ফতুল্লায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার

আরিফুল ইসলাম

৫ বছরের সাজা এড়াতে দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে থাকার পর অবশেষে ফতুল্লায় র‍্যাবের হাতে আটক হয়েছেন বশির খান নামের এক পলাতক আসামি।

শুক্রবার (২০ মে) অভিযান পরিচালনা করে ফতুল্লায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে প্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীর নাম মো. বশির খান (৩৫)। বশির কুতুবপুর শাহী মহল্লার মৃত আনসার আলী খানের ছেলে।

সাজা প্রাপ্ত পলাতক আসামী বশির খান (৩৫) কে আদালত কর্তৃক ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ডসহ ১০হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর শাহী মহল্লা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার পলাকত আসামী মো. বশির খান (৩৫) কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব-১১।

র‌্যাব-১১ উপ-পরিচালক (স্কোয়াড্রন লীডার) এ কে এম মুনিরুল আলম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানান।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ফতুল্লা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ভৈরবের শীর্ষস্থানীয় গাঁজা ব্যবসায়ী ”হোসেন আলী” র‍্যাবের হাতে আটক

নিউজ ডেস্ক:

বি-বাড়িয়ায় র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজা সহ ভৈরবের শীর্ষস্থানীয় গাঁজা ব্যবসায়ী হোসেন আলী (২৫) কে আটক করেছে র‌্যাব। সোমবার (২৫ এপ্রিল) সকালে র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে চেকপোস্ট বসিয়ে আটক করা হয় তাকে। র‌্যাবের বিশেষ ক্রাইম ইউনিটের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

আটককৃত হোসেন আলী (২৫) হলো– ভৈরব উপজেলার কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নের চরেরকান্দা গ্রামের পাগলা বাড়ির রহম আলীর ছেলে।

র‌্যাব আরও জানায়, আটককৃত ব্যক্তি হোসেন আলীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য গাঁজা নিজের হেফাজতে রেখে পরিবহনের মাধ্যমে ভৈরবসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বি-বাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হোসেন আলী দীর্ঘদিন যাবত অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে কালিকা প্রসাদ সহ নিলক্ষিয়া ও এর আশেপাশের এলাকায় গাঁজা সরবরাহ করে আসছে। হোসেন আলীর এই অনৈতিক ব্যাবসার জন্য কালিকা প্রসাদ গ্রামের যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। তার এই অনৈতিক গাঁজা ব্যাবসার জন্য এলাকার প্রতিটি মানুষ ক্ষিপ্ত। তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বংশের দাপট দেখিয়ে ভয় ভীতি দেখাতো এই মাদক ব্যাবসায়ী।

তাকে আজ র‌্যাবের হাতে আটকের পর শান্তির নিশ্বাস ছাড়ছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর দাবি থাকে যেন আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার করা হয়। যাতে করে সে আর এরকম অবৈধ ব্যাবসা না করতে পারে।

মাদকের থাবায় যুব সমাজ আজ ধ্বংসের পথে


লেখকঃ #আরিফুল_ইসলাম_আশিক
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিকা প্রসাদ ইউনিয়নে বেড়েছে মাদকের বিস্তার। এতে করে ধ্বংসের দিকে ধাপিত হচ্ছে যুব সমাজ। যে যুবকের বই গোছানো ব্যাগ নিয়ে স্কুল, কলেজে যাবার কথা সেই যুবক আজ ব্যাগ ভড়ে ইয়াবা, গাজা বহন করে । রাতের আধারে রাস্তার উলিতে-গুলিতে বসে সেবন করছে মরণাত্মক ইয়াবা। যার কারণে তাদের মস্তিস্ক থাকে উগ্রপন্থি। মাদকের টাকার জন্য তারা মানুষ খুন করতেও দ্বিধাবোধ করেনা। যার ফলশ্রুতিতে সমাজে বেড়ে চলছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ইভটিজিং এবং ধর্ষনের মতো নানা অন্যায় । সমাজের বিশিষ্ট্য জনদের মতে, যুব সমাজ ধ্বংসের প্রধান কারণ হচ্ছে বাবা-মার অসচেতনতা। তাদের মতে প্রতিটি বাবা-মার উচিত তাদের সন্তানের উপর নজর রাখা। তারা কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে সকল খবর রাখা। তারা আরোও বলেন এর পেছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে মাদকের সহজলভ্যতা। যার কারণে নেশায় হোক বা আবেগে মাদকে আকৃষ্ট হচ্ছে যুব সমাজ। মাদকের বিস্তার কমানো ও যুব সমাজকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনার উপায় জানতে চাইলে সেচ্ছাসেবী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক এবং সজীব ফারাবী বলেন, প্রথমত যেটা করতে হবে আইন প্রশাসনকে, মাদক বিক্রেতাদের সনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনা এবং তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত যেটা করতে হবে, প্রশাসনের সহায়তায় সমাজের প্রতিটি জায়গায় অভিবাবক সভা করে অভিবাবকদের সচেতনতা সৃষ্টি করা। প্রতিটি স্কুল, কলেজে মাদকের কুফল নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা। তাহলেই মাদকের থাবা থেকে যুব সমাজ রক্ষা করা সম্ভব।