আয়ান এবং মায়ার গুপ্ত ভালোবাসা

সূর্য ঠিক মাথার উপর। আমি ঈদগাহ মাঠ থেকে বাড়ির পথে ফিরছিলাম। মনে একটা বিসন্ন ব্যাথা নিয়ে বসে ছিলাম ঈদগাহ মাঠের বটতলায়।

ভাবছিলাম বন্ধু আয়ানের কথা। সে গত হয়েছে প্রায় তিন বছর আগে। এখানে বসেই দুজন মিলে আড্ডা দিতাম। ও একটা মেয়েকে প্রচণ্ড রকমের ভালবাসতো। আয়ান ছিল খুব প্রাণবন্ত একটা ছেলে।

সে যা বলত মন থেকেই বলত। ওর ভেতরে কোন কথা জমা রাখত না। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কথা বলা সে পছন্দ করত না। সে যে মেয়েটাকে ভালবাসতো তার নাম ছিল মায়া। মায়া ছিল আমাদের পাশের গ্রাম দক্ষিণপাড়ার হাসান আলী মাস্টারের ভাতিজি। মায়া ছিল আয়ানের তিন বছরের জুনিয়র। মায়া তখন এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

মায়ার সাথে আয়ানের পরিচয় মায়ার স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার একটা অনুষ্ঠানে।

আমি বৃহস্পতিবার একটু বেলা করে ঘুম থেকে উঠি কারন সেদিন আমার অফ ডে। আমি তখন ঘুমিয়ে। ঘড়ির কাঁটায় তখন দশটার কাছাকাছি একটা সময়। আয়ান রাস্তা থেকে আমাকে ডাকছে। আমি শুনতে পাচ্ছি না। তখন আমার রুমে এসে আয়ান বলল এই আশিক বেটা উঠ। আজ হাইস্কুলে অনুষ্ঠান। চল, যাবি না!!!

আমার এসব ভালো লাগে না। তবে আয়ান যে বান্দা, আমাকে ছেড়ে সে যাবে না। চালু করে উঠে রেডি হলাম। আজ আয়ানকে অনেক সুন্দর লাগছে।

আমরা মূল গেইট দিয়ে ভেতরে ঢুকে এক পাশে দাড়িয়ে খেলা দেখছিলাম। মাঠে খেলা হচ্ছে বালক বড় ৩০০ মিটার দৌড়। আমি এদিকে খেলা দেখছি, মাঠে একটা ছেলে পায়ের সাতে আঘাত লেগে উড়ে গিয়ে নিচে পড়ে গেল। আমি আয়ানকে দেখাতে যাব দেখি ও একটা মেয়ের দিকে তাকিয়ে আছে, মেয়েটিও তার দিকে তাকিয়ে আছে।

বাকি গল্প পড়তে চাইলে কমেন্ট করুন এবং এটি কেমন হয়েছে জানাবেন প্লিজ ।।।