি। আল্লাহ পাক আমাদেরকে পরকালের পরম কৃপা দান করুন।

কালকিনিতে রাতের আধারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

মৃত ছেলের ছবি

সিনিয়র রিপোর্টার: হৃদয় হাসান, মাদারীপুর প্রতিনিধি, ২৪.০২.২০২২ ইং

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের মহরদ্দির চর ৩নং ওয়ার্ডের মোঃ বারেক সরদারের পুত্র মোঃ জহিরুল সরদার(১৮) কে রাতে ঘরের গেইটের তালা ভেংগে তার রুমে প্রবেশ করে হত্যা করা হয়।
নিহতের শরীরের মাথা এবং ঘারে তিনটি কোপ এবং মাথার কপালের ডান পাশের উপরে দুটি কোপের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

বুধবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২ইং রাতে প্রতিদিনের ন্যায় জহিরুল রাতের খাবার খেয়ে রাত ৯:০০ টার সময় ঘুমিয়ে পরে।

সকালে জহিরুল কে তার মা রুমে গিয়ে ডাকলে কোনে সারা শব্দ না পেলে কম্বল সরালে দেখে রক্তাক্ত লাশ।
তার ডাক-চিৎকার শুনে প্রতিবেশী ও এলাকার লোক জন চলে আসলে তারা পুলিশকে খবর দেয়।

কালকিনি থানা পুলিশ, এসপি ও এএসপি এবং সি আই ডি এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে মর্গে প্রেরণ করে।

রিপোর্টঃ এস এম শাহ্জালালমাদারীপুর এর কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের মহরদ্দির চর ৩নং ওয়ার্ড এর মোঃ বারেক সরদারের পুত্র মোঃজহিরুল(১৮) কে রাতে ঘরের গেইটের তালা ভেংগে তার রুমে প্রবেশ করে হত্যা করা হয়।নিহতের শরীরের মাথার ঘারে তিনটি কোপ এবং মাথার কপালের ডান পাশের উপরে দুটি কোপের চিহ্ন আছে।বুধবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২ইং রাতে প্রতিদিনের ন্যায় জহিরুল রাতের খাবার খেয়ে রাত ৯:০০ টার সময় ঘুমিয়ে পরে।সকালে জহিরুল কে তার মা রুমে গিয়ে ডাকলে কোনে সারা সব্দ না পেলে কম্বল সরালে দেখে রক্তাক্ত লাশ।তার ডাক চিৎকার শুনে প্রতিবেশী ও এলাকার লোক জন চলে আসলে তারা পুলিশকে খবর দেয়।কালকিনি থানা পুলিশ, এসপি ও এ এসপি এবং সি আই ডি এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে মর্গে প্রেরণ করে

বাড়ি থেকে বয়ফ্রেন্ডের হাত ধরে পালিয়ে গিয়ে ভয়াবহ বিপদে তরুণী

আরিফুল ইসলাম আশিক

রাত তখন গভীর, ঘড়ির কাঁটায় আনুমানিক ২ (দুই) টা বাজে। চারদিকে ঝিঝি পোকার শব্দে ভোভো করছে।

আমি পড়ছিলাম। কারন তিনদিন পর আমার প্রি-টেস্ট পরীক্ষা আছে। পড়তে পড়তে অনেক খিদে পায় আমার। বন্ধু ঈমান কে ফোন দিলাম। ও পাদুকার কাজ করে। আর পাদুকার কাজ রাত জেগে করতে হয়। রাতেই কাজের চাপ বেশি থাকে।

” কীও কই আপনি?” জিজ্ঞেস করলাম। “আমি তো কাজ করছি, সে জবাব দিলো”। বললাম, অনেক খিদে লাগছে চল খাইতে যাব। ঈমান বলল, আমারও খিদে লাগছে, বাসস্ট্যান্ড আসো আমি বের হচ্ছি।

বাসস্ট্যান্ড গিয়ে ফোন দিলাম, “আমি যাত্রী ছাউনিতে, আসো”। ঈমান আসার পর গেলাম কুদ্দুস কাকার হোটেলে। গিয়ে দেখি, হোটেল বন্ধ করার প্রস্তুতি চলছে। খাওয়ার কোন বেবস্থা নেই। খাইতে যখন বের হয়েছি খেয়েই ফিরব” ঈমান বলল। কিভাবে খাবে সব দোকান তো সব বন্ধ।

সে বলল, সি এন জি নাও, ভৈরব যাব। গরুর মাংসের ঝুল দিয়ে নান রুটি খাব। আমিও মনে মনে ভাবছি, অনেক দিন ধরে খাওয়া হয় না, সুযোগ টা হাত ছাড়া করলে চলবে না। সি এন জি নিলাম। উঠে পড়লাম দুইজন। ঘটনাটা তখন থেকেই শুরু।

সি এন জির পেছনে একটা ছেলে ও মেয়ে বসা আছে। মেয়েটা কান্না করছে আর ছেলেটা তাকে বুঝানোর চেষ্টা করছে। তাদের হাবভাব দেখে মনে হলো তারা বাড়ি থেকে পালিয়েছে। ছেলেটা মেয়েটাকে বলছে, তোমাকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না। তুমিই আমার সব। মেয়েটা তার পরও কান্না থামাচ্ছে না। সি এন জি ভৈরব এসে থামল। মেয়েটা কালো বোরকা পড়ে মখুস পরা ছিল। আমরা সি এন জির ভাড়া দিয়ে আল জাজিয়া রেস্টুরেন্ট এ চলে আসলাম।

হাত মুখ ধুয়ে ঈমান হোসেন মেসিয়ারকে অর্ডার করলো, চারটা নান রুটি আর গরুর মাংসের ঝুল  দেন। মেসিয়ার আমাদের আলাদা আলাদা করে দুইজনকে খাবার দিয়ে গেল। খেতে খেতে দুইজন সি এন জির মেয়েটার আলাপ করছিলাম। কিছুক্ষণ পর দেখলাম সি এন জিতে দেখা ছেলে আর মেয়েটা রেস্টুরেন্টে ডুকলো। তারা আমাদের পাশের টেবিলে বসে ছিল। ছেলেটা মেয়েটাকে বলল, তুমি বস আমি যাব আর আসব। মেয়েটি বলল, আমি একা কি করে থাকব? “মোবাইলের টাকা শেষ হয়ে গেছে। রিচার্জ করেই চলে আসব” এই বলে ছেলেটা বের হয়ে গেল। তার হাতে একটা লাল বক্স ছিল।

আমরা খাচ্ছিলাম আর ঘটনাটা দেখছিলাম। আমাদের খেতে খেতে বেশ অনেক টা সময় চলে গেল। ছেলেটা গিয়েছে প্রায় ৪০ মিনিট হয়ে গেল। ফিরে আসছে না। মেয়েটা ফোন দিচ্ছে কিন্তু ছেলেটা ফোন রিসিভ করছে না। পুরো রেস্টুরেন্টে আমরা তিনজনই ছিলাম। আমি, ঈমান হোসেন আর ঐ মেয়েটা। খাওয়া শেষ করে বিল পরিশোধ করে চলে আসব ঠিক ঐ সময় খেয়াল করলাম মেয়েটা কান্না করছে।

বিষয়টা আমাদের দুইজনের কাছে খুব রহস্যময় মনে হলো। তখন আমরা মেয়েটার কাছে গেলাম। ঈমান হোসেন মেয়েটাকে বলল, আপনাদের বিষয়টা আমাদের খুলে বলবেন কি হয়েছে? তখন থেকেই খেয়াল করছি আপনি এক নাগাড়ে কান্না করেই যাচ্ছেন। কি হয়ছে আপনার?

মেয়েটি বলল, আগে আমাকে এখান থেকে নিয়ে চলেন। আমরা কথাটি শুনে ভয় পেয়ে গেলাম। “কোনো ঝামেলায় জড়িয়ে যাচ্ছি না তো”? ঈমান হোসেনকে বললাম। সে বলল, না। মেয়েটি বিপদে পড়েছে, তাকে সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।

আমরা আবির ভাই কে ফোন দিলাম। ওর বোনের বাড়ি স্টেডিয়াম মোড়। মেয়েটিকে নিয়ে তার বোনের বাড়ী উঠলাম। আগে মেয়েটিকে ফ্রেশ হয়ে আসতে বললাম। মেয়েটি ফ্রেশ হয়ে আসলো। আবির ভাইয়ের বোন মেয়েটিকে ভাত বেড়ে দিলো। খাওয়া দাওয়া শেষ করে মেয়েটি আমাদের সব খুলে বলতে লাগলো।

আমি আনিকা। বাড়ি ময়মনসিংহ। আমি……………..

বাকি গল্প পরের পর্বে দিব, ইনশাআল্লাহ্।।।

ফুলের মালা গলায় নিয়ে দায়িত্ব বুঝে নিলেন কাঞ্চন-নিপুন

গতকাল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) মান্না ডিজিটাল কমপ্লেক্সের সামনে খোলা প্রাঙ্গণে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

সেসময় উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী সভাপতি মিশা সওদাগর ও নন্দিত অভিনেতা আলমগীর। নির্বাচিতদের মধ্যে ছিলেন ফেরদৌস, সাইমন, আরমান, কেয়া, শাহনূর, অমিত হাসান, আজাদ খানসহ আরও অনেকেই। সবার উপস্থিতিতে দোয়া ও শুভকামনা চেয়ে চেয়ারে বসেন কাঞ্চন-নিপুণ।

উক্ত শপথের মাধ্যমে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২০২৪ মেয়াদের দায়িত্ব বুঝে নিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত সদস্যরা। এসময় নির্বাচিত অন্য শিল্পী ও উপস্থিত শিল্পীরা কাঞ্চন-নিপুণের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘সবাইকে ধন্যবাদ আমাদের সমর্থনের জন্য। মিশাকে আমি স্পেশালি ধন্যবাদ জানাই। ও আজ এসেছে। আমাদের আনন্দটা বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা চেষ্টা করবো শিল্পীদের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করতে।’

সাধারণ সম্পাদক নিপুণ বলেন, ‘আমার জয়ে চলচ্চিত্র শিল্পীদের মধ্যে যে আনন্দ দেখছি তা আমাকে আপ্লুত করেছে। যারা দীর্ঘদিন বঞ্চিত ছিলেন, সমিতিতে আসতে পারেননি তারা আজ এসেছেন। কাঁদছেন আমাকে জড়িয়ে। মনে হচ্ছে অনেকদিন নিজ বাড়িতে ফিরেছেন। এই আনন্দ নিয়ে সবার জন্য কাজ করতে চাই।’

শপথ অনুষ্ঠানে আগের প্যানেলের মিশার উপস্থিতি বাড়তি আকর্ষণ হয়েছিল।

সাবেক সভাপতি মিশা সওদার বলেন, ‘এখানে সবাই আমাদের কাছের লোক। মালাবদল ছাড়া কোনো কিছু না। আশা করছি তারা আরও ভালো কাজ করবেন শিল্পীদের জন্য। এখানে কাঞ্চন ভাই আছেন। আমাদের সবার প্রিয় ভাই। তিনি তার ব্যক্তিত্ব ও সততা দিয়ে শিল্পীদের উন্নয়নে কাজ করবেন।

তবে আসেননি বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। মূলত আপিল বিভাগ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই পদটির চূড়ান্ত হয়। যেখানে প্রার্থিতা বাতিল হয় জায়েদের। জয়ী হন নিপুণ।

অনলাইন শিক্ষা ও বাস্তবতা

লেখক: সাইদুর রহমান সাইফ

শিক্ষার সাথে জড়িত হওয়ার কারণেই বোধহয় বর্তমান শিক্ষার হালচাল নিয়ে দুই-চারটি কথা মনের মধ্যে গুরুপাক খাচ্ছে। সাধারণভাবে বলতে গেলে শিক্ষা মানুষকে শেখায় কিভাবে উপলব্ধি শক্তি শাণিত করতে হয়, কিভাবে আরও উন্নত মননশীলতা চর্চা করতে হয়। উন্নত মননশীলতা চর্চায়, শিক্ষার চেয়ে অনুঘটক কিছুই হতে পারে না। সেই জায়গা যদি পতনশীলতা শুরু হয়, তাহলে তার প্রভাব গোটা সমাজব্যবস্থার উপর পড়ে। যা একটি সুস্থ সমাজ গঠনে সম্পূর্ণ বিপরীত। একথা অবশ্যই দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে আমাদের শিক্ষায় পতনশীলতা শুরু হয়েছে। শিক্ষার সাথে জড়িত সকল উপাদান-উপকরণ যেন প্রাণ হারাতে বসেছে।

এবার আসি আসল কথায়। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে আমি দু’ভাগে ভাগ করতে পারি — শারীরিকভাবে উপস্থিতিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা ও ভার্চুয়াল শিক্ষাব্যবস্থা। আমার মনে হয় সৃষ্টির শুরু থেকে এই গ্রহের মানবজাতি শিক্ষালাভ করেছে শারীরিকভাবে উপস্থিত থেকে। বর্তমানে আমরা যে অনলাইন শিক্ষার সাথে পরিচিত – তা মানবজাতির হাজারকোটি বছর এরকম ছিল না, অথবা এরকম থাকার কোন কারণ থাকতে পারে না। আমার মনে হয় শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়ে শিক্ষকের কাছ শিক্ষালাভের পেছনে অনেকগুলো অর্থবহ – যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। যা মানবজাতির স্বাভাবিক জ্ঞানের স্ফূরণ ঘটাতে সক্ষম। মানুষের মস্তিষ্ক, চোখ, বিভিন্ন ইদ্রিয় শারীরিকভাবে উপস্থিতিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার সাথে খাপ খাওয়াতে সক্ষম। এবং এই শিক্ষাগ্রহণ পদ্ধতিই বৈজ্ঞানিকভাবে টেকসই। ঠিক তার উল্টো হলো অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা। অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন মানবজাতির মস্তিষ্কে প্রথম আঘাত বললে বেশি বাড়িয়ে বলা হবে না। এ শিক্ষাব্যবস্থাকে মানবজাতির সৃজনশীল চিন্তাশক্তি ধ্বংসের প্রাথমিক পদক্ষেপ বলে মনে করব।

শিক্ষা মানুষকে মানবিক হতে শেখায়, আরও জোরেশোরে বলতে গেলে বলতে হবে পরিশোধিত হতে শেখায়, ভেতরের আর্বজনা-জঞ্জালকে পরিষ্কার করতে শেখায়। কিন্তু বর্তমান শিক্ষার্থীদের অবস্থা এমন পর্যায়ে এসে উপনীত হয়েছে, সেখানে তারা অনলাইন শিক্ষার নামে খুব একটা বেশি কিছু শিখছে না, বরং তা বুমেরাং হয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক বৈকল্যতাকে ত্বরান্বিত করছে। অনলাইন শিক্ষা পদ্ধতিকে নির্জীব, নিষ্ক্রিয় এবং আনন্দহীন বলা যায়।স্কুলে-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে অনেক প্রস্তুতির দরকার হয়। সেই প্রস্তুতি কর্ম শিক্ষার্থীদেরকে অনুশীলন করতে শেখায়, আবার সেই অনুশীলন শিক্ষার্থীদেরকে সামাজিকরণ শেখায়, পৃথিবীর সাথে বেড়ে উঠার মানবিকতা শেখায়। অনলাইন শিক্ষা সে পদ্ধতি থেকে অনেক দূরে। এ শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানবিক হওয়ার পরিবর্তে নিজের ইন্দ্রের সক্রিয়তা নষ্ট করে দিচ্ছে। যা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠার সম্পূর্ণ বিপরীত।

এই গ্রহে মানবজাতির ঠিকে থাকার পেছনের গল্পটি শুধু– মানুষ কতটুকু প্রকৃতির সাথে মানিয়ে নিয়েছে তার উপর নির্ভর করছে। অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতি সাথে মানুষের কোন প্রাকৃতিকতা নেই। যা আছে শুধু কৃত্রিমতা, মেকি প্রতিযোগিতায় ভরপুর। মানুষ পৃথিবীর অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে ঠিকে রয়েছে।এই শিক্ষা প্রকৃতির বিরুদ্ধকাজ। যে শিক্ষা মানুষের মস্তিষ্কের সাথে খাপ খায় না; সে শিক্ষা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে তার নেতিবাচক প্রভাব শরীরে ও মনে অবশ্যই পড়বে। চিন্তাশক্তির হ্রাস পেতে থাকবে। মানুষের শরীর এই শিক্ষার জন্য কতটুকু উপযোগী তা নিয়ে এখনই গবেষণা করা উচিত।

বর্তমানে খুবই অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থীরা অনলাইন শিক্ষা থেকে উপকৃত হচ্ছে। বলা যায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ফেইসবুক, ইউটিউবসহ নানা গ্রুপ- মেসেঞ্জারে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। এই আসক্তি কিন্তু মাদকের আসক্তির চেয়ে কম নয়, বরং আরও ভয়াবহ, আরও ধ্বংসাত্বক। আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক শিক্ষার্থীদেরকে পর্যবেক্ষণে জেনেছি তারা মোবাইল ফোনে গেমসে আসক্ত। এই আসক্তি ঐ শিক্ষার্থীসহ তার পরিবারকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

একদল আবার একথা বলতে শুরু করবেন প্রত্যক কাজেরই ইতিবাচক-নেতিবাচক দিক রয়েছে। আমরা ইতিবাচক দিকটাকে গ্রহণ করি না কেন? আপনি ইতিবাচক দিক গ্রহণ করেন, তাতে আমার কোন আপত্তি থাকবে না। কিন্তু মশাই যেসব ছাত্র-ছাত্রীরা মানসিক বিকারগ্রস্ততায় ভুগছে, তাদের খবর আপনি জানেন? এখনই উপযুক্ত সময় হল অপরিপক্ক বয়সে এবং মানসিকতা গঠনের সময় অনলাইন শিক্ষার নামে যারা তাদেরকে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন মোবাইল ফোন ধরিয়ে দিছেন, তা কেড়ে নেওয়া।আর তা এই মুহূর্তে না করলে মানসিক প্রতিবন্ধী একটি প্রজন্ম আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। এইসব মানসিক প্রতিবন্ধী প্রজন্ম চিন্তায় সংর্কীণতায় ভুগবে। অল্পতেই অস্থিরতায় ভুগবে। এই মানসিক প্রতিবন্ধী প্রজন্মের দ্বারা ভবিষ্যত বুদ্ধিদীপ্ত জাতি উপহার দেওয়া সম্ভব নয়?

মানুষ মাটিলগ্ন হবে। মাটিলগ্ন মানুষের চিন্তা শক্তিই সভ্যতার নিয়ামক। শিক্ষাকে বাতাসের মধ্যে ছেড়ে দিয়ে পৃথিবীর অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে কোন সংযোগ না থাকলে — সেই শিক্ষা অর্জনে কোন ফলপ্রসূতা পাওয়া যাবে না। অধিকন্তু শিক্ষার এই কৃত্রিমতার নেতিবাচক ফলাফল মানবজাতির জন্য অশনিসংকেত –তা আদর্শিক মানুষ হওয়ার পেছনে অন্তরায়।

আমাদের শিক্ষাখাতে বরাদ্দ অনেক কম। শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো সংষ্কার করতে হলে শিক্ষাখাতে বাজেট বাড়াতে হবে। বর্তমান এই মহামারি সময়ে শিক্ষাখাতে আরও বরাদ্দ বাড়ানো উচিত বলে মনে করি। বর্তমান জিডিপির ২% শিক্ষাখাতে বরাদ্দ। আর শিক্ষাখাতে জাতিসংঘের ঘোষিত জিডিপি হল ৫.৫%। সেখানে আমরা জিডিপির অর্ধেকও শিক্ষাখাতে বরাদ্দ করছি না। শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে শিশুদের শিক্ষার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করলে পারলে – অনেক শিক্ষার্থীদেকে শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া রোধ করা সম্ভব।

রক্তকোষ (স্বেচ্ছায় রক্তদাতা সংগঠন) পরিবারের পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরন

আবু বক্কর সিদ্দিক, সিনিয়র রিপোর্টার।

ছবি: রক্তকোষ কর্তৃক শীত বস্ত্র বিতরনের সময়।

রক্তকোষ (স্বেচ্ছায় রক্তদাতা সংগঠন) পরিবারের পক্ষ থেকে গতকাল ছনছাড়া এতিমখানার বাচ্চাদের শীতের কাপড় উপহার পৌঁছে দিয়েছেন রক্তকোষ সংঘটনের একাংশ। রক্তকোষ এর প্রতিটি সদস্য কৃতজ্ঞতা জানালেন সেই সকল পিছনের কারিগরদের, যাদের সহযোগিতা আর ভালবাসা তাদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগিয়েছে।

আল্লাহর ইচ্ছায় প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে ঋতুর পালাবদল ঘটে। কনকনে হিমেল হাওয়া ও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ দরিদ্র জনগোষ্ঠী-অধ্যুষিত অঞ্চলে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং মানুষের অসহায়ত্বকে প্রকট করে তোলে। তাই শীতার্ত হতদরিদ্র মানুষের প্রতি সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তশালী ব্যক্তিদের সাহায্য ও সহানুভূতির হাত সম্প্রসারিত করে তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে শীতবস্ত্র বিতরণ করে তাদের পাশে এসে দাঁড়ানো দরকার। নিঃস্বার্থভাবে শীতার্ত মানুষের সাহায্য ও সেবা করাই মানবতার সেবা। এমন মহৎ ও পুণ্যময় কাজই সর্বোত্তম ইবাদত। অসহায় মানুষকে দুর্দিনে সাহায্য, সহানুভূতি ও সহমর্মিতার মানসিকতা যাদের নেই, তাদের ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না। সুতরাং নামাজ, রোজার সঙ্গে জনকল্যাণের তথা মানবিকতা ও নৈতিকতার গুণাবলি অর্জন করাও জরুরি।

আর এই বিষয়টাকে বুকে ধারণ করে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন রক্তকোষের প্রতিটি সদস্য।

সমাজের সংগতিসম্পন্ন ও সচ্ছল মানুষের ঘরে বছর পরিক্রমায় শীতকাল ঋতু হিসেবে আনন্দ ও খুশির বার্তাবহ হলেও দেশের বৃহত্তর জনজীবনে শীত নৈরাশ্য ও বেদনার ধূসর বার্তাবাহক মাত্র। হাড়কাঁপানো শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবনে শৈত্যপ্রবাহ থেকে বাঁচার জন্য অসহায় দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন অনেক শীতবস্ত্রের।

নবী করিম (সা.) মানুষকে অন্ন ও বস্ত্রদানের পরকালীন পুরস্কারপ্রাপ্তির কথা বলেছেন, ‘এক মুসলমান অন্য মুসলমানকে কাপড় দান করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের পোশাক দান করবেন। ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাদ্য দান করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সুস্বাদু ফল দান করবেন। কোনো মুসলমানকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় পানি পান করালে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সিলমোহরকৃত পাত্র থেকে পবিত্র পানি পান করাবেন।’ (আবু দাউদ)।

আয়ান এবং মায়ার গুপ্ত ভালোবাসা

সূর্য ঠিক মাথার উপর। আমি ঈদগাহ মাঠ থেকে বাড়ির পথে ফিরছিলাম। মনে একটা বিসন্ন ব্যাথা নিয়ে বসে ছিলাম ঈদগাহ মাঠের বটতলায়।

ভাবছিলাম বন্ধু আয়ানের কথা। সে গত হয়েছে প্রায় তিন বছর আগে। এখানে বসেই দুজন মিলে আড্ডা দিতাম। ও একটা মেয়েকে প্রচণ্ড রকমের ভালবাসতো। আয়ান ছিল খুব প্রাণবন্ত একটা ছেলে।

সে যা বলত মন থেকেই বলত। ওর ভেতরে কোন কথা জমা রাখত না। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কথা বলা সে পছন্দ করত না। সে যে মেয়েটাকে ভালবাসতো তার নাম ছিল মায়া। মায়া ছিল আমাদের পাশের গ্রাম দক্ষিণপাড়ার হাসান আলী মাস্টারের ভাতিজি। মায়া ছিল আয়ানের তিন বছরের জুনিয়র। মায়া তখন এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

মায়ার সাথে আয়ানের পরিচয় মায়ার স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার একটা অনুষ্ঠানে।

আমি বৃহস্পতিবার একটু বেলা করে ঘুম থেকে উঠি কারন সেদিন আমার অফ ডে। আমি তখন ঘুমিয়ে। ঘড়ির কাঁটায় তখন দশটার কাছাকাছি একটা সময়। আয়ান রাস্তা থেকে আমাকে ডাকছে। আমি শুনতে পাচ্ছি না। তখন আমার রুমে এসে আয়ান বলল এই আশিক বেটা উঠ। আজ হাইস্কুলে অনুষ্ঠান। চল, যাবি না!!!

আমার এসব ভালো লাগে না। তবে আয়ান যে বান্দা, আমাকে ছেড়ে সে যাবে না। চালু করে উঠে রেডি হলাম। আজ আয়ানকে অনেক সুন্দর লাগছে।

আমরা মূল গেইট দিয়ে ভেতরে ঢুকে এক পাশে দাড়িয়ে খেলা দেখছিলাম। মাঠে খেলা হচ্ছে বালক বড় ৩০০ মিটার দৌড়। আমি এদিকে খেলা দেখছি, মাঠে একটা ছেলে পায়ের সাতে আঘাত লেগে উড়ে গিয়ে নিচে পড়ে গেল। আমি আয়ানকে দেখাতে যাব দেখি ও একটা মেয়ের দিকে তাকিয়ে আছে, মেয়েটিও তার দিকে তাকিয়ে আছে।

বাকি গল্প পড়তে চাইলে কমেন্ট করুন এবং এটি কেমন হয়েছে জানাবেন প্লিজ ।।।

জীবনের উপলব্ধি

আরিফুল ইসলাম আশিক

ছবি: অনলাইন থেকে সংগ্রহীত।

অনেকেই জীবনের উপলব্ধি নিয়ে অনেক কিছু লিখেন। আসলে জীবনের উপলব্ধি একেক জনের একেক রকম হয়ে থাকে। জীবন কারো কাছে সুখের সর্গ রাজ্য আবার কারো কাছের দুঃখের নরক সমান।

জীবন কাউকে হাসায় আকাশ পরিমাণ আবার কাউকে বেদনার সাগরে ভেসে নিয়ে যায় অতল গভীরে। জীবনের কোন রং হয় না। জীবন অনেক টা তরকারির মতো। তরকারি যেমন এক পদের জিনিস দিয়ে রান্না করা যায় না, জীবন ঠিক তেমনি।

তরকারি রান্না করতে হলে যেমন তেল, লবন, মরিচ, হুলুদ, জিরা ইত্যাদি লাগে জীবন টাও এরকমই।

আনন্দ, হাসি, কান্না, পাওয়া না পাওয়া ইত্যাদির সংমিশ্রন নিয়েই জীবন। জীবন এক অদ্ভুদ জিনিসের নাম। এ এক আজব অনুভূতি। আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে অপূর্ন থেকেই কেউ পারি জমায় না ফেরার দেশে আবার কেউ না চাইতেই হাজারটা সাফল্য ঝুলিতে নিয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।

জানিনা জীবনের এই তামাশার শেষ কোথায়? তবুও আশায় বুক বেধে থাকি চাতক পাখির মতো। কোন একদিন বৃষ্টি আসবে আর সেই বৃষ্টির পানি খেয়ে তৃষ্ণা মেটাব।

রাজধানীর রামপুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

বায়জিদ, রামপুরা

ছবি: মৃত্যুবরণকারী ছাত্র

রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

এদিকে ওই শিক্ষার্থীর নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করেছে উত্তেজিত জনতা।  তারা  বেশ কয়েকটি বাসে আগুন দিয়েছে বলে জানা গেছে। 

ছবি: ঘটনাস্থলে আগুন ঝুলানো অবস্থায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাত পৌনে এগারোটার দিকে রামপুরা বাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তারা জানান,  রামপুরা বাজারের সামনে বাসের কন্ডাক্টরের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে মাহিন নামের এক স্কুল ছাত্রকে বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয় ওই বাসের হেলপার।

রাস্তায় পড়ে যায় সে। এরপর চলন্ত বাস তার মাথার উপর দিয়ে চালিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনা স্থলেই মাহিনের মৃত্যু হয়।
তার সাথে একজন চা বিক্রেতারও মৃত্যু ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, বাসচাপায় রামপুরা বাজারের সামনে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধ করেছে।

রামপুরার বনশ্রীতে এক মেয়ের বয়ফ্রেন্ডের সাথে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা

বায়জিদ, রামপুরা

ছবি: সংগ্রহীত।

সকাল ১১ টায় রামপুরার বনশ্রীতে ঘটনাটি ঘটতে দেখা যায়।

ঘড়িতে তখন বেলা এগারোটা বাজে। মেয়েটি তার নিজের বাসা থেকে সোনা-দানা টাকা-পয়সা নিয়ে বাড়ির গেইট দিয়ে দৌড়ে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির গার্ড তাদেরকে দেখে ফেলে।

গার্ড তখন তাদেরকে আটকানোর জন্য একটা বুদ্ধি বের করে। ছেলে ও মেয়ে দুজনকে চোর চোর বলে ডাকতে শুরু করে। গার্ডের ডাকাডাকিতে আশেপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। ঐ মুহুর্তে ছেলে মেয়ে দুজন দৌড়ে গাড়িতে উঠে যাচ্ছিলো। পরে ঘটনা স্থলে ঝরো হওয়া মানুষ তাদেরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। তারপর সবাই মিলে ছেলেটিকে অনেক মারধোর করে।

একসময় তারা দুজনকে মেয়েটির বাসার সামনে নিয়ে যায়। ততক্ষণে পুরো জায়গা লোকারণ্য হয়ে পড়ে। তারপর পুলিশ এসে ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করে। পুলিশ এসে মেয়েকে তার বাবা মায়ের হতে তুলে দেয়।

উল্লেখ্য যে, এলাকার লোকজন বলেন যে মেয়েটি ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাচ্ছিলো ঐ মেয়ের বড় বোনও বয়ফ্রেন্ডকে না পাওয়ায় সুসাইড করেছিলো।

মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন মেম্বার প্রার্থী মোঃ কাউসার খান

আরিফুল ইসলাম আশিক, ভৈরব।

ছবি: মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সময়।

আসন্ন কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ৫ নং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী ২৬শে ডিসেম্বর। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পাশাপাশি মেম্বার প্রার্থীরাও। শেষ মুহুর্তের সময়ে নিজ ওয়ার্ডের নেতা কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন ও জমা দিতে ভীড় করছেন উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে। বুধবার (২৪ নভেম্বর) বেলা ১২ টায় উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন কালিকাপ্রসাদ ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বর প্রার্থী মোঃ কাউসার খান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উত্তরপাড়া, তাত্তাপাড়া ও মধ্যপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম খান, মোঃ খালেদ মিয়া, রফিকুল ইসলাম যুবরাজ, হাজী জারু মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, তারা মিয়ার ছেলে মোঃ খোকন মিয়া, বকুল মিয়া, নবী হোসেন, ফুরকান খান, বাবু, মোঃ কবির খান সহ স্থানীয় ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মনোনয়নপত্র জমাদান শেষে মেম্বার প্রার্থী মোঃ কাউসার খান বলেন, আমার স্বপ্ন হচ্ছে আমাদের ১ নং ওয়ার্ড কে একটি আদর্শ, উন্নত মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলা। আগামী নির্বাচনে জনগণ যদি আমাকে তাদের ভোটে জয়ী করেন আমার প্রথম ও প্রধান কাজ হবে এলাকায় ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা। এলাকার উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই আমার বাকিটা জীবন। মানুষের পাশে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের ভাগীদার হতে চাই।

মেম্বার প্রার্থী মোঃ কাউসার খান ১ নং ওয়ার্ডের সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

১ নং ওয়ার্ডের জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হচ্ছে মোঃ কাউসার খান। এলাকার সাধারণ জনগণ বলেন, কাউসার খান নির্বাচিত হলে তার কাছে সমস্ত চাওয়া পাওয়া নির্ভয়ে বলতে পারব। তিনি নির্বাচিত হলে আমাদের এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন আমরা মনেপ্রাণে তা বিশ্বাস করি। কাউসার ভাই একজন সাদা মনের মানুষ। তিনি মানুষের দুঃখ বুঝেন, মানুষকে ভালবাসতে জানেন। আমরা ১ নং ওয়ার্ডবাসী মনে করি আগামী পাঁচ বছর কাউসার ভাইয়ের হাতে আমাদের ওয়ার্ড সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে। তাই আমরা সবাই মিলে কাউসার খান ভাইকে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করব।


উল্লেখ আগামী ২৬ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট গ্রহন হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা রিটার্নিং অফিসার।

হতাশার জাল ঝেড়ে ফেলে নিজেকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করুন

ওবায়দুল্লাহ, কালিকাপ্রসাদ

ছবি: জিহাদি অনুপ্রেরণা

–১০০ বছর আগেও আমরা এই পৃথিবীর শাসক ছিলাম!
–সময়ের চাকা আবার ঘুরবে!
–আবার মুসলমানরা ঘুরে দাঁড়াবে!
হতাশ হওয়ার কিছু নেই কারণ রাত যত গভীর হয়, সোনালী সকাল ততটাই নিকটে থাকে
–মুহাম্মাদ (সা.) এর ভবিষ্যৎবানী নিশ্চয়ই সত্যি হবে!
–খিলাফাত আবার ফিরে আসবে!
–ইসলাম পুরো পৃথিবীতে আবার প্রতিষ্ঠা লাভ করবে!
-পৃথিবীর কাঁচা-পাকা প্রতিটি ঘরে ইসলাম প্রবেশ করবে![ইং সা আল্লাহ ]
সুতরাং আল্লাহ তা’আলার জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় নিজেকে ইলমীভাবে আমলিভাবে গড়ে তুলুন এবং জীহাদের জন্য শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুত গ্রহণ করুন,
তবে নিশ্চিত জেনে রাখুন আপনাকেসহ অথবা আপনাকে ছাড়া অবশ্যই আল্লাহ তাআলা ইসলামকে বিজয়ী করবেন, সুতরাং ইসলাম প্রতিষ্ঠায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করুন।

–আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ-
‘তারা মুখের ফুৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়!কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তার আলোকে পুনরায় বিকশিত করবেন!যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে!’
[সূরা আত তাওবাহঃ-৩২]

–সহিহ মুসলিমে বর্নিত হয়েছেঃ-
রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন,
‘আল্লাহ তায়ালা পুরো পৃথিবীকে সংকুচিত করে আমার সামনে রেখে দিলেন। আমি এর পূর্ব প্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত দেখেছি এই পুরো অংশেই উম্মার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে!’

ইনশাআল্লাহ রাসূলের প্রতিটি ভবিষ্যৎবাণী বাস্তবায়ন হবে। ইসলামের ছায়াতলে মানুষ শান্তি ও নিরাপদে জীবন যাপন করবে।

মনোনয়নপত্র জমা দিলেন মেম্বার পদপ্রার্থী আপন হাজারী

ওবায়দুল্লাহ, কালিকাপ্রসাদ।

ছবি: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়

আসন্ন ২৩ই ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে অংশ নিতে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন নয়াহাটির মোঃ আপন হাজারী।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) উপজেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মেম্বার প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম জমা দেন তিনি। এ সময় তার সাথে ৬ নং ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ শত শত জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়ন ফরম জমা শেষে মেম্বার প্রার্থী আপন হাজারী বলেন, আমি দীর্ঘদিন থেকে সুখে-দুঃখে আমার ওয়ার্ডের মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

বর্তমানে আমাদের ওয়ার্ড অন্যান্য ওয়ার্ড থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। আমাদের ওয়ার্ডের অনেক উন্নয়ন প্রয়োজন। রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রয়োজন। আমি কথা দিচ্ছি যে, আগামী নির্বাচনে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে, এলাকাবাসীর উন্নয়ন করার সুযোগ দিলে আমি আমার ওয়ার্ড কে একটি আদর্শ মডেল ওয়ার্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব। ইনশাল্লাহ।

অতীতে যেভাবে জনগণের পাশে থেকে জনগণের সেবা করেছি বর্তমানেও জনগণের সেবা করে আসছি। যতদিন বেঁচে থাকব জনগণের সেবা করার চেষ্টা করব। আমি শতভাগ আশাবাদী ৬নং ওয়ার্ডের জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে জয়ী করবে।

উল্লেখ্য, বুধবার (১০ নভেম্বর) চতুর্থ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশনার। তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৫ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ২৯ নভেম্বর, প্রার্থীতা প্রত্যাহার ০৬ ডিসেম্বর ও ভোটগ্রহণ ২৩ ডিসেম্বর।

নৌকার মনোনয়ন পেলেন মোঃ ফারুক মিয়া

ইরফানুল হক রাহিম, কালিকাপ্রসাদ

ছবি: মোঃ ফারুক মিয়া।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিকা প্রসাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি মোঃ ফারুক মিয়া। আজ সোমবার সন্ধ্যায় গণভবনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ড তাঁকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার অনুমতি দেয়। নির্বাচনের জন্য নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেতে ইউনিয়ন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনজন।
তারা হলেন, ১. মোঃ ফারুক মিয়া, সভাপতি, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ।
২. মোঃ লিটন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক, সুইজারল্যান্ড আওয়ামীলীগ।
৩. মোঃ মাসুদ রানা, সাধারন সম্পাদক, ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ।

মনোনয়ন পাওয়ার পর মুঠোফোনে মোঃ ফারুক মিয়া বলেন, ‘নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে কালিকা প্রসাদের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।’

রামপুরায় এক কলেজ ছাত্রকে গলাধাক্কা দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দিলো হেলপার

বায়জিদ, রামপুরা।

ছবি: রামপুরা ঘটনাস্থল

ঢাকার আফতাবনগরে অবস্থিত ইমপিরিয়াল কলেজের এক ছাত্রকে গলাধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে রামপুরায় রাইদা পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিলো ইমপিরিয়াল কলেজের এইচএসসি ২০২১ ব্যাচের ছাত্ররা। আজ সোমবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে রামপুরা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, রাইদা পরিবহনের একটি বাস বিটিভি ভবনের সামনে আসলে, তখন বাসে থাকা এক শিক্ষার্থী চেকারকে হাফ ভাড়া নেওয়ার কথা বলে। চেকার সেটি নিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং তাকে বাস থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয়। তখন ওই শিক্ষার্থী তার আশপাশের বন্ধুদের ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী এসে রাইদা পরিবহনের প্রায় ৫০টি বাস আটকে দেয়। তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করলে তারা সড়ক থেকে সরে যায় এবং সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। অভিযুক্ত বাসটি আটক করা হয়েছে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে রাইদা পরিবহনের বাস রামপুরায় আটকে দিয়েছিলো ইমপিরিয়াল কলেজের ছাত্ররা। তবে অন্য পরিবহনের বাস চলছিলো। ওসি আরও জানান, রাইদা পরিবহনের অন্তত ৫০টি বাস আটকে রেখেছিলো ছাত্ররা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে রাইদা পরিবহন বাসের চালক মোস্তফা কামাল ও ভাড়া আদায়কারী রনি বলেন, আফতাবনগর থেকে আবুল হোটেল পর্যন্ত আমাদের বাসগুলো রাস্তার পাশে পার্কিং করে রেখেছিলো ছাত্ররা। সেখানে অন্তত দেড়শত বাস ছিলো।

নষ্ট সমাজ ব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি

ওবায়দুল্লাহ, ভৈরব

ছবি: সংগ্রহীত

হোচনা বেগম।
এক মাত্র শিশু কন্য ফাহিমা”
হোচনা বেগমও তিন মাসের অন্তসত্বা। ফাহিমা মাত্র স্কুলে ভর্তি হয়েছে। মোটামুটি কিছু বুঝে। বাচ্চা মেয়ে বাবার কাছে অনেক কিছু খেতে আবদারও করে। সে সুবাধে ফাহিমা বাবাকে খুজতে গিয়ে,, ফাহিমার পিতা আমির হোসেন গোপন সম্পর্কের অবৈধ জিনা মেলামেশা দেখে ফেলেন।

ফাহিমা ছোট মেয়ে তাই সে বললো” আব্বু তুমি এগুলা কি করছো ” আমি আম্মুকে বাড়িতে গিয়ে সব বলে দিব। ফাহিমার বাবা পাশের বাড়ির লাইলি আক্তার নামের তিন সন্তানের এক মায়ের সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক। শিশু মেয়ে ফাহিমা তাদের এই অবৈধ কাজ দেখে ফেলায় বাবা আমির ও পরকীয়াবাদী নারী লাইলি চটে যান।

লাইলীর প্ররোচনায়, ফাহিমার বাবা ও লাইলী সিদ্ধান্ত নেয় ” শিশু ফাহিমাকে তারা হত্যা করবে। তাই আমির হোসেন তার চাচাতো ভাইকে নিয়ে গোপন আলোচনা করেন। আমির হোসের তার দুই চাচাতো ভাইও, রেজাউল, ইমন, রবিউলকে নিয়ে ফার্নিচারের এক দোকানে গোপন বৈঠক করেন। চাচাতো ভাই শিশু ফাহিমাকে হত্যা করার জন্য ১ লক্ষ টাকা দাবি করেন। পিতা আমির হোসেন ১ লক্ষ টাকা দিতে রাজি হন। হত্যা করে দিলে ১ লক্ষ টাকা দিবেন।

এর পরের দিন ” পিতা আমির ফাহিমাকে বলেন,
মা,চলো আব্বু তোমাকে আজকে ঘুরতে নিয়ে যাব।
চটপটি খাওয়াব। ফাহিমা বললো আব্বু আব্বু, কত দিন যাবত চটপটি খাইনি, খুব মন চাইতেছে আমাকে নিয়ে যাওনা আব্বু। বাবা বললো হা মা নিয়ে যাব তোমাকে।
এ কথা বলে ভাড়া করা সি এন জি করে ফাহিমাকে তারা ঘুরতে নিয়ে যান। ফাহিমার মা ফাহিমাকে সুন্দর করে সাজিয়ে পড়িয়ে কপালে চুমু দিয়ে দেন। গর্ভবতী ফাহিমার মা বলে দিলেন, রাত করোনা তাড়াতাড়ি এসো পড়ো তোমরা।
ফাহিমার মা হয়তো জিনতেননা, যে তিনি ফাহিমাকে শেষ বিদায় দিয়ে দিচ্ছেন

ফাহিমাকে নিয়ে যাওয়া হলো তার বাড়ি থেকে ৭ মাইল দুরে একটি নির্জন জায়গায় অন্ধকারে। ফাহিমা বললো আব্বু আমাকে চটপটি খাওয়াবেনা? বাবা বললো হে মা তোমাকে আজকে জনমের মত সব খাইয়ে দিব। মূলত ফাহিমা বুঝতে পারছিলনা কি হতে চলেছে । একটু পরই আড়াল থেকে বেরিয়ে আসল, সুহেল, রেজাউল,ইমন ও পরকীয়াবাদী নারী লাইলী আক্তার

বাবা আমির ফাহিমাকে লাত্তি মেরে ফেলে দিল। ফাহিমা বাবা বাবা বলে চিৎকার দিয়ে উঠলো। এমনি রেজাউল হাতে থাকা ছুরি দিয়ে আঘাত করলো ফাহিমার ছোট্ট শরিরে। এদিকে ইমন আঘাত করলো ফাহিমার মাথায়। কুক্ষাত নারী লাইলী আঘাত করলো ফাহিমার গলায় মাথায়। বাবা আমির ফাহিমার গলা ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে মৃত্যু নিশ্চত করে। লাইলী আবার রানদা দিয়ে ফাহিমার গলা থেকে মাথা আলাদা করে দেয়। রেজাইল ফাহিমার পা কেটে আলাদা করে দেয় ।
ইমন দুটো হাত টুকরো টুকরো করে দেয় । নিজের বাবা ফাহিমাকে মাঝখান দিয়ে দু টুকরো করে দেয়। একদম ৮ টুকরো করলো ফাহিমাকে। তারপর একটি বস্তায় ভরে জঙ্গলে ফেলে দিয়ে আসলো।

কি কেঁপে কেঁপে উঠেছেন? এটি কোন রুপকথা বা জাহিলিয়াতের কোন ঘটনা নয়। এটি গত ৭/১১/২০২১ নভেম্বরে কুমিল্লার দেবিদ্বারে ঘটে যাওয়া ঘটনা।

পরকীয়া ” কত ভয়ানক। হয়তো এই ঘটনাটির দ্বারা আপনি হারে হারে কিছুটা টের পেয়েছেন। সারাদেশে একের পর এক হত্যাকান্ড চলছে এই পরকীয়ার কারনে । পরকীয়া ধংস করে দিচ্ছে আমাদের সমাজ ও জীবনকে।

আমার স্বপ্ন এলাকাবাসীর সেবা করা, কালিকা প্রসাদ ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ কাউসার খান।

তাত্তাপাড়া উঠান বৈঠকের সময়

আরিফুল ইসলাম, আমাদের ভৈরবের খবর প্রকাশিত : নভেম্বর, ২০, ২০২১।


কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নের মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ কাউসার খানের এক পাড়া বৈঠক তাত্তাপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়, সামাজিক ব্যাক্তিত্ব খালেদ মিয়ার সভাপতিত্বে এলাকার সমাজসেবক নাছির উদ্দিন ফ্যাশন, মোঃ ছমির উদ্দিন সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিরা উক্ত বৈঠকে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। উল্লেখ্য যে আগামী ২৩ ডিসেম্বর কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তারই ধারাবাহিকতায় কালিকা প্রসাদ ১ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে চলছে নির্বাচনী আমেজ। এদিকে নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ ততই বাড়ছে।

এবারে কালিকা প্রসাদ ইউপির ১নং ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর সেবা করার প্রত্যয়ে আবারো নির্বাচনে লড়বেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ কাউছার খান। তিনি আরো জানান বিগত নির্বাচনে জয় লাভ না করেও আমি মানুষের সেবা করেছি এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছি। এলাকার মানুষকে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য আগামী নির্বাচনে মেম্বার পদে নির্বাচন করছি। তিনি আরও জানান, আমার স্বপ্ন এলাকার মানুষের সেবা করা। মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখা। আমি কখনো কোন দিন দুর্নীতি করিনি এবং অন্যায়কে প্রশ্রয় দিইনি । তাই কালিকা প্রসাদ ১নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালবাসা নিয়ে আগামী নির্বাচনে মেম্বার পদে আমাকে নির্বাচিত করে মানুষের সেবা করার সুযোগ দিবেন।

মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ কাউসার খান এলাকার মানুষের ভালবাসা,দোয়া,সহযোগীতা কামনা করেছেন ।

অনির্দিষ্টকালের জন্য স্বেচ্ছায় রক্তদান বন্ধ রাখছেন রক্তদাতা সংগঠনগুলো

অনির্দিষ্ট কালের জন্য জহিরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সহ কয়েকটি হাসপাতালে , অপারেশন বা অন্যান্য প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবী কর্তৃক রক্ত ম্যানেজ ও রক্তদান আপাতত হচ্ছে না।

কিশোরগঞ্জ জেলার সকল রক্তসেবকদের কিছু দাবি :-

১.সকল হাসপাতালে অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ প্যাথলজিস্ট থাকতে হবে, যিনি সরকারি ভাবে বৈধ।

২. ডোনার যে বেডে শুয়ে রক্তদান করবে তা পরিষ্কার এবং উন্নত মানের হতে হবে এবং ডোনার রক্তদানের পর কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেস্ট নেয়ার সুযোগ দিতে হবে ।

৩. ডোনারদের রক্ত প্যাকিং করার জন্য সম্পূর্ণ আলাদা কক্ষ থাকতে হবে। যা ব্লাড কালেক্ট রুমের ন্যায় হতে হবে।

৪. ৩০ মিনিটের মধ্যে ডোনারের রক্তের রিপোর্ট দিতে হবে। ডোনারের রিপোর্টের ক্ষেত্রে অবহেলা করা যাবে না। (শুক্রবার ব্যাতিত)

৫. ডোনার বা স্বেচ্ছাসেবীর সাথে ভাল আচরণ করতেই হবে।

৬. ডোনার এর রিপোর্ট দেয়া বাধ্যতামূলক। পরে দেওয়ার আশ্বাস দিলে চলবেনা।

৭. সেচ্ছাসেবী কর্তৃক রক্ত চাহিবার পূর্বে অব্যশই রুগীর বিস্তারিত তথ্যসহ রিকুইজিশন পেপার (অধিবাচন পত্র) দেয়া বাধ্যতামূলক।

৮. রক্তদাতার রক্তদানের পূর্বে অব্যশই হিমুগ্লোবিন টেস্ট করে তারপর রক্ত টানতে হবে।

৯. রক্তদান করার সময় ডোনারের সাথে ১জন স্বেচ্ছাসেবী উপস্থিত থাকার ব্যবস্থা করে দিতে হবে সকল হসপিটাল কর্তিপক্ষকে ।

১০। প্রতিটি হসপিটালের মধ্যে ব্লাড মাপার মেশিন রাখতে হবে (১০০ – ১৫০ মি.লি. ব্লাড লাগে সেক্ষেত্রে বেশী পরিমান নেয়া হয়)

আমাদের দাবি গুলো যতদিন পর্যন্ত পূরন না হবে, ততদিন পর্যন্ত আমাদের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি বন্ধ থাকবে। কারণ অবহেলার কারণে বিরক্ত হয়ে অনেকে রক্তদান এবং স্বেচ্ছাসেবা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে। এমন হলে চিকিৎসা করানোর জন্য জহিরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ সহ আশেপাশের হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকতে হবে। কারণ হাসপাতাল কর্তৃক অনেক গুলো হত্যার ন্যায় ঘটনা ঘটেছে ইতোমধ্যেই। তাই আমাদের নিরাপত্তার জন্য হাসপাতালকে বাধ্য হবার আহ্বান করা যাচ্ছে। কিশোরগঞ্জ জেলার বাহিরের অনেকগুলো হাসপাতাল চাপে পরে দাবি পূরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

নৌকার মনোনয়নপ্রত্যাশী মোঃ লিটন মিয়া

মোঃ লিটন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক, সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ।

ভৈরব উপজেলার ৫নং কালিকা প্রসাদ ইউনিয়ন থেকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী ভৈরবের প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী মোঃ কালু মিয়া সাহেবের সুযোগ্য সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ লিটন মিয়া। তিনি দীর্ঘদিন কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে আগাম নির্বাচনী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তার বাবা এবং ভায়েরা এলাকার উন্নয়নে রাস্তাঘাট ব্রিজ কালভার্ট, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসার জন্য উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করিয়েছেন বলে দাবি করেন। তাই তার বাবা এবং ভাইদের অসমাপ্ত উন্নয়ন গুলোকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে এবং এই ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এলাকাবাসীর চাওয়া থেকেই তার নির্বাচন করার প্রত্যাশা।


এছাড়া দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ বাড়ি বাড়ি ঘুরে উঠান বৈঠক করতে দীর্ঘপথ ছুটে বেড়াচ্ছেন কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে। করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন চলাকালীন এলাকার অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করাসহ প্রতিনিয়ত এলাকাবাসীর খোঁজখবর রেখেছেন।

বিভিন্ন গ্রামে আগাম গণসংযোগকালে এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আমার পরিবার এবং আমি নিজেও। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নে অংশীদার হতে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের চেষ্টা চালিয়ে যাব। তিনি গ্রামবাসীকে বলেন, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছে নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামের ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করছি। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য ভোট প্রার্থনা করছি। নির্বাচিত হলে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত কালিকা প্রসাদ ইউনিয়ন উপহার দেব এলাকাবাসীকে। ইনশাআল্লাহ।

দেশে বাড়ছে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংখ্যা

রক্তদাতাদের সংগঠন এর একটি লোগো

বাংলাদেশে এখন বছরে ৬ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন৷ এর ৯০ ভাগই পাওয়া যায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের কাছ থেকে৷ তাই পেশাদার রক্তদাতাদের দৌরাত্ম অনেকটাই কমে গেছে৷ আশা করা হচ্ছে, ৫ বছর পর পেশাদার রক্তদাতা আর থাকবে না৷

ঢাকার বিভিন্ন প্রাইভেট ব্লাড ব্যাংকে ৫ বছর আগেও বড় বড় অভিযানের খবর পাওয় যেতো৷ উদ্ধার করা হতো মানব শরীরে ব্যবহারের অনুপযোগী রক্ত৷ হাসপাতালগুলোতে গেলেই দেখা মিলত পেশাদার রক্তদাতাদের,যাঁদের প্রায় সবাই ছিলেন রক্ত দেয়ার অনুপযোগী৷ তাঁদের বড় একটি অংশই ছিলেন মাদকাসক্ত৷ তখন পেশাদার রক্তদাতাদের মাধ্যমে অনেক জটিল এবং কঠিন রোগ ছড়াতো৷

এখনো যে পেশাদার রক্তদাতা নেই, তা নয়৷ মাঝে মাঝে কথিত ব্লাড ব্যাংকে অভিযানও হয়৷ তবে দৌরাত্ম কমেছে৷ মানুষ সচেতন হয়েছে৷ চাইলে রক্ত পাওয়া যায় বিভিন্ন সংগঠন থেকে৷ অনলাইনে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের গ্রুপ আছে৷ আর সেখানে রক্তের চাহিদার সাথে ডোনারদের সম্মীলন ঘটিয়ে দেয়া হয়৷ ব্লাড ব্যাংকের সংরক্ষিত রক্ত লাগে না৷ সরাসরি ডোনারের কাছ থেকে রক্ত নিয়ে রোগীদের দেয়া হয়৷ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে নিবন্ধিত এরকম সেচ্ছায় রক্তদাতা বিশ লাখের কম হবে না৷ নিন্ধনের বাইরেও প্রচুর মানুষ এখন নিয়মিত সেচ্ছায় রক্ত দেন৷

বাংলাদেশে এই রক্তদানের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছেন শিক্ষার্থীরা৷ তাঁদের রক্তদানের সংগঠনগুলোই এগিয়ে৷

এই বিষয়ে রক্তদাতা সংঘটন ”রক্তকোষ” এর অন্যতম কর্ণদার আবু বক্কর সিদ্দিক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গরীব অসহায় রোগীদের নিয়ে কাজ করি আমাদের সংঘটনের সব সদস্যরা মিলে একসাথে। আমাদের কাছে যখনই ফোন আসে ইমারজেন্সি রক্ত লাগবে আমরা তখনই মেসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে সবার সাথে যোগাযোগ করে কাঙ্ক্ষিত ডোনার ম্যানেজ করে রোগীকে রক্তের ব্যাবস্থা করে দেয়। তিনি আরোও বলেন, রক্ত নিয়ে কাজ করতে আমাদের অনেক ভাল লাগে। দিনশেষে যখন একটা সতেজ হাসি দেখি আমাদের প্রাণ ভরে উঠে। তিনি জানান, অনেক হাসপাতাল আছে যেখানে ডোনার এর সাথে ভাল ব্যাবহার করা হয় না। আমরা যদি আমাদের কিছু দায়বদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে পারি, তাহলে সেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংখ্যা আরো দিনদিন বৃদ্ধি পাবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পরিস্থিতি বদলে দিচ্ছে৷ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

নৌকা পেতে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন মোঃ লিটন মিয়া

ছবি: মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সময়

আসন্ন চতুর্থ ধাপে ইউপি নির্বাচনে ভৈরব উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আগামী ২৩ ডিসেম্বর।
ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ লিটন মিয়া।

সোমবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার গুলিস্তানে দলীয় কার্যালয়ে ফরম সংগ্রহ করে জমা দেন। মনোনয়ন ফরম জমাদানকালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ লিটন মিয়া সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আসন্ন ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেই দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছি। আমার বিশ্বাস, সবদিক বিবেচনা করে দল আমাকে মনোনয়ন দেবে।’

মাদকের থাবায় যুব সমাজ আজ ধ্বংসের পথে


লেখকঃ #আরিফুল_ইসলাম_আশিক
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নে বেড়েছে মাদকের বিস্তার। এতে করে ধ্বংসের দিকে ধাপিত হচ্ছে যুব সমাজ। যে যুবকের বই গোছানো ব্যাগ নিয়ে স্কুল, কলেজে যাবার কথা সেই যুবক আজ ব্যাগ ভড়ে ইয়াবা, গাজা বহন করে । রাতের আধারে রাস্তার উলিতে-গুলিতে বসে সেবন করছে মরণাত্মক ইয়াবা। যার কারণে তাদের মস্তিস্ক থাকে উগ্রপন্থি। মাদকের টাকার জন্য তারা মানুষ খুন করতেও দ্বিধাবোধ করেনা। যার ফলশ্রুতিতে সমাজে বেড়ে চলছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ইভটিজিং এবং ধর্ষনের মতো নানা অন্যায় । সমাজের বিশিষ্ট্য জনদের মতে, যুব সমাজ ধ্বংসের প্রধান কারণ হচ্ছে বাবা-মার অসচেতনতা। তাদের মতে প্রতিটি বাবা-মার উচিত তাদের সন্তানের উপর নজর রাখা। তারা কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে সকল খবর রাখা। তারা আরোও বলেন এর পেছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে মাদকের সহজলভ্যতা। যার কারণে নেশায় হোক বা আবেগে মাদকে আকৃষ্ট হচ্ছে যুব সমাজ। মাদকের বিস্তার কমানো ও যুব সমাজকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনার উপায় জানতে চাইলে সেচ্ছাসেবী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক এবং সজীব ফারাবী বলেন, প্রথমত যেটা করতে হবে আইন প্রশাসনকে, মাদক বিক্রেতাদের সনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনা এবং তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত যেটা করতে হবে, প্রশাসনের সহায়তায় সমাজের প্রতিটি জায়গায় অভিবাবক সভা করে অভিবাবকদের সচেতনতা সৃষ্টি করা। প্রতিটি স্কুল, কলেজে মাদকের কুফল নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা। তাহলেই মাদকের থাবা থেকে যুব সমাজ রক্ষা করা সম্ভব।

বিশ্বস্ততা হারাচ্ছে কাছের মানুষগন

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গিয়েছে যে, প্রতি হাজারে ৩ জন করে মানুষ বিশ্বস্তবান পাওয়া যাচ্ছে।