কালিকা প্রসাদে “মৃধা বাড়ির” কমিটি গঠন

ইমরান আহমেদ, দক্ষিণপাড়া প্রতিনিধি

ভৈরব উপজেলার কালিকা প্রসাদ ইউনিয়ন এর দক্ষিণ পাড়া গ্রামের স্বনামধন্য একটি বাড়ি মৃধা বাড়ি। এটি কালিকা প্রসাদ এর ঐতিহাসিক কবরস্থান ও ব্রম্মপুত্র নদীর পাশের অবস্থিত।


মৃধা বাড়ির বংশ পরম্পরায় উন্নয়নের লক্ষে এবং সকলকে একত্রে রাখার লক্ষে “মৃধা বাড়ি ঐক্য পরিষদ” গঠন করা হয় গত ০৫/০৫/২৩ইং তারিখ এবং সাথে সাথে ই বাড়ির ১২ জন প্রবীন কে উপদেষ্টা গঠন করে নবীনদের নিয়ে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।


উক্ত কমিটিটি হলো নিম্নরুপ:
“মৃধা বাড়ি ঐক্য পরিষদ”২০২৩-২৫ইং কার্যকরি কমিটি

সভাপতিঃ মাসুদ রানা মৃধা

সিনিয়র সহ-সভাপতিঃ লোকমান মৃধা

সাধারণ সম্পাদকঃ আকরাম হাসান অভি মৃধা

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ ইমরান আহমেদ জয় মৃধা

সাংগঠনিক সম্পাদকঃ শাহিদুল ইসলাম সাব্বির মৃধা

অতঃপর উক্ত কমিটির সুপার ৫ এর সকলে কথা দিয়েছেন যে মৃধা পরিবার এর সকলকে সব ধরনের ঝগড়া ফাসাত ও ঝামেলা থেকে বিরত রাখবে।

প্রথম বারের মতো ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন “অগ্রগতি ছাত্র সংগঠন”

নিউজ ডেস্ক,

ইফতার বিতরণের সময় তুলা ছবি

প্রথম বারের মতো ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন অগ্রগতি ছাত্র সংগঠন। গতকাল অগ্রগতি ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে কালিকা প্রসাদে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংঘটনের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক সহ অন্যান্য সদস্য বৃন্দ।

গত ১৫ই মার্চ কালিকা প্রসাদে ছাত্রদের উন্নয়নমূলক অগ্রগতিকে সদুর প্রসারী করতে অগ্রগতি ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। উক্ত সংঘটনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান কালিকা প্রসাদের মেধাবী ছাত্র সামিউল ইসলাম। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান মারুফ মিয়া।

গতকাল তাদের এই সংঘটনের পক্ষ থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয়। সংঘটনের সভাপতি সামিউল ইসলাম বলেন, কালিকা প্রসাদের ছাত্রদের কারিগরি মেধা বিকাশের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব। তাছাড়া গরীব, অসহায় ছাত্রদের পড়াশোনা যেন আর্তিক সমস্যার কারনে বন্ধ না হয় সেই বিষয়ে আমরা দৃষ্টি রাখব। সামাজিক উন্নয়নে, অসহায় মানুষদেরকেও সাহায্য সহযোগিতা করবে আমাদের এই অগ্রগতি ছাত্র সংঘটন।

নারায়নগঞ্জের ফতুল্লায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী ‘কেচরা মানিক’ গ্রেপ্তার

ফতুল্লায় স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় স্বামী আটক

নিউজ ডেস্ক:

টঙ্গীতে দুই কিশোর গ্রুপের ৭ জন গ্রেপ্তার

নিউজ: একাত্তর টিভি

গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই ‘কিশোর গ্যাং’র প্রধানসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, বুধবার (৩ আগস্ট) থেকে বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) পর্যন্ত একাধিক অভিযানে দুই ‘কিশোর গ্যাং’র সাত সদস্যকে হামলা ও মারধর মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, টঙ্গী পশ্চিম থানার কাঠালদিয়া এলাকার এনামুল হক অনিক (৩১), বড় দেওড়া এলাকার রাশেদ খান মেনন (২৫), তাজুল ইসলাম (২৫), আল-আমিন (২৮), মোজাফফর হোসেন (২৮), টঙ্গী পূর্ব থানার গোপালপুর এলাকার রিফাত (২৪) ও আজাহার হোসেন (২১)। 

এদের মধ্যে ছাত্রলীগ কর্মী রাশেদ খান মেনন এবং এনামুল হক অনিক দুই ‘কিশোর গ্যাং’ দলের দলনেতা। 

উল্লেখ্য, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই ‘কিশোর গ্যাং’র মধ্যে বুধবার (৩ আগস্ট) রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানার সামনে মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় ঘটনার ভিডিও ধারণকালে স্থানীয় সাংবাদিক আরিফ চৌধুরীর উপর হামলা চালায় ওই দুই গ্যাংয়ের সদস্যরা। 

পরে ওই হামলার ঘটনায় তিনি ১১ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

৩ দফা দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিউনিস্ট পার্টির কর্মসূচি পালন

আরিফুল ইসলাম

বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি নারায়নগঞ্জ জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করেন জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। আজ সোমবার (৬ জুন) বিকাল ৩টার দিকে নারায়নগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে এই আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হয় ।

আন্দোলন কর্মসূচিতে নারায়নগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা তিন দফা দাবিতে বক্তব্য রাখেন। দাবিগুলো হলো-

১. সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের সু-চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ।

২. অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে।

৩. গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্বান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

উক্ত কর্মসূচিতে বক্তারা সরকারের নানাবিধ সমস্যার গঠন মূলক সমালোচনা করেন।

টিপ কাণ্ডের পর পরই আলোচনায় হিজাব কান্ড

ছবি: কালের কন্ঠ

মসাফির মিজান, কালিকা প্রসাদ

এক পুলিশ সদস্য একজন শিক্ষিকাকে টিপ নিয়ে লাঞ্চিত করায় সারাদেশ বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলো।
অনেক পুরুষ টিপ পরে প্রতিবাদ করেছেন।
সেই প্রতিবাদকে সাধুবাদ জানাই।

এখন দেখা যাবে ব্যক্তি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল সেকুলার সমাজ,নারীবাদীরা ২০ জন ছাত্রীকে ইউক্যালিপটাস গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে আহত করার জন্য কি আন্দোলন করেন।

সংসদে মাননীয় এমপি সুবর্ণা মুস্তফা কি বক্তব্য দেন শুনতে চাই।

এই ঘটনায় সেই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে মামলা হয় কিনা,তাকে বরখাস্ত করে তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তি দেওয়া হয় কিনা তা দেখতে চাই।

হিজাব পরে সাজু খাদেম,সুপ্রীতি ধরেরা প্রতিবাদী ছবি দেন কিনা দেখতে চাই।

ছবি: বিডি২৪লাইভ.কম

এই ঘটনায় কেউ বলে কিনা বাংলাদেশ মুসলিমদের জন্য আর নিরাপদ নয়।

হিজাব পরা নারীর চয়েজ।
তার ব্যক্তি স্বাধীনতা।
তার ধর্মীয় কর্তব্যে ফরজ।
সেখানে একজন হিন্দু শিক্ষিকা হিজাব পরার জন্য ছাত্রীদের পেটানোয় সুশীলরা কি হিন্দু ধর্মকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন?

টিপ নিয়ে কোটি কোটি শব্দের পোস্ট প্রসব যারা করেছেন, তারা হিজাব নিয়ে অন্তত হাজার শব্দের পোস্ট দেন কিনা খেয়াল করবেন।

মজা দেখার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখুন।
এখন দেখবেন চারদিকে সুনশান নীরবতা।
সেকুলার প্রগতিশীল নামধারী,নারীবাদী এক্টিভিস্ট কি ধরনের double standard বদমাইশ তা টের পেয়ে যাবেন অনায়াসে।

সেই শিক্ষিকা শুধু হিজাব নয়,মাস্ক পরার জন্য কয়েকজনকে পিটিয়েছেন।
প্যান্ডেমিকে মাস্ক পরার জন্য ছাত্রীদের নাজেহাল করেছেন যিনি তাকে তো মহামারী নিয়ন্ত্রণ আইনেও শাস্তি দেওয়া উচিত।
সেই শাস্তি এই শিক্ষিকা পান কিনা দেখেন।

দেশের বিবেকবান, সুশীল নাগরিকদের বিবেকের কদর্যতা এই ঘটনায় টের পাবেন অনায়াসে।
চোখ রাখুন চারপাশে।

ফতুল্লার কাশীপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সার্বজনীন মিলন উৎসব-২০২২।উপস্থিত থাকবেন একেএম শামীম ওসমান।

নিউজ ডেস্ক, বার্তাকক্ষ। ১০:১৯ pm

কাশীপুর সার্বজনীন মিলন উৎসব কমিটি-2022 এর পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) বিকাল আড়াইটা হতে রাত ১১ টা পর্যন্ত কাশীপুর হাটখোলা মাঠে সরকারি বিধি-নিষেধ মেনে, কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক সহযোগিতায় উক্ত উৎসবটি অনুষ্ঠিত হবে।

কাশীপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সর্বসাধারণ ও বিভিন্ন পর্যায়ের আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য এই মিলন উৎসবে থাকবে বিভিন্ন আয়োজন, যেমন: খেলাধুলা, শিশু বিনোদন, তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, মিলনমেলা, ফটোগ্রাফি, গুণীজন সম্মাননা (মুক্তিযুদ্ধ, সমাজসেবা ও শিক্ষা-মানবসম্পদ উন্নয়ন), নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি পরিচিতি, স্মৃতিচারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময়, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজ।

এ সময় উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ.কে.এম শামীম ওসমান।

উক্ত অনুষ্ঠানে উৎসব অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, পিপিএম (বার) পুলিশ সুপার, নারায়নগঞ্জ ।

এছাড়াও দেশের বিশিষ্ট পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত, বরেণ্য লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক জনাব আনিসুল হক, এবং খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক জনাব সুজন বড়ুয়া উক্ত অনুষ্ঠানে ‘উৎসব বক্তা (প্রি-রেকর্ডেড ভিডিও)’ হিসেবে যুক্ত হয়ে বিশেষ সামাজিকবার্তা প্রদান করবেন।

সার্বজনীন মিলন উৎসব কমিটির আহ্বায়ক বুয়েটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল হোসেনের মতে, ইউনিয়নের সর্ব সাধারণের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণ ও আদর্শিক সমাজব্যবস্থা গঠনের সহায়ক হিসেবেই এই সার্বজনীন মিলন উৎসব সূচনা করা হচ্ছে। উৎসবে কাশীপুরের বিশেষ দিকসমূহ উপস্থাপন করা হবে।

নারায়নগঞ্জের ফতুল্লায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী ‘কেচরা মানিক’ গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ইসদাইর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয় ওয়ারেন্টভূক্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামী কেচরা মানিককে। সোমবার (২১ মার্চ) অভিযানটি পরিচালনা করেন র‌্যাব-১১।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী ফতুল্লা গাবতলী টাগারপাড় এলাকার আব্দুস সামাদ মিয়ার ছেলে মানিক ওরফে পিচ্ছি কেচরা মানিক (৩৫)।

র‌্যাব-১১ উপ-পরিচালক (স্কোয়াড্রন লীডার) এ কে এম মুনিরুল আলম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সোমবার ফতুল্লায় ইসদাইর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ফতুল্লা মডেল থানার হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী মানিক ওরফে পিচ্ছি কেচরা মানিককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। ফতুল্লা মডেল থানায় গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ তনুশ্রী দত্তের জন্মদিন

তনুশ্রী দত্তের কোন কোন মুভি তুমি দেখেছো?
বলিউড অভিনেত্রী ও মডেল তনুশ্রী দত্ত-এর আজ জন্মদিন।
২০০৩-এ ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া খেতাব জেতেন তনুশ্রী। ২০০৪-এ মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতাতেও অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। প্রথম ১০ জনের মধ্যেও ছিলেন। এরপর ২০০৫-এ ইমরান হাশমির সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘আশিক বনায়া আপনে’ দিয়ে বলিউডে যাত্রা শুরু। সুপার হিট হয়েছিল সেই ছবি। শুধু মডেলিং বা অভিনয়ই নয়, নাচ-গান দুটিতেই পারদর্শী তনুশ্রী।
তানুশ্রী দত্ত১৯৮৪ সালের ১৯শে মার্চ জন্মগ্রহণ করেন ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুরে একটি রক্ষণশীল বাঙালি হিন্দু পরিবারে।
‘আশিক বনায়া আপনে’র পরও বেশকিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন তনুশ্রী। কিন্তু বলিউডে নিজের জায়গা ধরে রাখতে পারেননি। ধীরে ধীরে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে।
#তনুশ্রী_দত্ত #১৯_মার্চ

‘ঝ’ বগি ছাড়াই ঢাকায় ছুটল একতা এক্সপ্রেস

‘ঝ’ বগি ছাড়াই ঢাকায় এলো আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেন। টিকিট কেটেও বগি না থাকায় যাত্রীরা ঢাকা যেতে না পেরে চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে বগিটির যাত্রা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেসের ‘ঝ’ বগিতে মোট আসন সংখ্যা রয়েছে ৯০টি। এর মধ্যে দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ২০টি। সোমবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে দিনাজপুর স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল একতা এক্সপ্রেসের। কিন্তু ট্রেনটি ১৮ মিনিট দেরি করে রাত সাড়ে ১১টায় দিনাজপুর থেকে ছেড়ে যায়।

ট্রেনটি পঞ্চগড় থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে প্রতিদিন চলাচল করে। কিন্তু মঙ্গলবার রাতের জন্য দিনাজপুর স্টেশন থেকে ‘ঝ’ বগির টিকিট বিক্রি হলেও ট্রেনটিতে ‘ঝ’ বগি সংযুক্ত ছিল না। এতে ঢাকা যেতে না পেরে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন।

দিনাজপুর পৌর শহরের হিরাবাগান এলাকার সৌরভ অধিকারী বলেন, আমি মোটরসাইকেল পার্টস ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার সকালে স্টেশনে এসে টিকিটি পাইনি। কিন্তু আমাকে ঢাকায় যেতে হবে। তাই বাধ্য হয়ে চোরাকারবারীদের কাছ থেকে দ্বিগুন দাম দিয়ে টিকিট কিনতে হয়েছে। রাতে স্টেশনে এসে দেখি আমার টিকিটের উল্লেখ করা বগিটি নেই। পরে কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায় ‘ঝ’ বগিটির যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।

যাত্রী রাইহান ইসলাম বলেন, আমার বাসা ঠাকুরগাঁওয়ে। আমি ঢাকার বাটারফ্লাই শোরুমে চাকরি করি। বহু কষ্টে এক বন্ধুর মাধ্যমে দিনাজপুর স্টেশন থেকে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতে পেরেছি। কিন্তু আমার যাওয়ার বগিটি না থাকায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছি।

এ ব্যাপারে দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশনের কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার মোক্তার আলম জাগো নিউজকে বলেন, লালমনিরহাট থেকে কন্ট্রোল অর্ডারে (আদেশ) আমাদের জানানো হয়েছে ‘ঝ’ বগিটি বাতিল। পঞ্চগড়ে বগিটিতে সমস্যা হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে। আমরা যাত্রীদের বলেছি তারা যেন টিকিট ফেরত দিয়ে সমপরিমাণ টাকা ফেরত নেন।

সূত্র: jagonews24.com

সিরাজুল ইসলাম কুরাইশি রহমতুল্লাহি আলাইহি এর জন্ম ইতিহাস

আল্লাহর ওলী মজ্জুব –
হযরত সিরাজুল ইসলাম কোরাইশী (রহঃ) প্রকাশ সিরাজ পাগলা বাবাজানে’র জীবনী পরিচিতি
ও-কারামাত প্রসঙ্গ
#পিতৃকুল
আল্লাহর ওলী মজ্জুব হযরত সিরাজুল ইসলাম কোরাইশী (রহঃ)প্রকাশ পাগলা বাবা‘র পিতৃকুল পরচিত। পিতা হযরত মৌলভী শেখ একরাম হোসেন (বহঃ) বিগত ইংরেজী ২ জানুয়ারী ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দ ৫ আষার ১২৯৭ বঙ্গাব্দে, রোজ : সোমবার কিশোরগঞ্জ জেলাধীন ভৈরব উপজেলা কালিকা প্রসাদ গ্রামে বিশিষ্ট এক শেখ পরিবারে জন্মগ্রহন করেন ও ইংরেজী ৩০ আগস্ট ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, ১৫ ভাদ্র ১৩৭৫ বঙ্গাব্দে, রোজ : শুক্রবার (বেলা ১০ ঘঠিকায়) পরলোক গমণ করেন। তার পিতামহ হযরত মিয়াদর মিন্সী (রহঃ) অত্যন্ত পরহেজগার, দ্বীনদার ও আল্লাহ পাকের খাছ বান্দা ছিলেন। তারই ঔরশে জন্মলাভ করেন এক মহান সুপুরুষ হক্কানী আলেম, মোকাম্মেল দ্বীনদার হযরত শেখ মৌলভী একরাম হোসেন (রহঃ)।যাদের পূর্বপুরুষ বাংলার ঐতিহাসিক সুবেদার হযরত মীর জুমলার বংশধর নামে পরিচিত।যাদের আগমন সুদুর আরব থেকে ইরানের তাজিকিস্তান অধিবাসী। হযরত মীর জুমলা (রহঃ)দিল্লীর সম্রাট আওরঙ্গজেবের সেনাপতি ছিলেন।
পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলার সুবেদার পদে নিযুক্ত হন। পাগলা বাবা (রহঃ)‘র পিতামহ হযরত মিয়াদর মুন্সী (রহঃ) নিজ সন্তানদের ধর্মীয় বিদ্যায় সুশিক্ষিত করে তুলেন। সন্তানদের মধ্যে হযরত শেখ মৌলভী একরাম হোসেন (রহঃ) অত্যন্ত ধর্মানুরাগী ও এলেম পিপাসু ছিলেন। ভাগ্যের পরিহাস মাত্র ৭ বছর বয়সে তার পিতা ইন্তেকাল করেন। পিতার ইন্তেকালের পর বালক একরাম হোসেন খুবই চিন্তিত হয়ে পরলেন। শৈশবকালে মাতৃ-পিতৃ বিয়োগের সকল ব্যাথা বুকে নিয়ে বালক একরাম হোসেন এলেম শিক্ষার উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়লেন। আল্লাহর ওলীদেরকে আল্লাহপাক সর্বত্যগী করে নিজের দিকে আপন করে টেনে নেন। বালক একরাম হোসেন ভারতের লোক্ষনুতে কানপুর গিয়ে মাদরাসায় ভর্তি হয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে ভারতের সেই লোক্ষনুতেই একটি জামে মসজিদে প্রায় ১৫ বছর যাবত পবিত্র ইমামতির দায়িত্ব পালন করে বিশেষ সুখ্যাতি অর্জন করেন। পরিশেষে লোক্ষনো ছেড়ে নিজ দেশে ফিরে এসে কালিকা প্রসাদ গ্রামে নিজ বাড়ীতে অবস্থান করেন।
তারপর তিনি ভৈরব রেলওয়ে জামে মসজিদে দীর্ঘ ১০ বছর ইমামতি দায়িত্ব পালন করে ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ ফকিরটোলা জামে মসজিদে ৩২ বছর যাবত ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষে ভৈরব চন্ডিবের হাজী আসমত আলী জামে মসজিদে ৩ বছর যাবত ইমামতির শেষ দায়িত্ব পালন করেন। হযরত একরাম হোসেন (রহঃ) জীবনের ৬০ বছর পর্যন্ত পবিত্র ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন। আল্লাহ পাক যাকে তার খাছ বান্দা হিসেবে নিযুক্ত করেন তার দ্বারা ধর্মীয় দ্বীনের সেবা খেদমত গ্রহন করেন এবং তাকে সুউচ্চ পদে ভূষিত করেন।
হযরত মৌলভী একরাম হোসেন (রহঃ) ৩৭ বছর বয়সকালে সংসার জীবনে আবদ্ব হন। পাগলা বাবাজানে’র জননী মরহুমা হাসনা খাতুনকে ১৮ বছর বয়সকালে শুভ বিবাহে পরিণত করেন।যিনি ভৈরবপুর উত্তর পাড়া মরহুম আব্দুল হামিদ মুন্সী সাহেবের সুযোগ্য দীনদার পরহেজগার কন্যা। পাগলা বাবা‘র জননী হাসনা খাতুনের পবিত্র ঔরশে জন্ম লাভ করেন আল্লাহর ওলী মজ্জুব হযরত সিরাজুল ইসলাম কোরাইশী (রহঃ) এবং তার ছোট বোন ছিদ্দিকা খাতুন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! পাগলা বাবা‘র ৩ বছর বয়সকালে তার মা – জননী হাসনা খাতুন পরলোক গমন করেন।
জগে যা কিছু ঘটে সবই মহান আল্লাহ পাকের ইচ্ছা। পাগলা বাবাজানের মাগা ছাহেবানী বিদায়ের পর তার পিতাজান হযরত একরাম হোসেন সংসারের দায় দায়িত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ব হন। ভৈরব উপজেলার ভৈরবপুর দক্ষিণ পাড়া আঃ করিম সাহেবের নেককার পরহেজগার কন্যা জুলাইখা খাতুন কে দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ব করেন। জুলাইখা খাতুন বিশুদ্ধ ভাবে কোরআন পাঠের উস্তাদ ছিলেন। এছাড়া খুবই পরহেজগার ও আবেদা রমনী ছিলেন।যার কাছে শত শত মহিলা পুরুষ পবিত্র মাসআলা শিক্ষা গ্রহণ করেন। অনেকেই তার শিক্ষা মসজিদে ইমামতি ও ধর্মীয় প্রশিক্ষণে মিয়াছাহেব গিরি করেন। পাগলা বাবা‘র দ্বিতীয় মাতা জুলাইখা খাতুন ঐ সময়ে একজন ধর্মীয় উস্তাদ ও আল্লা ওয়ালা বলে সু-পরিচিতি ছিলেন।যার ধর্মীয় শিক্ষা অবদানে এলাকাবাসী চির কৃতঙ্ঘ। জুলাইখা খাতুন ইংরেজী ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহন ও ইংরেজী ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। পাগলা বাবা’র পিতা দ্বিতীয় সংসারে মরহুমা জুলাইখা খাতুনের পবিত্র ঔরশে জন্ম নেয় দুই পুত্র (১) শাহ্ সুফী মোঃ তাজুল ইসলাম (২) মোঃ জহিরুল ইসলাম এবং (১)জহুরা খাতুন (২) শামসুন্নাহার। হযরত মৌলভী একরাম হোসেন (রহঃ) আল্লাহ, রাসূলের খাটি প্রেমিক ছিলেন। তিনি ধর্মীয় খেদমত- সেবা এবং পবিত্র ইমামতির দায়িত্ব পালন করে নিজের গোটা জীবন অতিবাহিত করেন। হযরত মৌলভী একরাম হোসেন (রহঃ) ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে ইহকাল ত্যাগ করে পরলোক গমন করেন। জন্ম-মৃত্যু নিয়েই সৃষ্টি কুলের রহস্য এ বিধান কেহই রদ করতে পরে না। আমরা সকলেই সেই মহা-পরকালের পথ অনুসরণ করি এবং পরকালের সম্বল অর্জন করি। আল্লাহ পাক আমাদেরকে পরকালের পরম কৃপা দান করুন।

কালকিনিতে রাতের আধারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

মৃত ছেলের ছবি

সিনিয়র রিপোর্টার: হৃদয় হাসান, মাদারীপুর প্রতিনিধি, ২৪.০২.২০২২ ইং

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের মহরদ্দির চর ৩নং ওয়ার্ডের মোঃ বারেক সরদারের পুত্র মোঃ জহিরুল সরদার(১৮) কে রাতে ঘরের গেইটের তালা ভেংগে তার রুমে প্রবেশ করে হত্যা করা হয়।
নিহতের শরীরের মাথা এবং ঘারে তিনটি কোপ এবং মাথার কপালের ডান পাশের উপরে দুটি কোপের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

বুধবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২ইং রাতে প্রতিদিনের ন্যায় জহিরুল রাতের খাবার খেয়ে রাত ৯:০০ টার সময় ঘুমিয়ে পরে।

সকালে জহিরুল কে তার মা রুমে গিয়ে ডাকলে কোনে সারা শব্দ না পেলে কম্বল সরালে দেখে রক্তাক্ত লাশ।
তার ডাক-চিৎকার শুনে প্রতিবেশী ও এলাকার লোক জন চলে আসলে তারা পুলিশকে খবর দেয়।

কালকিনি থানা পুলিশ, এসপি ও এএসপি এবং সি আই ডি এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে মর্গে প্রেরণ করে।

রিপোর্টঃ এস এম শাহ্জালালমাদারীপুর এর কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের মহরদ্দির চর ৩নং ওয়ার্ড এর মোঃ বারেক সরদারের পুত্র মোঃজহিরুল(১৮) কে রাতে ঘরের গেইটের তালা ভেংগে তার রুমে প্রবেশ করে হত্যা করা হয়।নিহতের শরীরের মাথার ঘারে তিনটি কোপ এবং মাথার কপালের ডান পাশের উপরে দুটি কোপের চিহ্ন আছে।বুধবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২ইং রাতে প্রতিদিনের ন্যায় জহিরুল রাতের খাবার খেয়ে রাত ৯:০০ টার সময় ঘুমিয়ে পরে।সকালে জহিরুল কে তার মা রুমে গিয়ে ডাকলে কোনে সারা সব্দ না পেলে কম্বল সরালে দেখে রক্তাক্ত লাশ।তার ডাক চিৎকার শুনে প্রতিবেশী ও এলাকার লোক জন চলে আসলে তারা পুলিশকে খবর দেয়।কালকিনি থানা পুলিশ, এসপি ও এ এসপি এবং সি আই ডি এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে মর্গে প্রেরণ করে

বাড়ি থেকে বয়ফ্রেন্ডের হাত ধরে পালিয়ে গিয়ে ভয়াবহ বিপদে তরুণী

আরিফুল ইসলাম আশিক

রাত তখন গভীর, ঘড়ির কাঁটায় আনুমানিক ২ (দুই) টা বাজে। চারদিকে ঝিঝি পোকার শব্দে ভোভো করছে।

আমি পড়ছিলাম। কারন তিনদিন পর আমার প্রি-টেস্ট পরীক্ষা আছে। পড়তে পড়তে অনেক খিদে পায় আমার। বন্ধু ঈমান কে ফোন দিলাম। ও পাদুকার কাজ করে। আর পাদুকার কাজ রাত জেগে করতে হয়। রাতেই কাজের চাপ বেশি থাকে।

” কীও কই আপনি?” জিজ্ঞেস করলাম। “আমি তো কাজ করছি, সে জবাব দিলো”। বললাম, অনেক খিদে লাগছে চল খাইতে যাব। ঈমান বলল, আমারও খিদে লাগছে, বাসস্ট্যান্ড আসো আমি বের হচ্ছি।

বাসস্ট্যান্ড গিয়ে ফোন দিলাম, “আমি যাত্রী ছাউনিতে, আসো”। ঈমান আসার পর গেলাম কুদ্দুস কাকার হোটেলে। গিয়ে দেখি, হোটেল বন্ধ করার প্রস্তুতি চলছে। খাওয়ার কোন বেবস্থা নেই। খাইতে যখন বের হয়েছি খেয়েই ফিরব” ঈমান বলল। কিভাবে খাবে সব দোকান তো সব বন্ধ।

সে বলল, সি এন জি নাও, ভৈরব যাব। গরুর মাংসের ঝুল দিয়ে নান রুটি খাব। আমিও মনে মনে ভাবছি, অনেক দিন ধরে খাওয়া হয় না, সুযোগ টা হাত ছাড়া করলে চলবে না। সি এন জি নিলাম। উঠে পড়লাম দুইজন। ঘটনাটা তখন থেকেই শুরু।

সি এন জির পেছনে একটা ছেলে ও মেয়ে বসা আছে। মেয়েটা কান্না করছে আর ছেলেটা তাকে বুঝানোর চেষ্টা করছে। তাদের হাবভাব দেখে মনে হলো তারা বাড়ি থেকে পালিয়েছে। ছেলেটা মেয়েটাকে বলছে, তোমাকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না। তুমিই আমার সব। মেয়েটা তার পরও কান্না থামাচ্ছে না। সি এন জি ভৈরব এসে থামল। মেয়েটা কালো বোরকা পড়ে মখুস পরা ছিল। আমরা সি এন জির ভাড়া দিয়ে আল জাজিয়া রেস্টুরেন্ট এ চলে আসলাম।

হাত মুখ ধুয়ে ঈমান হোসেন মেসিয়ারকে অর্ডার করলো, চারটা নান রুটি আর গরুর মাংসের ঝুল  দেন। মেসিয়ার আমাদের আলাদা আলাদা করে দুইজনকে খাবার দিয়ে গেল। খেতে খেতে দুইজন সি এন জির মেয়েটার আলাপ করছিলাম। কিছুক্ষণ পর দেখলাম সি এন জিতে দেখা ছেলে আর মেয়েটা রেস্টুরেন্টে ডুকলো। তারা আমাদের পাশের টেবিলে বসে ছিল। ছেলেটা মেয়েটাকে বলল, তুমি বস আমি যাব আর আসব। মেয়েটি বলল, আমি একা কি করে থাকব? “মোবাইলের টাকা শেষ হয়ে গেছে। রিচার্জ করেই চলে আসব” এই বলে ছেলেটা বের হয়ে গেল। তার হাতে একটা লাল বক্স ছিল।

আমরা খাচ্ছিলাম আর ঘটনাটা দেখছিলাম। আমাদের খেতে খেতে বেশ অনেক টা সময় চলে গেল। ছেলেটা গিয়েছে প্রায় ৪০ মিনিট হয়ে গেল। ফিরে আসছে না। মেয়েটা ফোন দিচ্ছে কিন্তু ছেলেটা ফোন রিসিভ করছে না। পুরো রেস্টুরেন্টে আমরা তিনজনই ছিলাম। আমি, ঈমান হোসেন আর ঐ মেয়েটা। খাওয়া শেষ করে বিল পরিশোধ করে চলে আসব ঠিক ঐ সময় খেয়াল করলাম মেয়েটা কান্না করছে।

বিষয়টা আমাদের দুইজনের কাছে খুব রহস্যময় মনে হলো। তখন আমরা মেয়েটার কাছে গেলাম। ঈমান হোসেন মেয়েটাকে বলল, আপনাদের বিষয়টা আমাদের খুলে বলবেন কি হয়েছে? তখন থেকেই খেয়াল করছি আপনি এক নাগাড়ে কান্না করেই যাচ্ছেন। কি হয়ছে আপনার?

মেয়েটি বলল, আগে আমাকে এখান থেকে নিয়ে চলেন। আমরা কথাটি শুনে ভয় পেয়ে গেলাম। “কোনো ঝামেলায় জড়িয়ে যাচ্ছি না তো”? ঈমান হোসেনকে বললাম। সে বলল, না। মেয়েটি বিপদে পড়েছে, তাকে সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।

আমরা আবির ভাই কে ফোন দিলাম। ওর বোনের বাড়ি স্টেডিয়াম মোড়। মেয়েটিকে নিয়ে তার বোনের বাড়ী উঠলাম। আগে মেয়েটিকে ফ্রেশ হয়ে আসতে বললাম। মেয়েটি ফ্রেশ হয়ে আসলো। আবির ভাইয়ের বোন মেয়েটিকে ভাত বেড়ে দিলো। খাওয়া দাওয়া শেষ করে মেয়েটি আমাদের সব খুলে বলতে লাগলো।

আমি আনিকা। বাড়ি ময়মনসিংহ। আমি……………..

বাকি গল্প পরের পর্বে দিব, ইনশাআল্লাহ্।।।

ফুলের মালা গলায় নিয়ে দায়িত্ব বুঝে নিলেন কাঞ্চন-নিপুন

গতকাল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) মান্না ডিজিটাল কমপ্লেক্সের সামনে খোলা প্রাঙ্গণে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

সেসময় উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী সভাপতি মিশা সওদাগর ও নন্দিত অভিনেতা আলমগীর। নির্বাচিতদের মধ্যে ছিলেন ফেরদৌস, সাইমন, আরমান, কেয়া, শাহনূর, অমিত হাসান, আজাদ খানসহ আরও অনেকেই। সবার উপস্থিতিতে দোয়া ও শুভকামনা চেয়ে চেয়ারে বসেন কাঞ্চন-নিপুণ।

উক্ত শপথের মাধ্যমে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২০২৪ মেয়াদের দায়িত্ব বুঝে নিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত সদস্যরা। এসময় নির্বাচিত অন্য শিল্পী ও উপস্থিত শিল্পীরা কাঞ্চন-নিপুণের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘সবাইকে ধন্যবাদ আমাদের সমর্থনের জন্য। মিশাকে আমি স্পেশালি ধন্যবাদ জানাই। ও আজ এসেছে। আমাদের আনন্দটা বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা চেষ্টা করবো শিল্পীদের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করতে।’

সাধারণ সম্পাদক নিপুণ বলেন, ‘আমার জয়ে চলচ্চিত্র শিল্পীদের মধ্যে যে আনন্দ দেখছি তা আমাকে আপ্লুত করেছে। যারা দীর্ঘদিন বঞ্চিত ছিলেন, সমিতিতে আসতে পারেননি তারা আজ এসেছেন। কাঁদছেন আমাকে জড়িয়ে। মনে হচ্ছে অনেকদিন নিজ বাড়িতে ফিরেছেন। এই আনন্দ নিয়ে সবার জন্য কাজ করতে চাই।’

শপথ অনুষ্ঠানে আগের প্যানেলের মিশার উপস্থিতি বাড়তি আকর্ষণ হয়েছিল।

সাবেক সভাপতি মিশা সওদার বলেন, ‘এখানে সবাই আমাদের কাছের লোক। মালাবদল ছাড়া কোনো কিছু না। আশা করছি তারা আরও ভালো কাজ করবেন শিল্পীদের জন্য। এখানে কাঞ্চন ভাই আছেন। আমাদের সবার প্রিয় ভাই। তিনি তার ব্যক্তিত্ব ও সততা দিয়ে শিল্পীদের উন্নয়নে কাজ করবেন।

তবে আসেননি বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। মূলত আপিল বিভাগ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই পদটির চূড়ান্ত হয়। যেখানে প্রার্থিতা বাতিল হয় জায়েদের। জয়ী হন নিপুণ।

অনলাইন শিক্ষা ও বাস্তবতা

লেখক: সাইদুর রহমান সাইফ

শিক্ষার সাথে জড়িত হওয়ার কারণেই বোধহয় বর্তমান শিক্ষার হালচাল নিয়ে দুই-চারটি কথা মনের মধ্যে গুরুপাক খাচ্ছে। সাধারণভাবে বলতে গেলে শিক্ষা মানুষকে শেখায় কিভাবে উপলব্ধি শক্তি শাণিত করতে হয়, কিভাবে আরও উন্নত মননশীলতা চর্চা করতে হয়। উন্নত মননশীলতা চর্চায়, শিক্ষার চেয়ে অনুঘটক কিছুই হতে পারে না। সেই জায়গা যদি পতনশীলতা শুরু হয়, তাহলে তার প্রভাব গোটা সমাজব্যবস্থার উপর পড়ে। যা একটি সুস্থ সমাজ গঠনে সম্পূর্ণ বিপরীত। একথা অবশ্যই দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে আমাদের শিক্ষায় পতনশীলতা শুরু হয়েছে। শিক্ষার সাথে জড়িত সকল উপাদান-উপকরণ যেন প্রাণ হারাতে বসেছে।

এবার আসি আসল কথায়। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে আমি দু’ভাগে ভাগ করতে পারি — শারীরিকভাবে উপস্থিতিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা ও ভার্চুয়াল শিক্ষাব্যবস্থা। আমার মনে হয় সৃষ্টির শুরু থেকে এই গ্রহের মানবজাতি শিক্ষালাভ করেছে শারীরিকভাবে উপস্থিত থেকে। বর্তমানে আমরা যে অনলাইন শিক্ষার সাথে পরিচিত – তা মানবজাতির হাজারকোটি বছর এরকম ছিল না, অথবা এরকম থাকার কোন কারণ থাকতে পারে না। আমার মনে হয় শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়ে শিক্ষকের কাছ শিক্ষালাভের পেছনে অনেকগুলো অর্থবহ – যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। যা মানবজাতির স্বাভাবিক জ্ঞানের স্ফূরণ ঘটাতে সক্ষম। মানুষের মস্তিষ্ক, চোখ, বিভিন্ন ইদ্রিয় শারীরিকভাবে উপস্থিতিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার সাথে খাপ খাওয়াতে সক্ষম। এবং এই শিক্ষাগ্রহণ পদ্ধতিই বৈজ্ঞানিকভাবে টেকসই। ঠিক তার উল্টো হলো অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা। অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন মানবজাতির মস্তিষ্কে প্রথম আঘাত বললে বেশি বাড়িয়ে বলা হবে না। এ শিক্ষাব্যবস্থাকে মানবজাতির সৃজনশীল চিন্তাশক্তি ধ্বংসের প্রাথমিক পদক্ষেপ বলে মনে করব।

শিক্ষা মানুষকে মানবিক হতে শেখায়, আরও জোরেশোরে বলতে গেলে বলতে হবে পরিশোধিত হতে শেখায়, ভেতরের আর্বজনা-জঞ্জালকে পরিষ্কার করতে শেখায়। কিন্তু বর্তমান শিক্ষার্থীদের অবস্থা এমন পর্যায়ে এসে উপনীত হয়েছে, সেখানে তারা অনলাইন শিক্ষার নামে খুব একটা বেশি কিছু শিখছে না, বরং তা বুমেরাং হয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক বৈকল্যতাকে ত্বরান্বিত করছে। অনলাইন শিক্ষা পদ্ধতিকে নির্জীব, নিষ্ক্রিয় এবং আনন্দহীন বলা যায়।স্কুলে-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে অনেক প্রস্তুতির দরকার হয়। সেই প্রস্তুতি কর্ম শিক্ষার্থীদেরকে অনুশীলন করতে শেখায়, আবার সেই অনুশীলন শিক্ষার্থীদেরকে সামাজিকরণ শেখায়, পৃথিবীর সাথে বেড়ে উঠার মানবিকতা শেখায়। অনলাইন শিক্ষা সে পদ্ধতি থেকে অনেক দূরে। এ শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানবিক হওয়ার পরিবর্তে নিজের ইন্দ্রের সক্রিয়তা নষ্ট করে দিচ্ছে। যা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠার সম্পূর্ণ বিপরীত।

এই গ্রহে মানবজাতির ঠিকে থাকার পেছনের গল্পটি শুধু– মানুষ কতটুকু প্রকৃতির সাথে মানিয়ে নিয়েছে তার উপর নির্ভর করছে। অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতি সাথে মানুষের কোন প্রাকৃতিকতা নেই। যা আছে শুধু কৃত্রিমতা, মেকি প্রতিযোগিতায় ভরপুর। মানুষ পৃথিবীর অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে ঠিকে রয়েছে।এই শিক্ষা প্রকৃতির বিরুদ্ধকাজ। যে শিক্ষা মানুষের মস্তিষ্কের সাথে খাপ খায় না; সে শিক্ষা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে তার নেতিবাচক প্রভাব শরীরে ও মনে অবশ্যই পড়বে। চিন্তাশক্তির হ্রাস পেতে থাকবে। মানুষের শরীর এই শিক্ষার জন্য কতটুকু উপযোগী তা নিয়ে এখনই গবেষণা করা উচিত।

বর্তমানে খুবই অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থীরা অনলাইন শিক্ষা থেকে উপকৃত হচ্ছে। বলা যায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ফেইসবুক, ইউটিউবসহ নানা গ্রুপ- মেসেঞ্জারে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। এই আসক্তি কিন্তু মাদকের আসক্তির চেয়ে কম নয়, বরং আরও ভয়াবহ, আরও ধ্বংসাত্বক। আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক শিক্ষার্থীদেরকে পর্যবেক্ষণে জেনেছি তারা মোবাইল ফোনে গেমসে আসক্ত। এই আসক্তি ঐ শিক্ষার্থীসহ তার পরিবারকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

একদল আবার একথা বলতে শুরু করবেন প্রত্যক কাজেরই ইতিবাচক-নেতিবাচক দিক রয়েছে। আমরা ইতিবাচক দিকটাকে গ্রহণ করি না কেন? আপনি ইতিবাচক দিক গ্রহণ করেন, তাতে আমার কোন আপত্তি থাকবে না। কিন্তু মশাই যেসব ছাত্র-ছাত্রীরা মানসিক বিকারগ্রস্ততায় ভুগছে, তাদের খবর আপনি জানেন? এখনই উপযুক্ত সময় হল অপরিপক্ক বয়সে এবং মানসিকতা গঠনের সময় অনলাইন শিক্ষার নামে যারা তাদেরকে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন মোবাইল ফোন ধরিয়ে দিছেন, তা কেড়ে নেওয়া।আর তা এই মুহূর্তে না করলে মানসিক প্রতিবন্ধী একটি প্রজন্ম আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। এইসব মানসিক প্রতিবন্ধী প্রজন্ম চিন্তায় সংর্কীণতায় ভুগবে। অল্পতেই অস্থিরতায় ভুগবে। এই মানসিক প্রতিবন্ধী প্রজন্মের দ্বারা ভবিষ্যত বুদ্ধিদীপ্ত জাতি উপহার দেওয়া সম্ভব নয়?

মানুষ মাটিলগ্ন হবে। মাটিলগ্ন মানুষের চিন্তা শক্তিই সভ্যতার নিয়ামক। শিক্ষাকে বাতাসের মধ্যে ছেড়ে দিয়ে পৃথিবীর অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে কোন সংযোগ না থাকলে — সেই শিক্ষা অর্জনে কোন ফলপ্রসূতা পাওয়া যাবে না। অধিকন্তু শিক্ষার এই কৃত্রিমতার নেতিবাচক ফলাফল মানবজাতির জন্য অশনিসংকেত –তা আদর্শিক মানুষ হওয়ার পেছনে অন্তরায়।

আমাদের শিক্ষাখাতে বরাদ্দ অনেক কম। শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো সংষ্কার করতে হলে শিক্ষাখাতে বাজেট বাড়াতে হবে। বর্তমান এই মহামারি সময়ে শিক্ষাখাতে আরও বরাদ্দ বাড়ানো উচিত বলে মনে করি। বর্তমান জিডিপির ২% শিক্ষাখাতে বরাদ্দ। আর শিক্ষাখাতে জাতিসংঘের ঘোষিত জিডিপি হল ৫.৫%। সেখানে আমরা জিডিপির অর্ধেকও শিক্ষাখাতে বরাদ্দ করছি না। শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে শিশুদের শিক্ষার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করলে পারলে – অনেক শিক্ষার্থীদেকে শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া রোধ করা সম্ভব।

রক্তকোষ (স্বেচ্ছায় রক্তদাতা সংগঠন) পরিবারের পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরন

আবু বক্কর সিদ্দিক, সিনিয়র রিপোর্টার।

ছবি: রক্তকোষ কর্তৃক শীত বস্ত্র বিতরনের সময়।

রক্তকোষ (স্বেচ্ছায় রক্তদাতা সংগঠন) পরিবারের পক্ষ থেকে গতকাল ছনছাড়া এতিমখানার বাচ্চাদের শীতের কাপড় উপহার পৌঁছে দিয়েছেন রক্তকোষ সংঘটনের একাংশ। রক্তকোষ এর প্রতিটি সদস্য কৃতজ্ঞতা জানালেন সেই সকল পিছনের কারিগরদের, যাদের সহযোগিতা আর ভালবাসা তাদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগিয়েছে।

আল্লাহর ইচ্ছায় প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে ঋতুর পালাবদল ঘটে। কনকনে হিমেল হাওয়া ও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ দরিদ্র জনগোষ্ঠী-অধ্যুষিত অঞ্চলে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং মানুষের অসহায়ত্বকে প্রকট করে তোলে। তাই শীতার্ত হতদরিদ্র মানুষের প্রতি সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তশালী ব্যক্তিদের সাহায্য ও সহানুভূতির হাত সম্প্রসারিত করে তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে শীতবস্ত্র বিতরণ করে তাদের পাশে এসে দাঁড়ানো দরকার। নিঃস্বার্থভাবে শীতার্ত মানুষের সাহায্য ও সেবা করাই মানবতার সেবা। এমন মহৎ ও পুণ্যময় কাজই সর্বোত্তম ইবাদত। অসহায় মানুষকে দুর্দিনে সাহায্য, সহানুভূতি ও সহমর্মিতার মানসিকতা যাদের নেই, তাদের ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না। সুতরাং নামাজ, রোজার সঙ্গে জনকল্যাণের তথা মানবিকতা ও নৈতিকতার গুণাবলি অর্জন করাও জরুরি।

আর এই বিষয়টাকে বুকে ধারণ করে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন রক্তকোষের প্রতিটি সদস্য।

সমাজের সংগতিসম্পন্ন ও সচ্ছল মানুষের ঘরে বছর পরিক্রমায় শীতকাল ঋতু হিসেবে আনন্দ ও খুশির বার্তাবহ হলেও দেশের বৃহত্তর জনজীবনে শীত নৈরাশ্য ও বেদনার ধূসর বার্তাবাহক মাত্র। হাড়কাঁপানো শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবনে শৈত্যপ্রবাহ থেকে বাঁচার জন্য অসহায় দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন অনেক শীতবস্ত্রের।

নবী করিম (সা.) মানুষকে অন্ন ও বস্ত্রদানের পরকালীন পুরস্কারপ্রাপ্তির কথা বলেছেন, ‘এক মুসলমান অন্য মুসলমানকে কাপড় দান করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের পোশাক দান করবেন। ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাদ্য দান করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সুস্বাদু ফল দান করবেন। কোনো মুসলমানকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় পানি পান করালে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সিলমোহরকৃত পাত্র থেকে পবিত্র পানি পান করাবেন।’ (আবু দাউদ)।

রাজধানীর রামপুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

বায়জিদ, রামপুরা

ছবি: মৃত্যুবরণকারী ছাত্র

রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

এদিকে ওই শিক্ষার্থীর নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করেছে উত্তেজিত জনতা।  তারা  বেশ কয়েকটি বাসে আগুন দিয়েছে বলে জানা গেছে। 

ছবি: ঘটনাস্থলে আগুন ঝুলানো অবস্থায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাত পৌনে এগারোটার দিকে রামপুরা বাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তারা জানান,  রামপুরা বাজারের সামনে বাসের কন্ডাক্টরের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে মাহিন নামের এক স্কুল ছাত্রকে বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয় ওই বাসের হেলপার।

রাস্তায় পড়ে যায় সে। এরপর চলন্ত বাস তার মাথার উপর দিয়ে চালিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনা স্থলেই মাহিনের মৃত্যু হয়।
তার সাথে একজন চা বিক্রেতারও মৃত্যু ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, বাসচাপায় রামপুরা বাজারের সামনে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধ করেছে।

রামপুরার বনশ্রীতে এক মেয়ের বয়ফ্রেন্ডের সাথে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা

বায়জিদ, রামপুরা

ছবি: সংগ্রহীত।

সকাল ১১ টায় রামপুরার বনশ্রীতে ঘটনাটি ঘটতে দেখা যায়।

ঘড়িতে তখন বেলা এগারোটা বাজে। মেয়েটি তার নিজের বাসা থেকে সোনা-দানা টাকা-পয়সা নিয়ে বাড়ির গেইট দিয়ে দৌড়ে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির গার্ড তাদেরকে দেখে ফেলে।

গার্ড তখন তাদেরকে আটকানোর জন্য একটা বুদ্ধি বের করে। ছেলে ও মেয়ে দুজনকে চোর চোর বলে ডাকতে শুরু করে। গার্ডের ডাকাডাকিতে আশেপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। ঐ মুহুর্তে ছেলে মেয়ে দুজন দৌড়ে গাড়িতে উঠে যাচ্ছিলো। পরে ঘটনা স্থলে ঝরো হওয়া মানুষ তাদেরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। তারপর সবাই মিলে ছেলেটিকে অনেক মারধোর করে।

একসময় তারা দুজনকে মেয়েটির বাসার সামনে নিয়ে যায়। ততক্ষণে পুরো জায়গা লোকারণ্য হয়ে পড়ে। তারপর পুলিশ এসে ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করে। পুলিশ এসে মেয়েকে তার বাবা মায়ের হতে তুলে দেয়।

উল্লেখ্য যে, এলাকার লোকজন বলেন যে মেয়েটি ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাচ্ছিলো ঐ মেয়ের বড় বোনও বয়ফ্রেন্ডকে না পাওয়ায় সুসাইড করেছিলো।

রামপুরায় এক কলেজ ছাত্রকে গলাধাক্কা দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দিলো হেলপার

বায়জিদ, রামপুরা।

ছবি: রামপুরা ঘটনাস্থল

ঢাকার আফতাবনগরে অবস্থিত ইমপিরিয়াল কলেজের এক ছাত্রকে গলাধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে রামপুরায় রাইদা পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিলো ইমপিরিয়াল কলেজের এইচএসসি ২০২১ ব্যাচের ছাত্ররা। আজ সোমবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে রামপুরা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, রাইদা পরিবহনের একটি বাস বিটিভি ভবনের সামনে আসলে, তখন বাসে থাকা এক শিক্ষার্থী চেকারকে হাফ ভাড়া নেওয়ার কথা বলে। চেকার সেটি নিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং তাকে বাস থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয়। তখন ওই শিক্ষার্থী তার আশপাশের বন্ধুদের ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী এসে রাইদা পরিবহনের প্রায় ৫০টি বাস আটকে দেয়। তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করলে তারা সড়ক থেকে সরে যায় এবং সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। অভিযুক্ত বাসটি আটক করা হয়েছে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে রাইদা পরিবহনের বাস রামপুরায় আটকে দিয়েছিলো ইমপিরিয়াল কলেজের ছাত্ররা। তবে অন্য পরিবহনের বাস চলছিলো। ওসি আরও জানান, রাইদা পরিবহনের অন্তত ৫০টি বাস আটকে রেখেছিলো ছাত্ররা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে রাইদা পরিবহন বাসের চালক মোস্তফা কামাল ও ভাড়া আদায়কারী রনি বলেন, আফতাবনগর থেকে আবুল হোটেল পর্যন্ত আমাদের বাসগুলো রাস্তার পাশে পার্কিং করে রেখেছিলো ছাত্ররা। সেখানে অন্তত দেড়শত বাস ছিলো।

নষ্ট সমাজ ব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি

ওবায়দুল্লাহ, ভৈরব

ছবি: সংগ্রহীত

হোচনা বেগম।
এক মাত্র শিশু কন্য ফাহিমা”
হোচনা বেগমও তিন মাসের অন্তসত্বা। ফাহিমা মাত্র স্কুলে ভর্তি হয়েছে। মোটামুটি কিছু বুঝে। বাচ্চা মেয়ে বাবার কাছে অনেক কিছু খেতে আবদারও করে। সে সুবাধে ফাহিমা বাবাকে খুজতে গিয়ে,, ফাহিমার পিতা আমির হোসেন গোপন সম্পর্কের অবৈধ জিনা মেলামেশা দেখে ফেলেন।

ফাহিমা ছোট মেয়ে তাই সে বললো” আব্বু তুমি এগুলা কি করছো ” আমি আম্মুকে বাড়িতে গিয়ে সব বলে দিব। ফাহিমার বাবা পাশের বাড়ির লাইলি আক্তার নামের তিন সন্তানের এক মায়ের সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক। শিশু মেয়ে ফাহিমা তাদের এই অবৈধ কাজ দেখে ফেলায় বাবা আমির ও পরকীয়াবাদী নারী লাইলি চটে যান।

লাইলীর প্ররোচনায়, ফাহিমার বাবা ও লাইলী সিদ্ধান্ত নেয় ” শিশু ফাহিমাকে তারা হত্যা করবে। তাই আমির হোসেন তার চাচাতো ভাইকে নিয়ে গোপন আলোচনা করেন। আমির হোসের তার দুই চাচাতো ভাইও, রেজাউল, ইমন, রবিউলকে নিয়ে ফার্নিচারের এক দোকানে গোপন বৈঠক করেন। চাচাতো ভাই শিশু ফাহিমাকে হত্যা করার জন্য ১ লক্ষ টাকা দাবি করেন। পিতা আমির হোসেন ১ লক্ষ টাকা দিতে রাজি হন। হত্যা করে দিলে ১ লক্ষ টাকা দিবেন।

এর পরের দিন ” পিতা আমির ফাহিমাকে বলেন,
মা,চলো আব্বু তোমাকে আজকে ঘুরতে নিয়ে যাব।
চটপটি খাওয়াব। ফাহিমা বললো আব্বু আব্বু, কত দিন যাবত চটপটি খাইনি, খুব মন চাইতেছে আমাকে নিয়ে যাওনা আব্বু। বাবা বললো হা মা নিয়ে যাব তোমাকে।
এ কথা বলে ভাড়া করা সি এন জি করে ফাহিমাকে তারা ঘুরতে নিয়ে যান। ফাহিমার মা ফাহিমাকে সুন্দর করে সাজিয়ে পড়িয়ে কপালে চুমু দিয়ে দেন। গর্ভবতী ফাহিমার মা বলে দিলেন, রাত করোনা তাড়াতাড়ি এসো পড়ো তোমরা।
ফাহিমার মা হয়তো জিনতেননা, যে তিনি ফাহিমাকে শেষ বিদায় দিয়ে দিচ্ছেন

ফাহিমাকে নিয়ে যাওয়া হলো তার বাড়ি থেকে ৭ মাইল দুরে একটি নির্জন জায়গায় অন্ধকারে। ফাহিমা বললো আব্বু আমাকে চটপটি খাওয়াবেনা? বাবা বললো হে মা তোমাকে আজকে জনমের মত সব খাইয়ে দিব। মূলত ফাহিমা বুঝতে পারছিলনা কি হতে চলেছে । একটু পরই আড়াল থেকে বেরিয়ে আসল, সুহেল, রেজাউল,ইমন ও পরকীয়াবাদী নারী লাইলী আক্তার

বাবা আমির ফাহিমাকে লাত্তি মেরে ফেলে দিল। ফাহিমা বাবা বাবা বলে চিৎকার দিয়ে উঠলো। এমনি রেজাউল হাতে থাকা ছুরি দিয়ে আঘাত করলো ফাহিমার ছোট্ট শরিরে। এদিকে ইমন আঘাত করলো ফাহিমার মাথায়। কুক্ষাত নারী লাইলী আঘাত করলো ফাহিমার গলায় মাথায়। বাবা আমির ফাহিমার গলা ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে মৃত্যু নিশ্চত করে। লাইলী আবার রানদা দিয়ে ফাহিমার গলা থেকে মাথা আলাদা করে দেয়। রেজাইল ফাহিমার পা কেটে আলাদা করে দেয় ।
ইমন দুটো হাত টুকরো টুকরো করে দেয় । নিজের বাবা ফাহিমাকে মাঝখান দিয়ে দু টুকরো করে দেয়। একদম ৮ টুকরো করলো ফাহিমাকে। তারপর একটি বস্তায় ভরে জঙ্গলে ফেলে দিয়ে আসলো।

কি কেঁপে কেঁপে উঠেছেন? এটি কোন রুপকথা বা জাহিলিয়াতের কোন ঘটনা নয়। এটি গত ৭/১১/২০২১ নভেম্বরে কুমিল্লার দেবিদ্বারে ঘটে যাওয়া ঘটনা।

পরকীয়া ” কত ভয়ানক। হয়তো এই ঘটনাটির দ্বারা আপনি হারে হারে কিছুটা টের পেয়েছেন। সারাদেশে একের পর এক হত্যাকান্ড চলছে এই পরকীয়ার কারনে । পরকীয়া ধংস করে দিচ্ছে আমাদের সমাজ ও জীবনকে।